a নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ এস আই ও সার্জেন্ট চাকুরীতে ফিরতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা
ঢাকা রবিবার, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ এস আই ও সার্জেন্ট চাকুরীতে ফিরতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৫
নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ এস আই ও সার্জেন্ট চাকুরীতে ফিরতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা: সুপারিশকৃত ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীদের চাকুরীতে যোগদানে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ পুলিশ এস আই ও সার্জেন্টবৃন্দ। আজ সকালে রাজধানীর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন হলে কান্না বিজারিত এবং আবেগ ঘন মুহূর্ত নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এই সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য দিয়ে সকল সদস্যদের পক্ষে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, জনপ্রশাসন, পুলিশ সদর দপ্তর এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশকৃত ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীদের চাকুরীতে যোগদানে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবীতে আজ আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। আমরা ২০০৬ সালে চূড়ান্ত নির্বাচিত ও ২০০৭ সালে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীগণ অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

২০০৬ সালে চূড়ান্ত নির্বাচিত ৫৩৬ জন এস.আই ও ২২১ জন সার্জেন্টকে তৎকালীন আই.জি.পি নূর মোহাম্মদ ও ডি.আই.জি বেনজির আহমেদ মহোদয় কোন প্রকার নোটিশ প্রজ্ঞাপন ব্যতিরেকে শুধুমাত্র একটি সাদা কাগজে নোটের মাধ্যমে শুধুমাত্র দলীয় ট্যাগে ঢালাওভাবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধভাবে বাতিল ঘোষণা করে।

তৎকালীন সময়ে আমরা আইনের দ্বারস্থ হয়েও সুবিচার থেকে বঞ্চিত হই। সুদীর্ঘ ১৮ বছর তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট সরকার হাসিনার আমলেও আমরা কোন প্রকার সুবিচার পাইনি বরং নানাভাবে দমন-পীড়নের স্বীকার হয়েছি।

বিগত ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনীতির আকাশে ঘনকালো মেঘ ভেদ করে নতুন ভোরে নতুন সূর্য উদীত হলে আবারও আমরা নতুন করে, নতুন আশার আলো দেখতে পাই। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে অন্তর্বর্তী সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশক্রমে আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্বহালে উপস্থিত ৩৩০ জনের একটি তালিকাসহ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সুপারিশক্রমে একটি আবেদন করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব(পুলিশ) যুগ্মসচিব (জনপ্রশাসন), যুগ্মসচিব (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ডি.আই.জি (অ্যাডমিন) পদমর্যাদার উচ্চপর্যায়ের ৬ সদস্যের কমিটি তৎকালীন আই.জি.পি নুর মোহাম্মদ ও ডি.আই.জি বেনজির আহম্মেদ মহোদয়ের সাদা কাগজের বাতিল আদেশটি বাতিল করে আমাদের নিয়োগ পুনর্বহালের সুপারিশ গত ০৭/০৫/২০২৫ইং তারিখে প্রদান করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ডঃ আসিফ নজরুল স্যারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি সবদিক যাচাই-বাছাই করে, এই বিষয়ে একটি Legitimate Expectation তৈরী হয়েছে। সেকারণে, ২০০৬ সালের বাতিলকৃত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা নিয়োগের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নিয়োগ প্রদান করা যেতে পারে বলে গত ২৩/০৪/২০২৫ইং তারিখে মতামত প্রদান করা হয়।

আমাদের নিয়োগ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপটি ৬ মাস ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। অথচ আমরা ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকার দ্বারা বিগত ১৮ বছর বৈষম্যের স্বীকার হয়ে এখনও বৈষম্যমুক্ত মানবিক নতুন বাংলাদেশে আমাদের সারসংক্ষেপ অনুমোদনের অপেক্ষায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছি।

আমাদের দাবী, বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশে মানবিক সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের নিকট আন্তরিক শ্রদ্ধা রেখে বিনয়ের সহিত বলতে চাই-- ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ জন এস.আই সার্জেন্টদের জেষ্ঠতাসহ বয়স ট্রেনিংকালীন সময় প্রমার্জনা করে অনতিবিলম্বে চাকরিতে যোগদানের অনুমতি প্রদান করে দেশ তথা রাষ্ট্রীয় সেবায় অংশগ্রহণের আদেশ প্রদান করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপনের অনুরোধ করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রধানমন্ত্রীর জীবন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে: ডিএমপি কমিশনার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:২৬
প্রধানমন্ত্রীর জীবন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে:  ডিএমপি কমিশনার

ছবি: সংগৃহীত

অন্যসব দেশের রাষ্ট্রনেতাদের তুলনায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আেছে বলে মন্তব্য করেছেন  ঢাকার পুলিশপ্রধান খন্দকার গোলাম ফারুক।

আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের আগের দিন শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নিরাপত্তা প্রস্তুতি দেখতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঝুঁকি বিবেচনায় সম্মেলন ঘিরে সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জীবন সবসময়ই ঝুঁকির মধ্যে থাকে, ইতিপূর্বে অনেকবার জীবননাশের চেষ্টা করা হয়েছে, আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি বেঁচে গেছেন। এ জন্য আমরা তার নিরাপত্তাটাকে সবসময়ই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে থাকি।

তিনি জানান, সম্মেলনস্থলে প্রবেশের প্রতিটি গেটে থাকছে আর্চওয়ে, বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে মঞ্চের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যরা সাদা পোশাকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন বলে জানান।

তিনি বলেন, এক কথায় আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা রেখেছি, যাতে আওয়ামী লীগ উৎসবমুখর পরিবেশে কাউন্সিল শেষ করতে পারে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা জানেন বিশ্বে যত বড় রাজনৈতিক নেতা আছেন, তার মধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন সবচেয়ে বেশি রিস্কে। একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা বারবার তার জীবননাশের চেষ্টা করেছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নবীগঞ্জে ওরসে অতিরিক্ত মাদক সেবন, ২ জনের মৃত্যু


মুজিবুর, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৫:০২
নবীগঞ্জে ওরসে অতিরিক্ত মাদক সেবন, ২ জনের মৃত্যু

ছবি: মৃত ব্যক্তিদ্বয় আব্দুল কালাম (৫০) ও আব্দুল আজিজ (৫৫)

নবীগঞ্জ উপজেলায় ওরসে অতিরিক্ত মাদক সেবন করে মাতলামির সময় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোঃ নোমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর পুর্বে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যে রাতে এ দুজনের মৃত্যু হয়।

মৃতরা হল, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁকড়া গ্রামের আব্দুল কালাম (৫০) ও পার্শ্ববর্তী গোলডুবা গ্রামের আব্দুল আজিজ (৫৫)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নোমান হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত কাঁকড়া গ্রামে নবীন শাহের মাজারে ওরস অনুষ্ঠান হয়। অনেকে সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করেছেন। কালাম ও আজিজ অতিরিক্ত মদ পান করে মাতলামি করছিলেন। এক পর্যায়ে একজন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অপর একজনকে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয় এক গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী বলেন, দুই জনের মৃত্যুর খবর শুণেছি। তবে বিষয়টি নিয়ে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। মৃত দুইজনই আগে থেকেই শাররীক ভাবে অসুস্থ ছিল বলে জানতে পেরেছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন