a
সংগৃহীত ছবি
মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশালের অধিকাংশ স্থানে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
উত্তর ও পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং উড়িষ্যা উপকুলে অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে ঝাড়খণ্ড, উত্তর উড়িষ্যা ও ছত্রিশগড়ে অবস্থান করছে। দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর ও নৌ-বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারি ও রাজশাহী, ঢাকা, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বছরের এ সময়ে এমন বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক বলে জানানো হয়।
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজ শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী ঢাকা শীর্ষে উঠে এসেছে। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ৩৭০ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘ঝুঁকিপূর্ণ’।
১০১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য 'অস্বাস্থ্যকর' বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোর ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। আর ৩০১ থেকে ৪০০ এর এর মধ্যে থাকা একিউআইকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
ভারতের দিল্লি ও মুম্বাই যথাক্রমে ২৫১ ও ২২০ একিউআই স্কোর নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে, সেগুলো হল- বস্তুকণা (পিএম ১০ ও পিএম ২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (এসও৩)।
দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে এর কিছুটা উন্নতি হয়।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হল, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো বালি। সূত্র:ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখলের জন্য তীব্র যুদ্ধ চলছে, শহরটির ৭০ শতাংশ বেশি এলাকা এখন রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে; তারা ইতোমধ্যেই শহরটির কেন্দ্রস্থল থেকে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের তাড়িয়ে দিয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক অভিমুখী সব সেতু ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর সেরহাই গাইদাই। খবর বিবিসির।
গাইদাই বলেন, শহরটি কার্যকরভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় লড়াই চলতে থাকা শহরটিতে রসদ সরবরাহ এবং বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখল রাশিয়ার অন্যতম সামরিক লক্ষ্য বস্তু পরিণত হয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক এবং কাছে লিসিচানস্ক শহরের নিয়ন্ত্রণ পেলে মস্কো পুরো লুহানস্ক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবে। এই অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
টেলিগ্রাম পোস্টে গাইদাই জানান, সেভেরোদোনেৎস্কের তিনটি সেতুই ধ্বংস হয়ে গেছে। এই শহরে যেসব বাসিন্দারা থেকে গেছেন তারা কঠিন পরিস্থিতির মাঝে দিনাতিপাত করছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শহরটির জন্য মানুষের যে মূল্য দিতে হয়েছে তা ‘ভয়াবহ’। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় সেনারা প্রতি মিটারের জন্য লড়াই করতে রুশ বাহিনীকে বাধ্য করেছে।
এদিকে, রুশপন্থী স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের এক সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, শহরটিতে থেকে যাওয়া ইউক্রেনীয় সেনাদের অবশ্যই ‘আত্মসমর্পণ করতে হবে নয়তো মরতে হবে’। সূত্র: আমাদের সময়