ঢাকা বুধবার, ৬ আশ্বিন ১৪২৮, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
Mukto Sangbad Protidin

জিয়া যুদ্ধ করে নাই যারা বলেন, তারাই যুদ্ধাপরাধী: গয়েশ্বর


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:০৩
জিয়া যুদ্ধ করে নাই যারা বলেন, তারাই যুদ্ধাপরাধী: গয়েশ্বর
ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, যারা বলেন জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেন নাই তারাই যুদ্ধাপরাধী। যারা বলে জিয়াউর রহমান গুলি করেন নাই তারাই যুদ্ধাপরাধী, তারাই স্বাধীনতাকে স্বীকার করে না। যদি স্বাধীনতাকে স্বীকার করতে হয় তাহলে জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করে হয় না।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা যাদের ভোট চোরের সরকার বলি তারা আজ কয়েকদিন যাবৎ দলবদ্ধভাবে কিছু কথাবার্তা বলছেন। আমি বলবো ওরা (আওয়ামী লীগ) দীর্ঘ ১২ বছর কখনো পাপিয়া, কখনো পরীমনি একেক সময় একেকটা ইস্যু দাঁড় করায়। এখন আমাদের মনে হয় গণতান্ত্রিক শক্তির পক্ষ থেকে, জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে একটা ইস্যু দেওয়া দরকার। সেই ইস্যু হলো জনগণের দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ। এর বিকল্প কিছু নেই।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেন নাই, আজকের যিনি প্রধানমন্ত্রী তিনি যুদ্ধ করেছেন?। তিনি ৯ মাস না, ১০ মাস যুদ্ধ করেছেন। এই দশ মাসের ফসলই। তবুও দোয়া করি ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন। শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করি। আপনাকে তো দেখতে হবে আপনি কি কি করেছেন। মানুষকে অকারণে ব্যাথা দিলে কতটা ব্যাথা লাগে সেটা আপনার উপভোগ করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, সংগ্রাম আন্দোলনে আমাদের ভূমিকা, আমরা জেল জুলুম অত্যাচারের শিকার, আমরা অনেক ত্যাগ শিকার করেছি, কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে যদি ব্যর্থ হই তাহলে সব কাজই কিন্তু বৃথা। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থেকে তাড়ানো ছাড়া বিকল্প কোনো পথ আমাদের জন্য অবশিষ্ট নেই।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) শাহজাহান ওমর, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: কালের কন্ঠ
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হেফাজতের নতুন আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ৩০ আগষ্ট, ২০২১, ১২:৪৫
হেফাজতের নতুন আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী

ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নতুন আমির নির্বাচিত হয়েছেন আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। 

গতকাল রাজধানীর খিলগাঁও মাদরাসায় সংগঠনের খাস ও কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শেষে নতুন আমির হিসেবে তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। পরে হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদ্রিস গণমাধ্যমকে জানান, ‘খাস ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে হেফাজতের আমির নির্বাচিত করা হয়েছে।’ ১৯ আগস্ট হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মারা যান। ওইদিন রাতেই আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে হেফাজতে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত আমির ঘোষণা করা হয়।

খিলগাঁও মাদরাসায় মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে হেফাজতের  খাস কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী, আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা আবদুল আউয়াল, অধ্যক্ষ মিযানুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী ও মাওলানা সাজেদুর রহমান প্রমুখ। মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী সদ্য প্রয়াত জুনায়েদ বাবুনগরীর মামা। তিনি হেফাজতের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। 

মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসার মহাপরিচালক। তিনি ইসলামী ঐক্যজোট, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ ও আল হাইআতুল উলয়া-লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ১৯৩৪ সালে ফটিকছড়ির বাবুনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঈশ্বরদীতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সভাপতিসহ আটক ৩


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১, ০৬:৫৩
ঈশ্বরদীতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সভাপতিসহ আটক ৩

প্রতিকী ছবি

ঈশ্বরদীতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলো সংঘর্ষে ছাত্রলীগ সভাপতি রনি, রাতুল ও শুভ। এঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল হাসান রনিসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। হামলায় পৌর যুবলীগের সভাপতিসহ ৩ জনের অফিস, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সামনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দফায় দফায় এ হামলার ঘটে।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) অরবিন্দ সরকার ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সামনের একটি দোকানে ছাত্রলীগ সভাপতি রনির ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অফিস ছিল। এই দোকানের মালিকানা স্বত্ত্ব নিয়ে মালিক পক্ষের দুইটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্ব চলছিল। রনি এই দ্বন্দ্বনিরসনের প্রতিশ্রুতি দিলেও দ্বন্দ্ব এখনও নিরসন হয়নি বলে তিনি জানান।

এ অবস্থায় মালিকদের একটি পক্ষ শুভ আরেক গ্রুপের সহযোগিতা নিয়ে বুধবার সকালে রনির অফিসে তালা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় সভাপতি রাকিবুল হাসান রনি, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন শুভ এবং যুবলীগ কর্মী আকমলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তবে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পাবনা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঈশ্বরদী থানা কর্তৃপক্ষ। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook