a
ফাইল ছবি
ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা ক্রমে বাড়ছেই। এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, তিনি ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। তার সরকার চায় নিজ দেশের নাগরিকরা যেন দ্রুত ইউক্রেন ছাড়েন। ক্যানবেরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মরিসন বলেন, ইউক্রেনে অবস্থানরত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকরা যদি চান তবে তাদের দেশটি ছেড়ে চলে আসার এখনই উপযুক্ত সময়।
তিনি আরও বলেন, যারা এখনও ইউক্রেনে আছেন তাদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে কয়েক সপ্তাহ ধরেই কাজ করছেন দূতাবাসের কর্মীরা। আলোচনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির সমাধান করার জন্যও রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান ইয়োসি কোহেনের গোপন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হলো। তথ্য সূত্রে জানা যায়, এক ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টের সহিত অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কোহেন। আর সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে অনেক গোপন তথ্য ফাঁস করে ইয়োসি।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টের স্বামী নিজেই। চ্যানেল থার্টিন নামে একটি ইসরায়েলি টিভি চ্যানেলের বরাতে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল। গাই শিকার নামের ওই ব্যক্তি জানান, তার স্ত্রী কোহেনের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে ইসরায়েলের অনেক গোপন তথ্য পাচার করেছে। অনেক গোপন তথ্য নিজের অবৈধ প্রেমিকাকে বলতেন কোহেন। আর তাদের এই অবৈধ সম্পর্ক শুরু হয় ২০১৮ সালের শেশের দিকে।
অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক মোসাদ প্রধান কোহেন। তিনি বলেছেন, যা বলার এখতিয়ার তার ছিল না তেমন কোনো কিছুই কোথাও প্রকাশ করেননি। এদিকে কোহেনের এই তথ্য ফাঁসের পুরো অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি আগামী বৃহস্পতিবার প্রচার করবে চ্যানেল থার্টিন নামে এক গণমাধ্যম।
ওই ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টের স্বামী আরো জানিয়েছেন, মোসাদের নানাবিধ কর্মকাণ্ড, বিশ্বজুড়ে চালানো অপারেশন, নিজের ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াসহ নানা স্পর্শকাতর তথ্য প্রকাশ করেন কোহেন।
ইসরায়েলের পুঁজিবাজারের পরিচিত মুখ গাই আরও বলেন, কোহেন তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার সময় ইরানের ওপর ইসরায়েলে নানা গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন তথ্য ফাঁস করেছেন।
ইসরায়েল যে ইরানের নাতাঞ্জ পারমানবিক কেন্দ্রের ভূগর্ভে সেন্ট্রিফিউজ নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটি ধ্বংস করে দেয় সে তথ্যও ফাঁস করে দেন কোহেন। এরপর তাকে মোসাদ প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কোহেন মোসাদের দায়িত্ব নেওয়ার পর কখন কোন দেশ ভ্রমণ করেছেন সে তথ্যও পাচার করেছেন তিনি। এ নিয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন হিব্রু ভাষায় প্রচার করবে ইসরায়েলি টেলিভিশন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্র জোরদার করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪’র নির্বাচনের আগে চক্রান্ত করেছে, ২০১৮’র নির্বাচনের আগে করেছে আবার এখন নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসছে তখন শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বুধবার সকালে গণভবনে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নবনির্বাচিত বোর্ড সদস্যগণ সৌজন্য সাক্ষাতকালে প্রদত্ত ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দুর্যোগ চতুর্দিক দিয়ে আসবে এবং আসছে। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অপর দিকে মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ। তাই এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি ফেলে রাখা যাবে না। উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে নিজের ব্যবস্থা নিজেকেই করে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক দুর্যোগও যেমন আসবে পাশাপাশি যেখানে রাসেলকে (১০ বছরের ছোট্ট) পর্যন্ত খুন করলো আর সেই পরিবার থেকে বেঁচে এসে সরকারে এলাম, সাফল্য এনে দিলাম, বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিলাম- এটা অনেকেই পছন্দ করবে না। কাজেই তারা তৎপর আছে সারাক্ষণই। আমি জানি তাদের তৎপরতা অনেক বেশি। তাদের খবরও আমি রাখি, আমার তো অচেনা কেউ নাই। তারা তাদের চক্রান্ত করেই যাচ্ছে।
তিনি করোনাভাইরাস এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে স্যাংশন ও পাল্টা স্যাংশনকে কেন্দ্র করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে দেশের প্রতি ইঞ্চি জমিকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃচ্ছতা সাধনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, এই স্যাংশনের ফলেই প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ছে এবং আমি জানি না কারা লাভবান হচ্ছে এই যুদ্ধে। লাভবান হচ্ছে অস্ত্র প্রস্তুত ও সরবরাহকারীরা। আর মরছে সাধারণ মানুষ, ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে সাধারণের আজকে কি মানবেতর জীবন। সেটাই সবথেকে দুঃখজনক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে কার কি লাভ হবে জানি না, তবে বাংলাদেশের মানুষের তো ক্ষতিই হবে। কারণ, আমরা তো এক একটা জিনিস টার্গেট করে কাজ করছি। যেমন বলেছি একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না। জাতির পিতা যে পদক্ষেপ শুরু করেছিলেন নোয়াখালি থেকে। আমি সেই দায়িত্বটা পালন করে যাচ্ছি। এখন আরো ৫৬ হাজার ঘর আরো তৈরী হচ্ছে (বিনামূল্যে বিতরণের জন্য)। তাহলে এখানে আর কোনো ভূমিহীন থাকবে না।
দেশে ভূমিহীন-গৃহহীন খুঁজে বের করায় সরকারের পাশাপাশি তিনি তার দলের নেতাকর্মীদেরও দায়িত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, তারপরেও আমি আলাদাভাবে খবর নিচ্ছি। রংপুরসহ বিভিন্ন বিভাগে আমাদের কৃষক লীগ এবং আওয়ামী লীগের যে নেতা-কর্মী রয়েছে তাদেরকে বলেছি- কোথায় কে ভূমিহীন-গৃহহীণ রয়েছে তাদের খোঁজ করে তালিকা করতে হবে। এক একটা এলাকা ধরে আমাকে তালিকা দিতে বলেছি যাতে কেউ বাদ না যায়। আমরা তাদের ঘর করে দেয়ার পাশাপাশি জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দেব। কেননা বাংলাদেশে একটা মানুষও আর ভূমিহীন বা গৃহহীন থাকবে না।
এ সময় তার সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিলেও বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কিছুটা সীমিত করতে বাধ্য হয়েছে বলেও উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, কেবল আমরাই নয় এখন ইউরোপের দেশগুলো থেকে শুরু করে আমেরিকা পর্যন্ত জ্বালানি সাশ্রয় করছে। কাজেই আমরা আগাম ব্যবস্থা নিচ্ছি ভবিষ্যতে যেন বিপদে না পড়তে হয়। তাছাড়া, ১ কোটি মানুষকে আমরা স্বল্পমূল্যে খাবার দিচ্ছি অর্থাৎ কোনো মানুষ যাতে কষ্টে না থাকে সেটাই আমাদের চেষ্টা। সূত্র : বাসস