a সরকার বন্যা পরবর্তী প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে
ঢাকা বুধবার, ২৩ পৌষ ১৪৩২, ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সরকার বন্যা পরবর্তী প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২২ জুন, ২০২২, ১২:৩৪
সরকার বন্যা পরবর্তী প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে

ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বন্যা পরবর্তী প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যা পরবর্তী প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায়ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বন্যার পর কৃষকরা যেন কৃষিকাজ করতে পারেন সেজন্য বীজ, সারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর যেন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

লকডাউনের নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ: ওবায়দুল কাদের


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৩৩
লকডাউনের নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ: ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের

অবকাঠামো নির্মাণ কাজ লকডাউনের নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং শতভাগ মাস্ক পরে এসব কাজ পরিচালনা করার নির্দেশ দেন।

ওবায়দুল কাদের আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে প্রকৌশলীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন। তিনি তার বাসভবন থেকে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

সামনে বর্ষাকাল, তাই বর্ষা শুরু হবার আগেই নির্মাণাধীন কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বর্ষার আগে কাজ করার এখনই উপযুক্ত সময়।

তিনি বলেন, ১৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া লকডাউনে সড়কে গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে রাস্তা ফাঁকা থাকবে। তাই এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করতে হবে।

মন্ত্রী সামনে যেসব প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে তার পেপার ওয়ার্ক এখনই শেষ করার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, যেন শুকনো মৌসুম এলেই নির্মাণ কাজ শুরু করা যায়।

বিগত কয়েক বছরে সড়ক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে এবং হচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন এসব কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।

ঢাকা-কক্সবাজার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য মন্ত্রী সবাইকে তাগিদ দেন।

ওবায়দুল কাদের ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি বিষয়ে বলেন, এই প্রকল্প সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি, তাই এই প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ঝুলে থাকলেও সম্প্রতি এর গতি পেয়েছে।

মন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নকালে বা কাজ শুরু হওয়ার আগে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি দ্রুততার সাথে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:০০
যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার

ফাইল ছবি

উত্তম কুমার নায়ক তো নয়, ছিলেন তিনি মহানায়ক। সুদর্শন চেহারা আর অভিনয় নৈপুণ্যের মাধ্যমে জয় করেছিলেন কোটি কোটি মানুষের হৃদয়। তাইতো যুগ যুগ পেরিয়েও এখনো তিনি সবার স্বপ্নের নায়ক হয়েই আছেন।

আজ ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম কুমারের জন্মদিন। বিশেষ এই দিনটিতে তার সম্পর্কে একটি অজানা ঘটনা জানাতে চাই।

উত্তম কুমারের ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেও সুখকর ছিলোনা। বলা হতো ফ্লপ মাস্টার। টানা ৭টি ফ্লপ সিনেমার পর তার উত্থান হয়। এরপর রচিত হয় এক ইতিহাস। ষাটের দশকের শেষ ভাগে তার একের পর এক সিনেমা সফল হয়। সত্তরের দশকেই তিনি মহানায়ক খ্যাতি পেয়ে যান।

সত্তর দশকের শুরুতে কলকাতায় শুরু হয় নকশাল আন্দোলন। একদিন নিউ থিয়েটারস স্টুডিওর মেকআপ রুমে বসে ছিলেন উত্তম কুমার। তখনই কয়েকজন ব্যক্তি অস্ত্রসহ হানা দেয় সেখানে। তার কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে জোরালো হুমকি। মুহূর্তেই ভয়ে কুপোকাত উত্তম। প্রাণনাশের হুমকি দিয়েই তারা চলে যায়।

কিন্তু ওই ঘটনায় উত্তম কুমার এতোটাই ভয় পেয়েছিলেন যে, কলকাতা ছেড়েই পালিয়ে যান। দ্রুত নিজের চুল ছোট করে উঠে পড়েন মুম্বাইয়ের ট্রেনে। যাতে কেউ চিনতে না পারে। চলে যান মুম্বাই। সেখানে গিয়ে ওঠেন অভিনেতা অভি ভট্টাচার্যের বাড়িতে। মাস খানেক ওই বাড়িতে থাকার পর উত্তম যান অভিনেতা বিশ্বজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে।
 
উত্তম প্রায় ঠিক করে ফেলেছিলেন, আর কলকাতায় ফিরবেন না। একদিন তো বিশ্বজিতকে বলেই ফেলেন, ‘চল, তুই আর আমি মিলে এখান থেকেই বাংলা সিনেমা বানাব।’ অবশ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর বন্ধু-সহকর্মীদের আশ্বাসে ফিরে যান কলকাতায়।

১৯৮০ সালে উত্তম কুমার শুটিং করছিলেন ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ সিনেমার। শুটিং চলাকালীন স্ট্রোক করেন। তাকে ভেলভিউ ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। কিন্তু ১৬ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৪ জুলাই না ফেরার দেশে চলে যান উত্তম কুমার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - জাতীয়