a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সবুজ হাওলাদার, ঢাকা: ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করে তামাক। পাশাপাশি এসডিজি’র ১৭টি লক্ষ্যকেই বাধাগ্রস্থ করছে তামাক। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণের বিকল্প নেই।’
আজ রবিবার সকালে (২৩ ফেব্রুয়ারী’২৫) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে-(ডিআরইউ) ঢাকা আহছানিয়া মিশন আয়োজিত ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানান বক্তারা।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ও স্কয়ার ক্যান্সার সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন এবং আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান মিলন এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাবের জেষ্ঠ্য সাংবাদিক মাইনুল হাসান সোহেল।
মূল প্রবন্ধে তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে ১৫ বছর ও তদুর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার ৩৫.৩ শতাংশ। তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে, পঙ্গুত্ববরণ করে বছরে প্রায় ৪ লাখ মানুষ, পরোক্ষ ধূমপানে শিকার ৪২.৭ শতাংশ। দেশের ৩০ শতাংশ বন উজাড় করে তামাক পাতা পোড়ায় তামাক কোম্পানীগুলো। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ২০১৯ সালে প্রকাশিত গবেষণা ফলাফল অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারের অর্থনৈতিক ক্ষতির (চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারানো) পরিমাণ ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা, যা একইসময়ে এই খাত থেকে অর্জিত রাজস্ব আয়ের (২২ হাজার ৮১০ কোটি) চেয়ে অনেক বেশি। সবমিলিয়ে বাংলাদেশে তামাকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং পরিবেশের জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে হুমকি সৃষ্টি করছে।
বক্তারা বলেন, তামাক কোম্পানির মূল টার্গেট কিভাবে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে তামাকে আসক্ত করে ব্যবসা বাড়ানো যায়। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে তামাকপণ্যের প্রচার ও বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হলেও কার্যকর বাস্তবায়নের অভাবে তামাক কোম্পানির কূটকৌশল ও চটকদার বিজ্ঞাপনের ফলে, অরক্ষিত হয়ে পড়েছে দেশের তরুণরা।এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের উচিত তামাক কোম্পানির ছোবল থেকে তরুণদের সুরক্ষা প্রদান করা। তাই বিদ্যমান ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩) যুগোপযোগী করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে যা অত্যন্ত প্রসংশনীয়। তবে আইন শক্তিশালী হলে রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তামাক কোম্পানী অপপ্রচার চালাচ্ছে যা একেবারেই ভিত্তিহীন। আইন শক্তিশালীকরণের সাথে রাজস্ব কমার কোন সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে খূচরা বিক্রেতার আয়ের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।
সভাপতির বক্তব্যে ইকবাল মাসুদ বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী পাসের মাধ্যমে এফসিটিসি’র সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও শক্তিশালী করতে হবে যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি, তামাক কোম্পানির কূটকৌশল ও হস্তক্ষেপ মোকাবেলায় এফসিটিসি আর্টিক্যাল ৫.৩ অনুসারে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: দেশের বর্তমান চলমান উদ্বেগজনক আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতিতে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নিয়ে গঠিত জনতার দল। আজ ২৪ মার্চ ২৫, সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস ছালাম হলে মূলত দুইটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আইটেম-১। সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া প্রসংগে।
আইটেম-২। আর পি ও ১২(১)(চ) এর সংশোধনী প্রসংগে।
সংবাদ সম্মেলনের প্রথম বিষয়, সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া প্রসংগে জনতার দলের প্রধান সমন্বয়ক এবং মুখপাত্র ডেল এইচ খান বলেন, ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার পতনের পরে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির চরম অবনতি ঘটে। ক্রমান্বয়ে এ পরিস্হিতির সামান্য উন্নতি হলেও উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ক্রমশ বাড়ছে। গত ০১ মাসে শিশুধর্ষণ এবং মব জাষ্টিসের ঘটনাগুলো প্রমান করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির কতটা ভঙ্গুর! প্রায় ৬ মাস ধরে সশস্ত্রবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নিয়ে মাঠে থাকা সত্বেও আইনশৃঙ্খলা উন্নতি হচ্ছে না। তৃণমূল পর্যায়ে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের দখলদারী ও চাঁদাবাজী অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। জুলাই বিপ- বের ছাত্র হত্যা মামলাকে পুঁজি করে সারাদেশে অসংখ্য মিথ্যা মামলা হয়েছে। সরকার, স্বরাষ্ট্রউপদেষ্টা, আইজিপিসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে সতর্কতা বা মিথ্যা মামলায় হয়রানি না করার জন্য প্রজ্ঞাপন জারী করার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না।
অনেক সাধারণ - নিরীহ মানুষ ঘরে ঘুমাতে পাচ্ছেন না। এলাকার পারিবারিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিষয়ে প্রতিপক্ষের প্রতি চরম প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে। এ পরিস্হিতিতে সশস্ত্রবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে দীর্ঘদিন মাঠে রাখার ফলে সশস্ত্রবাহিনীর ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যদি সরকার আম্ভরিক থাকে সশস্ত্রবাহিনীর বহুমাত্রিক ব্যবহার করে ১৫ দিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির অভূতপূর্ণ উন্নতি করা সম্ভব। এ বক্তব্যের আলোকে আমাদের দলীয় অবস্হান - হয় সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমাতার পূর্ণ/সদ্ব্যবহার করা হোক নতুবা সশস্ত্রবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে নেয়া হোক। এমন দীর্ঘ মোতায়েনের ফলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী।
সংবাদ সম্মেলনের ২য় বিষয়, আর পি ও ১২(১)(চ) এর সংশোধনী প্রসংগে বলেন, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৭২ এর আর্টিকেল ১২(১) (চ) এর ধারামতে প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের কোনো চাকুরী থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং উক্ত পদত্যাগ বা অবসর গমনের পর ৩ বছর অতিবাহিত না হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ২০২৩ সালে মোট ৪টি রীট পিটিশন করা হয় - যা বিগত স্বৈরাচারী সরকারের ফরমায়েশি আদেশে মহামান্য হাইকোর্টে খারিজ করেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ৬৬ (২) এ সংসদ নির্বাচনের অযোগ্যতার কারণসমূহ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধারাটি বাংলাদেশ সংবিধানের আর্টিকেল ১১, ১৯, ২৬-২৭ এবং ৬৬ এর সাথে সাংঘর্ষিক এবং এ-তে অবসারপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীগণের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন করা হয়েছে। বিপ-বোত্তর সময়ে গঠিত নির্বাচন ব্যবস্হা সংস্কার তাঁদের সুপারিশে আর পি ও'র এই ধারাটি বাতিলের সুপারিশ করেননি। এ ধারাটি নির্বাহী আদেশে বাতিল করতে অর্ববর্তীকালীন সরকারকে বিনীত অনুরোধ করছি।
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ না হলেও নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের আগে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার নিয়ম নেই। তবু ভিন্ন কৌশলে মাঠে নেমেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা। উঠান বৈঠক, ঘরোয়া বৈঠক বা সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচারণা চলছে।
আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী নারায়ণগঞ্জ বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার কদমরসূল দরগাহ জিয়ারত করেন। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও তার সমর্থকরা ভিড় করেন। নৌকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে মিছিল করেছেন নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।
গতকাল শুক্রবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার কদমরসূল দরগাহ জিয়ারতে যান আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। যাবার সময় এবং জিয়ারত শেষে ফেরার পথে নৌকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে মিছিল করেছেন নেতাকর্মীরা। অনেকে আগে থেকেই সেখানে ফুল নিয়ে আইভীর জন্য অপেক্ষায় করছিলেন। তারা ফুল ছিটিয়ে আইভীকে বরণ করে নেন।
উল্লেখ্য, নাসিক নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির ৫ ধারায় অনুযায়ী কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবে না।
সেখানে এই বিধির ব্যত্যয় ঘটেছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দীপু বলেন, ডা. আইভী এ অঞ্চলের সবচেয়ে জনপ্রিয় একজন মানুষ। তিনি কোনো এলাকায় গেলে এমনিতেই শত শত মানুষ তার পেছনে হাঁটতে থাকেন। সাধারণ মানুষকে তো আর আটকে রাখা যায় না।
শুক্রবার দিনভর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। এ সময় তৈমুর আলম খন্দকারকে পেয়ে মুসল্লিরা ছাড়াও ওই সব এলাকার শত শত মানুষ ছুটে আসেন তাকে এক নজর দেখেতে।
জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে অ্যাডভোকেট তৈমুর জুমার নামাজ আদায় করেন নগরীর ১৩নং ওয়ার্ডের আমলাপাড়া বড় মসজিদে। নামাজ শেষে তিনি সেখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর আসরের নামাজ আদায় করেন নগরীর ১১নং ওয়ার্ডের তল্লা বড় মসজিদে এবং মাগরিবের নামাজ আদায় করেন ১৮নং ওয়ার্ডের নোল্লাপাড়া বড় মসজিদে।
এ সময় তৈমুর আলম গণমাধ্যমের কাছে বলেন, গত ১৬ ডিসেম্বর জেলা ও মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে স্মরণকালের বিশাল বিজয় র্যালি হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সেই র্যালিতে যাইনি। অথচ ওই দিনই আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকার পক্ষে করা সমাবেশে অংশ নিয়েছেন, শহরে মিছিল করেছেন।
তিনি বলেন, আজ (শুক্রবার) নৌকার প্রার্থী বন্দরের কদমরসুল দরগায় গিয়েছেন এবং সেখানে শত শত লোক নিয়ে মিছিল করছেন। প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্বাচন কমিশন দ্বিমুখী আচরণ শুরু করেছেন।
নৌকার প্রার্থী সেলিনা হায়াত আইভীর গত ২ দিনের আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি নিয়ে কথা বললে নাসিক নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার মতিয়ুর রহমান জানান, আইন সবার জন্য সমান। যদি এমনটা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টা আমার জানা নেই, আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন কমিশন কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের নাসিক নির্বাচনে মোট ২৫৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীদের মধ্যে থেকে ২১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে মেয়র পদে ৮, নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৬ জন ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন। সূত্র: যুগান্তর