a
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের ঘটনার পরদিন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে নেয়া হয়। এবার চাকরিই হারালেন। তাকে বাধ্যতামূলকভাবে অবসরে পাঠানো হয়েছে।
১৯ এপ্রিল বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে কারণ হিসেবে বলা হয়, রফিকুল ইসলামের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় ‘জনস্বার্থে’ তাকে অবসর দেওয়া হল। তবে অবসরজনিত সুযোগ-সুবিধা তিনি পাবেন বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় একদল লোক তাকে আটকিয়ে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেখানে গিয়েছিলেন।
এরপর হেফাজতের নেতাকর্মী ও মাদ্রাসার কয়েকশ ছাত্র রয়েল রিসোর্টে হামলা করে এবং মামুনুল হককে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সেদিন মামুনুলের পক্ষে হেফাজতের নেতারা থানায় অভিযোগ করলে সে অভিযোগ ওসি রফিক গ্রহণ করেছিলেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরে দাবি আদায় এবং চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য কথা বলছেন গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা। এরই প্রেক্ষিতে লাগাতার মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি, প্রেসক্লাবের হলরুমে বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন মহলে স্মারকলিপি পাঠাচ্ছেন সুবিধা বঞ্চিত কর্মচারীরা।
গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীরা দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে চাকরি করলেও তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের কোন উদ্যোগ গ্রামীণ ব্যাংক প্রশাসন নিচ্ছে না। কর্মচারীরা তাদের দাবী জানাতে গত ৩১ জানুয়ারি '২০২৫ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। সেই সংবাদ সম্মেলন করার কারনে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের প্রায় ১৫০ জন শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করে।
চাকরি স্থায়ীকরণের দাবীতে গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেনী কর্মচারীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল ২৭ ফেব্রুয়ারী'২০২৫ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্বারকলিপি পেশ করা হবে।
আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার সকাল ১০:৩০ রাজপথে মিছিল এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংক কর্মচারী মিন্টু রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রমিক নেতা রাজু আহমেদ, বক্তব্য রাখেন আশিক, আপেল, রহমতুল্লাহ জসীমউদ্দিন প্রমুখ। বক্তাগন চাকরি স্থায়ীকরণের দাবীতে আন্দোলন এর ধারাবাহিকতায় আগামীকাল প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্বারকলিপি পেশ এর কর্মসূচি ঘোষনা করেন। একই সাথে দাবি আদায়ে রাজপথে থাকবেন বলে ঘোষণা করেন।
তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে রাস্তা খুঁজতেও আমরা গুগলের আশ্রয় নেই। কোনও অচেনা জায়গায় গেলেই গুগল ম্যাপ-ই যেন প্রধান ভরসা। তবে কখনও কখনও এই গুগল ম্যাপস ব্যবহার করে অনেকে বিপাকেও পড়েছেন। যাওয়ার কথা এক কনের বাড়ি, বরযাত্রী গিয়ে হাজির হল অন্য এক বিয়েবাড়িতে। প্রথমটায় ঘুণাক্ষরেও টের পেল না কেউ। একে অপরের মধ্যে উপহার দেওয়া নেওয়ায় হয়ে গেল। শেষে ভুল ধরলেন কনের কাকা। তারপরে তো দু’পক্ষেরই মাথায় হাত। বোঝা গেল, দোষ গুগল ম্যাপের। ম্যাপ দেখে বিয়েবাড়ি খুঁজতে গিয়েই এই হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। বরপক্ষ বিয়েবাড়ি খুঁজতে সাহায্য নিয়েছিল গুগল ম্যাপের। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার পাকিস জেলার ওই গ্রামে একই সঙ্গে দু’টি বিয়েবাড়ি আয়োজিত হয়েছিল। একটিতে ছিল বিয়ে, অন্যটিতে বাগ্দান পর্ব। দু’টিই কনেপক্ষের বাড়ি। যে বরপক্ষের বিয়েবাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল, তারা গুগল ম্যাপের সাহায্যে গন্তব্য খুঁজতে থাকেন। ম্যাপ নির্দিষ্ট করে দেখায় যে বাড়িটিকে, সেটিতে আসলে চলছিল বাগ্দানের আয়োজন। সেখানেই ঢুকে পড়েন তাঁরা। ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের প্লেট আসে, আসে ফুল। উপহার লেনদেন হয়। কিন্তু ভুল ভাঙান কনের কাকা। দেখা যায়, এই বরযাত্রীর দলের আসলে অন্য মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা। শেষে ওই বাড়ির লোকই গ্রামের অপর প্রান্তে ঠিক বাড়িতে পৌঁছে দেন বরযাত্রীর দলকে।
নেট দুনিয়ায় সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে এই ঘটনাটি বিশেষ করে একটি ভিডিও। স্বাভাবিক ভাবে হাসির রোল উঠেছে এই ভিডিয়ো ঘিরে। অনেকেই বলছেন, ভাগ্যিস বিয়ে পিঁড়ি পর্যন্ত ঘটনা গড়ায়নি, তাহলে যা হত, তা সেলুলয়েডের গল্পকেও হার মানাবে।
পরবর্তীতে অবশ্য উলফার বাড়ির লোকজনই ওই বরযাত্রীদের সঠিক বাড়িতে পৌঁছতে সাহায্য করে।