a
সংগৃহীত ছবি
ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ ভারতে আঘাত হানার দুই দিনের মাথায় আরেকটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। যার প্রভাবে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ঝড়ো হাওয়াসহ টানা বর্ষণ চলছে।
লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয় এবং এটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
আবহাওয়ার এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে জানুয়ারি মাসে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। এর মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ থাকবে। উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে স্বাভাবিক যে তাপমাত্রা থাকে, এবার তার চেয়েও তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। ফলে শীত পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে। এর আগে, বিএমডির ২ জানুয়ারি প্রকাশিত ১ মাস মেয়াদি বুলেটিনেও একই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
গতকাল বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি) জানায়, এ মুহূর্তে দেশের ৬টি জেলায় মৃদ্যু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা।
এসব জেলায় তাপমাত্রা ১০ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিরাজ করছে। সাধারণত এ অবস্থায় তাপমাত্রা থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আর যদি ৮ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকে তা হলে তা মাঝারি এবং ৬ ডিগ্রির নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এদিকে, তীব্র শীত ও কনকনে ঠাণ্ডায় জনজীবন সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকার কারনে সেখানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়।
মমতা ব্যানার্জি । ফাইল ছবি
টানা তৃতীয়বারে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি। আজ বুধবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। এর আগে গত সোমবার তাকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় নেত্রী নির্বাচিত করা হয়। সেদিন রাতেই রাজ্যভবনে গিয়ে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন মমতা ব্যানার্জি। সেখানেই নির্ধারিত হয় বুধবার শপথ নেবেন মমতা। গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্রও জমা দেন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগের নিয়ম মেনেই পদত্যাগ করেন তিনি। গভর্নর সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেন।
মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সাক্ষাতের পর গভর্নর জগদীপ ধনখড় এক টুইটার বার্তায় জানান, বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজভবনে শপথ নেবেন মমতা ব্যানার্জি। তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন গর্ভনর জগদীপ ধনখড়। মমতার দলের জয়ী এমএলএরা শপথ নেবেন আগামীকাল।
মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেয়ার কথা রয়েছে ৯ মে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দ্রুত শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা। এছাড়া সম্পূর্ণ অনাড়ম্বরভাবে শপথ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পূর্বেই।
প্রসঙ্গত, মমতা ব্যানার্জি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১ হাজার ৯৫৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এর পরও মমতাই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। প্রথানুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে কোনো আসন থেকে উপনির্বাচনে তিনি জয়ী হতে হবে।
ভারতে নির্বাচনে নিয়ম অনুযায়ী শপথগ্রহণের ছয় মাস পর্যন্ত বিধানসভা বা লোকসভার সদস্য না হয়েও মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে ঐ ছয় মাসের মধ্যে তাকে রাজ্যের ক্ষেত্রে বিধানসভা এবং ভারতের সরকার গঠনের জন্য লোকসভা বা বিধানসভায় নির্বাচিত হয়ে আসতে হয়।
২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস যখন পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় গ্রহণ করেছিলেন, তখনো মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গের এমএলএ(এমপি) ছিলেন না। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে আসেন।