a
ফাইল ছবি
আদালত অবমাননার দায়ে কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) বিচারক সোহেল রানাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই বিচারক বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা জজ হিসেবে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো বিচারককে কারাদণ্ড দেয়ার নজির এটিই প্রথম।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ও বিচারপতি মাসুদ হাসান দোলনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দণ্ডিত এই বিচারককে ৭ দিনের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট।
বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, কুমিল্লার সিজেএম আদালতে বিচারক থাকা অবস্থায় হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে তিনি একটি মামলার অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছিলেন।
এছাড়াও একই মামলায় হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে তিনি একাধিক আদেশ দেন। এরপর উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষার বিষয়ে ব্যাখ্যা দাখিল করেছিলেন সোহেল রানা। ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে সোহেল রানার প্রতি আদালত অবমাননার রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস
গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ প্রতিষ্ঠানটির চার পরিচালকের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে শ্রম আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীরীরা।
রোববার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এ সময় ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।
চলতি বছরের ৬ জুন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চারজনের নামে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা। আদালতের আদেশটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৩ জুলাই শ্রম আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। রুলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
পরে গত ৭ আগস্ট ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় অভিযোগ গঠন কেন বাতিল করা হবে না, এই মর্মে জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ড. ইউনূস। শুনানি শেষে এ বিষয়ে রায়ের জন্য রোববার (২০ আগস্ট) দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ফটো: মাওলানা মামুনুল হক
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সব ধরনের ধর্মীয় সভা, সমাবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার আহ্বান জানান। ফলে সুনামগঞ্জে এই মূহুর্তে যেতে পারছেন না মামুনুল হক। জেলার শাল্লা উপজেলায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ঘটনার তদন্তের স্বার্থে প্রশাসন এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
আজ শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের ইমাম, ওলামা ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডিসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, আগামীকাল রবিবার জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় খাদিমুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার উদ্যোগে খতমে বুখারি ও ইসলামি মহা-সম্মেলনে বক্তব্য রাখার কথা ছিল মাওলানা মামুনুল হকের। কিন্তু প্রশাসন থেকে আয়োজকদের তাকে না আসার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।