a
মুক্তা দাশ
একটা কথা ছিলো
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা!
এতোগুলো দিন পেরোলাম
কত সকাল বাসি হলো,
দুপুরের খা খা খা রোদ্দুরে পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হলাম!
বিকেল..!
একটু গা এলিয়ে যেই না বাতাসে গা ভিজাচ্ছি,
এলোচুলে হারিয়ে যাচ্ছি অন্য কোন মনে
অমনি ঝুপ করে সন্ধ্যা নেমে এলো উঠোনে।
বারান্দার গ্রিল এর এপাশে আমি!
এতো সব দেখি, শুনি, গায়েও মাখি...
টুকটাক মনমতো সিন্দুকে পুরেও রাখি
সবটাই লোহার গ্রিল এর এপাশে !!
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা ...!
হাসতে ভুলে গেছি অনেক দিন,
ইটের দেয়াল কাঁপানো বকা খাওয়া হাসি..
এখন আর চাইলেও হাসতে পারি না।
লজ্জাবতী শরীর ছুঁয়েছিলে কোন এক অমৃতযোগে !
শেষ হাসিটা উধাও হলো
আত্মহত্যার অমৃতসুরা পানে ।
লজ্জাবতী’র গোলাপী আভা আজ রক্তাক্ত !
ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের এফোড় ওফোড়।
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা ...!!
ভা...লো..বা...সি
ভা...লো....বা...সা ।।
ফাইল ছবি
রাজধানীর উত্তর বাড্ডা থেকে গুম করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। রবিবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে তিনি এই অভিযোগ জানান। নুর বলেন, আমি ভাড়ায় একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ খেয়াল হলো চালক কার সঙ্গে কথা বলছে, তার লোকেশন কথা বলছে। হঠাৎ সে থেমে গাড়ি থেকে নেমে যাই। কিছু লোকের সঙ্গে সে কথা বলে এবং তারা গাড়িচালককে বলে আপনি চলে যান আমরা গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাব। এরপরই দ্রুত আমরা গাড়ি থেকে নেমে আশেপাশের মানুষকে বিষয়টি জানাই এবং পরে একটি শো-রুমের মধ্যে ঢুকে পড়ি।
ভিপি নুর বলেন, আমি গুলশান-১ নম্বর থেকে আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে ফিরছিলাম। আমাদের মামলাগুলো কীভাবে আইনিভাবে লড়া যায় সেই পরামর্শের জন্য তার চেম্বারে যাই। ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটেছে। ড্রাইভারকে তারা বলেছে, তারা নাকি ডিবির লোক। কিন্তু তাদের গায়ে কোনো পোশাক ছিল না। আমরা যখন বুঝতে পারলাম তখন গাড়ি থেকে তাড়াতাড়ি নেমে গেছি। তারা মূলত আমাকে গুম করার জন্য আটক করতে চেয়েছিল।
নুর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দলের নেতা, শুভাকাঙ্ক্ষী একাধিক ব্যক্তি এভাবে গুম হয়েছেন। আমিও যে কোনো সময় বাসা থেকে গুম কিংবা খুনও হতে পারি। আমি আগেই দেশবাসীর কাছে বিচার দিয়ে রাখলাম। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি
দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের সিটের জন্য আবেদন। আগামী ১লা অক্টোবর ২০২১ তারিখ হতে অনলাইনে হলের সিটের জন্য আবেদন করা যাবে। বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম এবিষয়টি জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিনিধিদের নিশ্চিত করেছেন।এবিষয়ে আগামীকালের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। ছাত্রীরা যেন দ্রুত হলে উঠতে পারে এজন্য যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তার সবই করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য যে, ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর তৎকালীন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ, এম.পি বাংলাবাজারে অবস্থিত বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ২০ই অক্টোবর ২০১৪ তারিখে ৯ম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ.কে আজাদ চৌধুরী।
প্রায় ৭ বছর পর নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং গত ২০ই অক্টোবর ২০২০ তারিখে জবির এ হলের শুভ উদ্ভোদন ঘোষণা করেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। বর্তমানে হলের প্রভোস্টের দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম এবং আবাসিক শিক্ষক হিসেবে আছেন সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রতিভা রানী কর্মকার।
কোভিড-১৯ মহামারীর কারনে এতদিন হলে ছাত্রী উঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। কিন্তু আগামী ৭ই অক্টোবর ২০২১ থেকে জবিতে সশরীরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সে বিষয়টি সামনে রেখে ইতোমধ্যে অনেকবার হলে ছাত্রী উঠানোর গুঞ্জন শুরু হলে প্রতিবারই পিছিয়ে যায়। এবার আর পেছানোর সুযোগ নেই বলে আশাবাদী শিক্ষার্থীরা। তবে ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু না হওয়া পর্যন্ত হল খুলে দেওয়া হবে না বলে পূর্বে জানানো হয়েছিল।