a
ফাইল ছবি
জাপানি মা নাকানো এরিকো এবং বাংলাদেশি বাবা শরীফ ইমরান দুই শিশুকে নিয়ে গুলশানের ভাড়া করা একটি বাসায় উঠেছেন। বুধবার দুপুর ১টায় তারা এ বাসায় উঠেন। জাপানি মায়ের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গুলশানের ওই বাসায় শিশু দুটি বাবা-মাকে এক সঙ্গে পেয়ে বেজায় খুশি। চার রুমের এই ফ্লাটে আগামী ১৫ দিন বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটাবে পারবে তারা।
গতকাল হাইকোর্ট দুই মেয়ে শিশুকে নিয়ে মা নাকানো এরিকো ও বাবা শরীফ ইমরানকে এক বাসায় থাকার নির্দেশ দেন। ঢাকা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালককে বলা হয়েছে বিষয়টি দেখার জন্য। পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) বাচ্চাসহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী আদেশের জন্য রেখে আদালত বলেন, বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণে রাখবেন। কোনো পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ উঠলে তা পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানান।
ফাইল ছবি । ড. এ কে আব্দুল মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে টিকা উৎপাদনে সহায়তা চেয়েছেন। তিনি এই সহায়তা চান চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ নিয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে।
এ তথ্য জানায় বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন করোনা মহামারি প্রতিরোধে সহযোগিতা ও উত্তরণ নিয়ে এশিয়া প্যাসিফিক বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগেউচ্চ পর্যায়ের এক ভার্চ্যুয়াল সম্মেলনে যোগ দেন। এতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং আই সভাপতিত্ব করেন।
চীনা উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যোগ দেন। সম্মেলনে করোনা মহামারি প্রতিরোধে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ৫ দফা প্রস্তাব পেশ করেন।
ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশ, যেসব দেশের টিকা উৎপাদনে সক্ষমতা আছে, সেসব দেশকে টিকা উৎপাদনে সহায়তা দিন। করোনা নিয়ে তথ্য আদান-প্রদান, করোনা প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগ ও সমন্বয়, টিকাকে জনগণের সম্পত্তি ও কোভ্যাক্স উদ্যোগকে আরো শক্তিশালী করতে প্রস্তাব দেন ড. মোমেন।
সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের জনগণের স্বার্থে টেকসই উন্নয়নে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ফাইল ছবি
দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের ভুগছিলেন আম্পায়ার নাদির শাহ। রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টায় দিকে মারা গেছেন বাংলাদেশের আইসিসি প্যানেল আম্পায়ার নাদির শাহ। রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।
বছরদুয়েক আগে ২০১৯ সালের অক্টোবরে জাতীয় লিগের ম্যাচ পরিচালনা করার সময় মাঠেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর থেকেই অনেকটা গৃহবন্দি মাঠের এই মানুষ। খেলোয়াড়ী জীবনে নাদির শাহ ছিলেন লেগ স্পিনার। সঙ্গে ব্যাটিংও খারাপ করতেন না। ঢাকা লিগে দুই দশকের বেশি সময় খেলেছে আবাহনী, মোহামেডান, বিমান, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, সূর্যতরুণ, আজাদ বয়েজ, ধানমন্ডি ও কলাবাগান ক্লাবের হয়ে। পরে আম্পায়ারিং শুরু করে একসময় হয়ে ওঠেন দেশের এক নম্বর আম্পায়ার।
ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং করে ২০০৬ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ে অভিষেক হয় তার। সব মিলিয়ে ৪০টি ওয়ানডে ও ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ তিনি পরিচালনা করেন মাঠে দাঁড়িয়ে। টিভি আম্পায়ার হিসেবে কাজ করেন ৬ টেস্ট ও ২৩ ওয়ানডেতে। এছাড়াও ৭৩টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ও ১২৭টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন তিনি।
তার মৃত্যুর খবর জানিয়ে বিসিবি পরিচালক আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নাদির শাহ (১৯৬৪-২০২১)। আমাদের ভালোবাসার মানুষ, অতুলনীয় নাদির শাহ আর নেই। তার বিদেহী আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করছি।’