a
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: ‘বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় না এলে ভাত খাব না’ বলা— অসুস্থ নিজাম উদ্দিনের পাশে তারেক রহমান।
উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল থেকে আনা হলো পিজি হাসপাতালে।বি এনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত ভাত খাওয়া থেকে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞায় অটল গুরুতর অসুস্থ সেই নিজাম উদ্দিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে আনা হয়েছে ঢাকার পিজি হাসপাতালে।
আজ বুধবার, বেলা ১২টায় (৩০ এপ্রিল ২০২৫) নিজাম উদ্দিনের শারিরীক অবস্থার খোঁজ-খবর নিতে বিএনপি’র স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ রফিকুল ইসলাম এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ফরিদপুরে যান।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিজাম উদ্দিন এবং তার স্বজনদের প্রতি— তারেক রহমানের সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি এ্যাম্বুলেন্সে করে নিজাম উদ্দিনকে নিয়ে রাজধানী ঢাকার পিজি হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয় প্রতিনিধি দলটি।
প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন— বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা আলমগীর কবির ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন— ফরিদপুর জেলা ড্যাবের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান শামীম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ খান মোঃ আরিফ, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এম এম শাহিনুর ইসলাম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর পি ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান এবং ফরিদপুর জেলা বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকা, আর নিয়মিত ধূমপান করায় শারীরিক অবস্থা ভালো নেই নিজাম উদ্দিনের। ডাক্তাররা সন্দেহ করেছেন, তার সম্ভবত ক্যান্সার-এর লক্ষণ হতে পারে। এরমধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার কিছু টেস্ট করানো হয়েছে।
অসুস্থ নিজাম উদ্দিন সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মৃধা মোঃ শাহিনুজ্জামান-এর আন্ডারে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং প্রথম থেকে আজকে পর্যন্ত তাকে চিকিৎসা সেবা দেন ইন্টার্নী ডাঃ রুফাইদা ইসলাম।
এদিকে, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুতর অসুস্থ নিজাম উদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এনে পিজি হাসপাতালে ভর্তি করার তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন প্রতিনিধি দলকে। অতঃপর আজ বুধবার ঢাকার পিজি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ সোহেল মাহমুদ আরাফাত-এর তত্ত্বাবধানে নিজাম উদ্দিনকে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষীকিতে রান্না করা খাবার মাটিতে ফেলে নষ্ট করে দিয়েছিল স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তাই রাগ করে এক দুই দিন না, টানা এগারো বছরের বেশি সময় ধরে ভাত খান না নিজাম উদ্দিন।
দীর্ঘদিন প্রতিজ্ঞা করে থাকা নিজাম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামে।▫️
... ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
ফাইল ছবি। জিয়াউর রহমান
খুব ছোট বেলার কথা। ৭৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রবর্তিত বাংলাদেশ টেলিভিশন আয়োজিত শিশুদের সুকুমার বৃত্তির প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ির প্রতিযোগী এবং পুরস্কার বিজয়ী ছিলাম। তখনও আমি আমাদের প্রেসিডেন্টকে সরাসরি দেখিনি। এরপর বাংলাদেশ বেতার আয়োজিত একটি মঞ্চানুষ্ঠান হয়। রেডিওতে তো শুধু গান হয়,দেখা যায়না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সাহেব আদেশ দিলেন ঢাকার শাহবাগের রেডিও বাংলাদেশের হোম সার্ভিস এর ভেতরে পেছন দিকের উন্মুক্ত বাগানে একটা মঞ্চানুষ্ঠান করার জন্য। যেখানে উনি উপস্থিত থেকে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন।
আমরা যারা নিয়মিত রেডিও কলকাকলীতে অংশগ্রহণ করতাম তারাই সে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলাম।প্রায় এক মাস ধরে রিহার্সাল হলো। গ্রামবাংলার মানুষের জীবন যাত্রা নিয়ে একটি নৃত্যনাট্য। অনেক কোরাস ভয়েজ ছিল, বলাই বাহুল্য সেখানে বড় বড় একক গান আমার ভাগে পড়লো এবং অনুষ্ঠানের শুরুতেই নৃত্যনাট্যের অংশ হিসেবে, যেন কেবল ভোর হলো এটা বোঝানোর জন্য ছিল ফজরের আজান।সেই আজান আমাকে দেয়া হলো। আজানের পরেই নাটকের ভেতরে বিবেক এসে গাইতে থাকে "মনরে পথে পথে পথ বাঁধিতে একতারা বাজাই"।সবই আমাকে গাইতে হয়েছে। এরপর পুরো একটা গ্রামীণ গল্প নাচেগানে উপস্থাপিত হলো।
আমাকে অনুষ্ঠানের বড় কেউ একজন ডেকে নিয়ে গিয়ে একদম প্রেসিডেন্ট সাহেব এর সামনে দাঁড় করালেন। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করা উচিত। উনি আমাকে এক হাতে টেনে নিয়ে একদম কাছে দাঁড় করিয়ে সেই বিখ্যাত সুমিষ্ট হাসি দিয়ে বললেন তোমার নাম? এতো সুন্দর নাম কে রাখলেন? তারপর বললেন এতো সুন্দর করে আজান কিভাবে দিলে তুমি! তারপর অনেক দোয়া করলেন। আমার বাবা-মা পাশেই দাঁড়ানো ছিলেন, উনি তাঁদের দিকে তাকিয়ে হেসে হেসে বললেন বাচ্চার যত্ন নেবেন। ও একটা রত্ন। যাইহোক।
এরপর একসময় আমাদের "মাদারটেক আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়" এ তিনি এলেন স্কুল পরিদর্শনে। তখনকার দিনেই তিনি আমাদের স্কুলে অনুদান সহ পুরো স্কুলে যাতে এক জায়গা থেকে ক্লাসে ক্লাসে ঘোষণা বা লেকচার শোনা যায় এমন সাউন্ড সিস্টেম মাইক্রোফোন সেট কিনে দিলেন। উনি আসার সাথে সাথে আমার রিহার্সাল করা গান "প্রথম বাংলা আমার শেষ বাংলাদেশ" গাচ্ছিলাম।উনি আমাদের সামনে দিয়ে সহাস্যে ধীরে ধীরে যাচ্ছিলেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এবং শিক্ষকদের সাথে শেইকহ্যান্ড করতে করতে। আমার দিকে চোখ পড়তেই উনি চেনা একটা হাসি দিলেন, মানে উনি আমাকে দেখেই চিনেছেন এই মেয়েটিই সেই কনকচাঁপা এবং আমাদের প্রধান শিক্ষক কে জিজ্ঞেস করলেন যে কনকচাঁপা আপনার স্কুলে পড়ে? ভাবা যায়! একজন দেশের প্রেসিডেন্ট! তাঁর এতো তুচ্ছ বিষয় মনে রাখার ব্যাপারটা আজও বিস্মিত করে আমাকে। ওনার নির্দেশে "পেন পলস" ক্লাব নামক একটি এনজিও শুধু বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করতো। সেখানেও আমি জিয়া শিশু পুরস্কার কয়েকবার পেয়েছি।
পেনপলস ক্লাবের পুরস্কার গুলো অপূর্ব ছিলো। নানান গুনীজনের জীবনীগ্রন্থ শিশুতোষ ভাষায় লেখা বই,একশোটা কাঠপেন্সিল, বিশ দিস্তা কাগজ! এগুলো পুরস্কার এর আইডিয়া ওনারই ছিলো। ওনার নামে "জিয়া পরিষদ" এর নানা কর্মকাণ্ডেও আমি অংশগ্রহণ করেছি।
সোজা কথায় তিনি ছিলেন অসম্ভব শিশুপ্রিয় মানুষ। শিশু-কিশোররা ঠিক ঠাক গড়ে ওঠে কিনা এনিয়ে তাঁর কঠিন নজরদারি ছিল। বিটিভিতে আমাদের অনেক শিল্পীর সাথে জনাব তারেক রহমান ও কোকো রহমান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সাহেবের কড়া নির্দেশ ছিলো তাঁর সন্তানদের যেন বিশেষ দৃষ্টিতে না দেখা হয়! তাদের বেশভুষা, তাদের যাতায়াতের যানবাহন খুবই সাধারণ ছিল। তারা দুই ভাই কোন প্রোটোকল ছাড়া বিটিভির গাড়িতে রিহার্সাল এ যাতায়াত করতো।
এই ছিলেন আমাদের শহীদ প্রেসিডেন্ট সমুখভাগের মুক্তিযোদ্ধা শ্রদ্ধার ও ভালোবাসার জিয়াউর রহমান।
মনে পড়ে তাঁর মৃত্যুতে অনেক কেঁদেছিলাম। টিভিতে লাখো মানুষের ঢল আর হৃদয়বিদারক করুণ ধারাবিবরণীতে কেঁদে কেঁদে অস্থির হয়ে গেছিলাম এই কিশোরী আমি!
আমার সেই অনুভূতি আজও তেমনি আছে,থাকবে।
স্রষ্টা, তুমি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান সাহেবকে জান্নাতুল ফেরদৌসের স্থায়ী বাসিন্দা করে নেয়ার অনুগ্রহ করো।
ফেসবুক থেকে সংগৃহীত.../কন্ঠশিল্পী: কনক চাঁপা
ফাইল ছবি
টলিউড অভিনেত্রী ও যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিলেন তার সোশ্যাল মিডিয়ার এক ভক্ত। শুধু প্রস্তাবই নয়, মিমিকে জীবনসঙ্গী করার দৃঢ় সংকল্পের কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীদের সঙ্গে একটি ‘কিউঅ্যান্ডএ সেশন’ অর্থাৎ প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু করেন মিমি। ভক্তদের সঙ্গে নিজের যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য আগেও বেশ কয়েকবার এ কাজ করেছেন তিনি।
এক এক করে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সবার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন মিমি। কিছুক্ষণ এ ভাবে চলার পরই এক অনুরাগী নিজের মনের ইচ্ছা জানান মিমিকে। তিনি লেখেন, ‘তুমি যত বড় তারকাই হও না কেন, তোমাকে আমি বিয়ে করবই’। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে এ কথার উত্তর ফিরিয়ে দেন মিমি।
তবে অভিনেত্রী কিছুই বলেননি। শুধু গানের মাধ্যমে উত্তর দিয়েছেন। ‘মুঝসে শাদি করোগি’ ছবির ‘টাইটেল ট্র্যাক’টি জুড়ে দিয়েছেন নিজের স্টোরিতে। অর্থাৎ অনুরাগীর এ কথাকে নিছক মজার ছলেই নিয়েছেন তিনি।