a
ফাইল ছবি
জাপানি মা নাকানো এরিকো এবং বাংলাদেশি বাবা শরীফ ইমরান দুই শিশুকে নিয়ে গুলশানের ভাড়া করা একটি বাসায় উঠেছেন। বুধবার দুপুর ১টায় তারা এ বাসায় উঠেন। জাপানি মায়ের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গুলশানের ওই বাসায় শিশু দুটি বাবা-মাকে এক সঙ্গে পেয়ে বেজায় খুশি। চার রুমের এই ফ্লাটে আগামী ১৫ দিন বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটাবে পারবে তারা।
গতকাল হাইকোর্ট দুই মেয়ে শিশুকে নিয়ে মা নাকানো এরিকো ও বাবা শরীফ ইমরানকে এক বাসায় থাকার নির্দেশ দেন। ঢাকা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালককে বলা হয়েছে বিষয়টি দেখার জন্য। পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) বাচ্চাসহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী আদেশের জন্য রেখে আদালত বলেন, বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণে রাখবেন। কোনো পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ উঠলে তা পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানান।
ফাইল ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে অভিনন্দন বার্তা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো বার্তায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভুয়সী প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশের মানবাধিকারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত বলেও উল্লেখ করেন বাইডেন।
রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও তিনি জানান। এছাড়া, জলবায়ু সংকট নিরসনে কাজ করতে বাংলাদেশর প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয় বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে।
ফাইল ছবি । ইব্রাহীম রাইসি
ইব্রাহীম রাইসি, যিনি ২০১৭ সালে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাসান রুহানির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনেও তিনি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী। তবে এবার তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন জরিপে তার নাম উঠে আসছে যে, দেশটির আগামীর প্রেসিডেন্ট তিনিই হতে যাচ্ছেন।
বর্তমান ইরানের প্রধান বিচারপতি এই ইব্রাহিম রাইসি। ৬০ বছর বয়সী রাইসি দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অন্যতম।
ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং রাইসির জন্ম একই স্থানে, অর্থাৎ দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে। খামেনির মতো না হলেও দেশটির সংখ্যাগুরু শিয়া সম্প্রদায়ের কট্টরপন্থীমহলে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক।
খামেনির মতো রাইসিরও দাবি, বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদের (সঃ) বংশধর তিনি। বিশ্বনবীর রক্তসম্পর্কিত উত্তরাধিকার হওয়ার কারণে সবসময় কালো রঙের পাগড়ি পরেন তিনি। তবে ইরানের গণতন্ত্রপন্থী বলয়ে তার জনপ্রিয়তা তেমন নেই।
২০১৯ সালে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা আস্তান কুদস রাজাভি ফাউন্ডেশনের প্রধান হিসেবে রাইসিকে নিয়োগ দেন খামেনি। এরপর ২০১৯ সালে তাকে বিচার বিভাগের প্রধান পদে নিয়োগ দেন খামেনি। এ পদে থাকার সময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে জনপ্রিয়তা কিছুটা বাড়ে রাইসির।
রাইসি রাজনৈতিক দিক থেকে শিয়া ইসলামি কট্টরপন্থার সমর্থক। দেশের গণতন্ত্রপন্থীদের পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্য দেশগুলোরও কঠোর সমালোচক। তবে সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি খারাপ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্যের বিষয়ে সুর নরম বলে ধারণা করা হয়। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট