a অনিবন্ধিত সব অনলাইন বন্ধ করা সমীচীন হবে না: তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা শনিবার, ২৪ মাঘ ১৪৩২, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

অনিবন্ধিত সব অনলাইন বন্ধ করা সমীচীন হবে না: তথ্যমন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:৩২
অনিবন্ধিত সব অনলাইন বন্ধ করা সমীচীন হবে না: তথ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি । ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ৭দিনের মধ্যে অনিবন্ধিত সবগুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া সমীচীন হবে না। এ বিষয়ে আদালতকে অবহিত করা হবে। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আদালতকে আমরা জানাবো সাতদিনের মধ্যে সবগুলো বন্ধ করে দেওয়া সমীচীন হবে না। অনেকগুলো বন্ধ করবো, আদালতকে জানাবো, আসলে কি প্রক্রিয়ায় রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে।

কিছু গণমাধ্যমকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। বাকিগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে-জানতে তিনি বলেন, আবেদনের পর যাচাই-বাছাই করার জন্য আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এগুলো তদন্তকারী সংস্থাকে দেয়। সেটি শেষ করে না আসা পর্যন্ত আমরা দিতে পারি না। এ কারণেই সময় লাগছে। 
 
তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখন যেগুলো রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত, সেগুলো ছাড়া আর কোনো অনলাইন ভবিষ্যতে বের হবে না, তেমন নিয়মতো নেই। যেসব অনলাইন সত্যিকার অর্থে গণমাধ্যম হিসেবে কাজ করে না বরং নিজস্ব বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে এবং ব্যাঙের ছাতার মতো এত অনলাইন দেশে প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, যার যেমন ইচ্ছে একটি অনলাইন খুলে বসবে এবং সেটি নিয়ে যেমন ইচ্ছে তেমন সংবাদ পরিবেশন করবে, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করবে, গুজব রটানোর কাজে ব্যস্ত হবে, অন্যের চরিত্র হনন করবে, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হবে, কোন ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সেখানে লেখালেখি হবে, এটি কখনোই সমীচীন নয়। সেক্ষেত্রে এ আদেশ অবশ্যই একটি সহায়ক আদেশ।  

হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা আদালতের লিখিত কপি পাওয়ার পর যে সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে, সে সময়সীমার মধ্যে অবশ্যই কিছু অনলাইন বন্ধ করবো। তবে ভবিষ্যতেও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন দিতে হবে। একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে। আমরা আদালতের কাছে সে বিষয়টি উপস্থাপন করবো। কিছু অনলাইন আমরা বন্ধ করবো।

ইতিমধ্যে কিছু বন্ধও করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আমরা আদালতের নজরে এটিও আনবো, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া সবগুলোকে একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়, সেটিও কতটুকুক সমীচীন, সেটিও ভাবার বিষয়। সেজন্য আমরা আদালতের নজরে আনবো। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ দেশের প্রথম ১২ লেন সড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৩, ১০:০৩
আজ দেশের প্রথম ১২ লেন সড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ফাইল ছবি

দেশের প্রথম ১২ লেনের মহাসড়ক, যার ৮টি এক্সপ্রেসওয়ে। তার ওপর আধুনিক নির্মাণশৈলী আর নান্দনিকতা এই পথকে এগিয়ে রাখবে। এই সড়কটি পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র আট থেকে ১০ মিনিট। এরই মধ্যে শতভাগ কাজ শেষ। আজ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সড়কটি উদ্বোধন করবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সড়ক চট্টগ্রাম, সিলেট ছাড়াও আশপাশের জেলার সঙ্গে ঢাকার নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের পথ তৈরি করবে। আগামীর বাংলাদেশের জন্য যা হবে পথপ্রদর্শক।

জানা যায়, কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে পূর্বাচলের কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত মাত্র ১২.৫ কিলোমিটার সড়ক হলেও এটি দেশের প্রশস্ততর আর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় এক্সপ্রেসওয়ে। রাজধানীর প্রগতি সরণি ও বিমান বন্দর সড়কের সঙ্গে পূর্বের ইস্টার্ন বাইপাসকে সংযুক্ত করবে এই সড়কটি। পাশাপাশি ওই এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন ও সংস্কার করা হচ্ছে। ‘কুড়িল-পূর্বাচল লিংক রোডের উভয় পাশে ১০০ ফুট চওড়া খাল খনন ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এটি বাস্তবায়ন করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। নির্মাণকাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

প্রকল্প সূত্র থেকে জানা যায়, সাড়ে ১২ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে রাজধানীর কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে ১২ লেনবিশিষ্ট। এর মধ্যে ৮ লেন সড়ক হবে এক্সপ্রেসওয়ে। বাকি ৪ লেন সড়ক হবে স্থানীয় যানবাহন চলাচলের জন্য সার্ভিস রোড। এ ছাড়া বালু নদী থেকে কাঞ্চন সেতু পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়ক হবে ১২ লেনের। এর মধ্যে ৬ লেন সড়ক হবে এক্সপ্রেসওয়ে। বাকি ৪ লেন হবে সার্ভিস রোড। এ ছাড়া ১০০ ফিট খালের জন্য ৯০.১৫ একর, বোয়ালিয়া এবং ডুমনি খালের জন্য ৯৪.৬৪ একরসহ সর্বমোট ১৮৪.৭৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লেক খনন ও উন্নয়ন (কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত শেখ হাসিনা সরণির উভয় পাশে ১২.৩ কিমি, বোয়ালিয়া খাল-৫.০২ কিমি, ডুমনি খাল-৪.৪০ কিমিসহ মোট ২৬ কিমি লেক খনন করা হয়েছে। আর প্রকল্পের মধ্যে নিকুঞ্জ খাল খনন ও উন্নয়ন (৭৫০ মিটার দীর্ঘ) তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া খালের ওপর ১৩টি আর্চ ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তার ওপর বিভিন্ন স্থানে ১২টি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। পাঁচটি ইন্টারসেকশন তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত দুটি ও বালু নদী থেকে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত তিনটি ইন্টারসেকশন। স্লুইসগেট ও পাম্প হাউস নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৬টি আন্ডারপাস, ৩৬.৮ কিমি ওয়াকওয়ে, ১২.৫ কিমি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ৬টি স্থানে ফুটওভার ব্রিজ, ১১৭০টি সড়ক বাতি স্থাপন ও ১১টি সাবস্টেশন স্থাপন এবং ৬০ হাজার নানান প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়েছে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটারের এ পথ রাজধানীতে আনবে নতুন গতি। পূর্বাচল নতুন শহর ও শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সঙ্গে যোগাযোগ হবে মসৃণ। ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম, সিলেট, নরসিংদী, গাজীপুরে যে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ তৈরি হবে তাই যেন জানান দেবে আগামীর বাংলাদেশকে।

এই বিষয়ে বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এআরআই) বিভাগের সাবেক পরিচালক বিভাগের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, ঢাকা বাইপাস হওয়ার পর এর পুরো সুফল পাওয়া যাবে। তখন বাইপাস ব্যবহারকারীরা এ এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সুফল পাবে। এতে শুধু দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে এমন না, ঢাকার প্রবেশপথের ওপরও চাপ কমে যাবে। ঢাকার যানজটও কমে যাবে। এ বিষয়ে রাজউকের মুখপাত্র ও নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, কুড়িল-পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কের আগেই শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কটির উভয় পাশে ১০০ ফুট চওড়া খাল খনন ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে সৌন্দর্যবর্ধন ও সড়কের মিডিয়ামে গাছ লাগানোসহ আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হয়েছে। এই সড়ক নির্মাণ হওয়ায় রাজধানীর সঙ্গে পূর্বাচল, সিলেট, নরসিংদী ও চট্টগ্রামের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে নতুন ঢাকার গেটওয়ে হবে এই সড়কটি।

‘কুড়িল-পূর্বাচল লিংক রোডের উভয় পাশে (কুড়িল-বালু নদী পর্যন্ত) ১০০ ফুট চওড়া খাল খনন ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আবাসন প্রকল্পের বাইরে এটিই রাজউকের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন প্রকল্প। প্রকল্পটির সর্বপ্রথম মেয়াদ ছিল ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের আগস্ট। তিন বছরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। ২০১৫ সালে প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৫ হাজার ২৮৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এর সঙ্গে আরও তিনটি খাল, সড়ক, সেতুসহ আনুষঙ্গিক বিষয় যুক্ত হওয়ায় সংশোধিত প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৫ হাজার ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। এতে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩২৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আফগানিস্তানে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ৩২০


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৩, ১০:২৩
আফগানিস্তানে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ৩২০

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। সর্বশেষ জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ৩২০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় তালেবান কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে আরও বেশি।

তালেবান কর্মকর্তারাও বলেন, নিহতদের সংখ্যা অনেক। এখনও অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছে। আমরা মানুষকে সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে উল্লেখযোগ্য হতাহতের সম্ভাবনা রয়েছে। দুর্যোগটি ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে।

ইউএসজিএস ওয়েবসাইটে পোস্ট করা একটি মানচিত্রে আফগানিস্তান অঞ্চলে সাতটি ভূমিকম্পের কথা জানানো হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে হেরাত থেকে ২১.৭ মাইল উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, জিন্দাজান থেকে ২০.৫ মাইল উত্তর-উত্তর-পূর্বে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প এবং হেরাত শহর থেকে প্রায় ২৬ মাইল পশ্চিমে জিন্দাজানের ১৮ মাইল উত্তর-উত্তর-পূর্বে আরেকটি ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।

হেরাত প্রদেশে ভূমিকম্পের ফুটেজে দেখা গেছে, গ্রামগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। লোকজন তাদের মৃত প্রিয়জনদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনছে।

জিন্দাহ জান জেলার বাসিন্দা দাউদ হেরাত থেকে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কয়েক ডজন গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। শত শত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছে। আমি আমার ৯ জন আত্মীয়ের লাশ হেরাতে নিয়ে গিয়েছি। বহু গ্রামের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দাউদ আরও বলেন, আমি আপনাদের বলতে পারি, আমার আত্মীয়দের গ্রামে মাত্র ৫০ জন বেঁচে আছেন। আজ সকাল পর্যন্ত সেখানে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ বসবাস করছিল। এখানে একটা বিপর্যয় ঘটছে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়