a রিসোর্টকাণ্ডে অবশেষে রফিকুল চাকরিই হারালেন
ঢাকা বুধবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রিসোর্টকাণ্ডে অবশেষে রফিকুল চাকরিই হারালেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৪৩
রিসোর্টকাণ্ডে অবশেষে রফিকুল চাকরিই হারালেন

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের ঘটনার পরদিন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে নেয়া হয়। এবার চাকরিই হারালেন। তাকে বাধ্যতামূলকভাবে অবসরে পাঠানো হয়েছে। 

১৯ এপ্রিল বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে কারণ হিসেবে বলা হয়, রফিকুল ইসলামের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় ‘জনস্বার্থে’ তাকে অবসর দেওয়া হল। তবে অবসরজনিত সুযোগ-সুবিধা তিনি পাবেন বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় একদল লোক তাকে আটকিয়ে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেখানে গিয়েছিলেন।
 
এরপর হেফাজতের নেতাকর্মী ও মাদ্রাসার কয়েকশ ছাত্র রয়েল রিসোর্টে হামলা করে এবং মামুনুল হককে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সেদিন মামুনুলের পক্ষে হেফাজতের নেতারা থানায় অভিযোগ করলে সে অভিযোগ ওসি রফিক গ্রহণ করেছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

র‍্যাবের দশম ডিজি হিসেবে ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদের দায়িত্ব গ্রহণ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৫ জুন, ২০২৪, ০২:৫৮
র‍্যাবের দশম ডিজি হিসেবে ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদের দায়িত্ব গ্রহণ

ছবি: ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ


পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) দশম মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ। আজ বুধবার সকালে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ২৯ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে হারুন অর রশিদকে র‍্যাবের ডিজি হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।

হারুন অর রশিদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি গ্রামে। তিনি পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট) পদে কর্মরত ছিলেন।

১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন হারুন অর রশিদ। তিনি পুলিশের বিভিন্ন পদে চাকরি করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি লজিস্টিক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে এমএসসি সম্পন্ন করেন। ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি এবং ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

হারুন অর রশিদ ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি থাকাকালে ২০১৯-২০ অর্থবছরে শুদ্ধাচার পুরস্কার পান । তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদকেও (বিপিএম) ভূষিত হয়েছিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কৌতুক অভিনেতা রবিউল, যার পুরো নাম ছিল রবিউল ইসলাম


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০২ মে, ২০২৫, ০৯:৪৪
কৌতুক অভিনেতা রবিউল, যার পুরো নাম ছিল রবিউল ইসলাম

সংগৃহীত: কৌতুক অভিনেতা রবিউল

 


রবিউলের পুরো নাম রবিউল আলম। দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রথম দিকের জনপ্রিয় ও সফল কৌতুক অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম একজন রবিউল। পেশায় ছিলেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী।

জন্মেছিলেন ৯ জুন ১৯৩৯ সালে মুর্শিদাবাদে।চ লচ্চিত্রের পর্দায় তাঁর উপস্থিতিই দর্শকদের বিনোদিত করতো। যেমন ছিল তাঁর শারিরীক গঠন, তেমনি তাঁর অঙ্গভক্তি ও সংলাপ বলার পারদর্শিতা। এক ধরনের নির্মল আনন্দ দিতো দর্শকমনে।

তাঁর অভিনয়ের অন্যতম আরেকটি গুণ ছিলো তিনি হাতির কানের মতো কান দুটোকে সংলাপ বলার তালে তালে নাচাতে পারতেন, যা ছবির পর্দায় চরম হাস্যরসের সৃষ্টি করত।

তিনি সে সময়ের সিনেমাপ্রেমি দর্শকদের মাঝে প্রসংশনীয় কৌতুক অভিনেতা ছিলেন। রবিউল অভিনীত প্রথম ছবি ফতেহ লোহানী পরিচালিত 'আকাশ আর মাটি' মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে।

চলচ্চিত্র ছাড়াও বেতার-মঞ্চ ও টেলিভিশনের এই জনপ্রিয় অভিনেতা একশোরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন।

তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে - তোমার আমার, জোয়ার এলো, নাচঘর, অনেক দিনের চেনা, নীল আকাশের নীচে, রাজা সন্ন্যাসী, অরুণ বরুণ কিরণমালা, সাত ভাই চম্পা, সমাপ্তি, দর্পচূর্ণ, অধিকার, কাঁচ কাটা হীরে, দীপ নেভে নাই, অশ্রু দিয়ে লেখা, বাঘা বাঙালি, আলোর মিছিল, মাসুদ রানা, পরিচয়, এপার ওপার, দোস্ত দুশমন, প্রতিনিধি, সমাধি, গুন্ডা, হাবা হাসমত, বন্ধু, অশিক্ষিত, জিঞ্জির, অভিমান, সাম্পানওয়ালা, ছুটির ঘণ্টা, যাদুনগর, আনারকলি, গাঁয়ের ছেলে, ভাঙাগড়া, রেশমী চুড়ি, লাল কাজল, বড় বাড়ির মেয়ে, ঝুমুর, রজনীগন্ধা, মৎস্য কুমারী, চোর, অভাগী অন্যতম।

১৯৮৭ সালের ১৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি এই অভিনেতা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়