a
সংগৃহীত ছবি
মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশালের অধিকাংশ স্থানে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
উত্তর ও পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং উড়িষ্যা উপকুলে অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে ঝাড়খণ্ড, উত্তর উড়িষ্যা ও ছত্রিশগড়ে অবস্থান করছে। দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর ও নৌ-বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারি ও রাজশাহী, ঢাকা, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বছরের এ সময়ে এমন বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক বলে জানানো হয়।
প্রতিকী ছবি
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল খুলনার দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ধেয়ে আসছে। অন্যান্য সময়ের ন্যায় এটি সুপার সাইক্লোনে রূপ নিয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তবে এখনি ঘূর্ণিঝড়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু হয়নি বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।
আজ শনিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন যেহেতু এটি এখন পর্যন্ত লঘুচাপ হয়ে আছে, এখনই আতঙ্ক কিংবা শঙ্কার কিছু নেই। আরেকটা বিষয় হলো ঘূর্ণিঝড় এগোনোর সময় প্রতিমুহূর্তে দিক পরিবর্তন করে। দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন এলাকা আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বাড়ে। সেজন্য আমরা আমাদের পুরো উপকূলকে সতর্ক করব, প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবহাওয়া অফিস ইঙ্গিত দিয়েছে , ভারতের উত্তর আন্দামান সাগর ও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আঘাত হানতে পারে। সবশেষ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ হয়ে আগামী বুধবারের দিকে বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত দেন আবহাওয়া অফিস।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: রাজধানীর মিরপুরের পাইকপাড়ায় মাইনুদ্দীন হাওলাদার নামে ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন। আজ রোজ শনিবার, দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টারস এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী নিজেই।
মাইনুদ্দীন হাওলাদার উপস্থিত সকলকে যথাযথ সম্মানপূর্বক বলেন, আমি নিম্মস্বাক্ষরকারী মো: মাইনুদ্দীন হাওলাদার। পিতার নাম : মুজিবুল হক। মাতার নাম : ছকিনা খাতুন। বর্তমান ঠিকানা:- বাসা- নং- ৩৩৮/১, দক্ষিণ পাইকপাড়া, থানা- মিরপুর, জেলা- ঢাকা- ১২১৬। স্থায়ী ঠিকানা:- বাসা- নং- গ্রাম- ধনিয়া, পো: তুলাতলি বাজার, থানা- ভোলা সদর, জেলা- ভোলা। এনআইডি নং ৯৫৫ ২০৫ ৫৪১১। পেশা : ব্যবসা। ধর্ম- ইসলাম। জাতীয়তা- বাংলাদেশী। জন্ম তারিখ- ০১/০২/১৯৭২ ইংরেজী।
গত ০৯/০৪/২০১৫ইং তারিখ একটি জাতীয় দৈনিকে আমাকে নিয়ে একটি মিথ্যা নিউজ প্রকাশিত হয়। যাহা মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও হয়রানি মূলক বটে। তথাকথিত পত্রিকায় আমাকে ঢাকা মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্য ও থানা মৎস জীবী লীগের সহ-সভাপতি বানিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়। এরপ্রেক্ষিতে গত ৪ আগষ্ট ২০২৪ ইং তারিখের ছাত্র হত্যা মামলার আসামী উল্লেখ করা হয় এবং বিএনপির বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে বিএনপি'কে মিডিয়া ট্রায়ালের মূখোমুখি দাড় করানোর চেষ্টা করা হয়।
উক্ত নিউজ প্রকাশ করার কারণে আমার এলাকায় (কল্যাণপুর) সামাজিক ও ব্যবসায়ীক হেও প্রতিপন্নসহ মান সম্মান ক্ষুণ্য হয়। আমি উক্ত প্রকাশিত নিউজের তিব্র প্রতিবাদ জনাচ্ছি এবং প্রকাশিত মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও হয়রানি মূলক নিউজটি'র প্রতিবাদ প্রকাশের জন্য অনুরোধ করছি।
সম্মানিত কলম সৈনিকেরা, আমি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত নই। আমি একজন কল্যাণপুর নতুন বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং বাজারের পাশের একটি মসজিদ/মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করে আসিতেছি। তবে যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসে মসজিদ/মাদ্রাসায় দান খয়রাত ও কম্বল বিতরণ করতো আমি সভাপতি হিসেবে পাশে থাকতে হতো এবং সেখানে তাদের দলীয় লোক ও অন্যান্যরা ছবি তুলতো এ ছাড়া আমার জানা মতে আর কোন কিছুই নেই। ০৪ আগষ্ট ২০২৪ তারিখের ঘটনায় জড়িত থাকার অজুহাত দেখিয়ে আমাকে গত ০৮/০৪/২০২৫ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় পুলিশ কল্যাণপুর নতুন বাজার এলাকা থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উপস্থিত বাজারের ব্যবসায়ীরা ও উৎসুক জনতার বাধার মূখে পরে ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে ০৯/০৪/২০২৫ ইং তারিখ পত্রিকা'র নিউজ থেকে আমি জানতে পারিয়ে, ছাত্র ০৪ আগষ্ট ২০২৪ ইং এর ছাত্র হত্যা মিরপুর থানার মামলা নং ১৯ (৮) ২৪ বাদী- লোকমান (৫০), পিতা- সিরাজ মিয়া কর্তৃক একটি মামলায় ২৩ নং আসামী করা হয়।
একই দিন কল্যাণপুর এলাকার জন মানুষ ও ভিকটিমের বোনের ডিভিসি টিভিতে একটি সাক্ষাৎকার এর ফুটেজ থেকে জানা যায় যে, উক্ত ছাত্র টি ঢাকা বংশাল থানা এলাকায় ০৫ আগষ্ট ২০২৪ ইং মারা যায়, মামলাটি বংশাল থানায় না করে মিরপুর করা হয়, মামলাটি ০৫ আগষ্ট ২৪ না দেখিয়ে ৪ আগষ্ট ২৪ দেখিয়ে ভূল ঘটনার স্থান দেখানো হয় যাহা মামলার মেরিট নষ্ট করে দেওয়া হয়। মামলার বাদীকে ভিকটিম এর পরিবার চিনেন না, মামলায় লাশ রিসিভ দেখানো হয় ঢাকা মেডিকেল অথচ ভিকটিম এর পরিবার লাশ রিসিভ করেন মিডফোর্ট হাসপাতাল থেকে, আর যারা মামলার আসামী তাদেরকে ভিকটিম এর পরিবার চিনেন না ইত্যাদি।
বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে আমি দেখতে ও শুনতে পেতাম কিছু পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা গুলোর কিছু অসাধু সদস্যরা গুম, খুন, মিথ্যা মামলা, গায়েবী মামলা ও আয়না ঘর বানানোসহ এসব বে-আইনি কাজ করতেন। যার ফলে ঐ ফ্যাসিষ্ট সরকারকে পছন্দ করতাম না। পরবর্তীতে ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনের পর সারা দেশের মানুষের স্বস্থি ফিরে আসলো, সাথে আমারও ভালো লাগলো যে, এবার জনবান্ধব বা জন মানুষের সরকারের পুলিশ দেখতে পাবো কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি পরলো। এখন নিজেকেই অপরাধী মনে হচ্ছে যে, কি চাইলাম আর কি পেলাম, বর্তমানে আমার স্থানীয় ভাবে মান সম্মন সবই গেল।
আমি খুবই অসহায় জীবন যাপন করেতিছি। ০৪ আগষ্ট ২০২৪ ইং তারিখ আমি যে কল্যাণপুর নতুন বাজার উপস্থিত ছিলাম তার সিসি টিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা আছে। তবে আমি যদি বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার তথ্য আপনি বা আপনারা খুঁজে পান তাহলে আপনাদের যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নিব। যে কোন বিচারের কাঠ ঘড়ায় দাঁড়াতে আমার কোন আপত্তি থাকবে না।
সম্মানিত কলমযোদ্ধা, আপনাদের লেখনির মধ্য দিয়ে আমার উপর এই মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিষয়টি কিছুটা হলেও লাঘব হবে। দয়া করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদ সংবাদটি সবাই প্রকাশ করে জাতির কাছে এর সত্যতা তুলে ধরবেন।