a
ফাইল ফটো
পাকিস্তানের সংসদ থেকে চীনা ক্যামেরা উদ্ধার নিয়ে হৈ-চৈ শুরু হয়। পাকিস্তানের সংসদে তখন ভোট চলছিল। দেশটির সংসদের উপরের কক্ষে সিনেট চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে গত শুক্রবার (১১ মার্চ) সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল সংসদের অধিবেশন। এক্ষেত্রে ভোটের প্রক্রিয়া চলছিল গোপনীয়তা রক্ষা করে।
খবরে জানা যায়, গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। হঠাৎ ভোট চলাকালে সিনেট হল থেকে উদ্ধার করা হয় চীনা গোপণ ক্যামেরা। হয়তোবা কোন চীনা স্পাই গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে মনিটরিং করে আসছিল বলে ধারণা করা হয়। ফলে ফের হট্টগোল শুরু হয়। ব্যাহত হয় ভোট প্রক্রিয়া।
সিনেটের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে গোপন ব্যালটে নির্বাচন চলছিল। সেখানে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে কে রেকর্ডিং করছিলেন তা জানা যায়নি। তবে পাকিস্তানের সংসদের মধ্যে চীনের স্পাই ক্যামেরা উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ফাইল ছবি: জো বাইডেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কর্মপদ্ধতিতে আস্থা নেই অধিকাংশ আমেরিকানের। ৭১ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, বাইডেনের অধীনে দেশ ভুল পথে যাচ্ছে। পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে জড়ানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এই মত দিল। অন্যদিকে, ৪০ শতাংশ আমেরিকান বাইডেনের নেওয়া পদক্ষেপগুলোতে আস্থা রাখেন।
এনবিসি নিউজ পরিচালিত সমীক্ষায় এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালনের মেয়াদে এই প্রথম সর্বোচ্চসংখ্যক জনগণ বাইডেনের প্রতি অনাস্থা পোষণ করলেন। খবর এনবিসি নিউজের
জরিপে দেখা গেছে, গত জানুয়ারির তুলনায় বর্তমানে প্রায় তিন শতাংশ বেশি মানুষ বাইডেনের নেওয়া সিদ্ধান্তে আস্থা রাখতে পারছে না। তাদের বড় একটি অংশ মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র এখন ভুল পথে চলছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোকে সঙ্গে নিয়ে ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়ার পর জনমতের এই পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্নেষকরা।
এর পাশাপাশি কভিড-১৯ মহামারি ও ডলারের মুদ্রাস্ম্ফীতির ব্যাপারটিও জনমত পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। সমীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর রিপাবলিকান নেতা বিল ম্যাকইনটার্ফ এনবিসি নিউজকে বলেন, 'ডেমোক্র্যাটরা সম্ভবত একটি বিপর্যয়মূলক নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।' এমন চলতে থাকলে হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ ও সিনেটের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও বাইডেনের ভরাডুবি হবে বলে মনে করেন ডেমোক্র্যাট নেতা জেফ হরউইট।
গত সপ্তাহে চার দিনে মোট এক হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিনির ওপর এই জরিপ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৭৯০ জন নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন।
বাইডেনের বর্তমান এই অবস্থান নিশ্চিতভাবেই ট্রাম্পকে খুশি করবে। কারণ, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও মনোনয়ন চাইবেন বলে আগেই জানিয়েছেন তিনি। তখনও বাইডেনের জনপ্রিয়তা এমন থাকলে নির্বাচনে কী ঘটবে, তা একরকম আন্দাজ করতে পারা যায়।
বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাস পরে অর্থাৎ ২০২১ সালের মার্চে এনবিসি নিউজের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, তখন ৫৩ শতাংশ আমেরিকান বাইডেনকে সমর্থন করেছিলেন এবং তাদের মধ্যে ভোটার ছিলেন ৫১ শতাংশ। একই জরিপে আমেরিকানের ৩৯ শতাংশ ও নিবন্ধিত ভোটারের ৪৩ শতাংশ তার কর্মপদ্ধতিকে অপছন্দ করেছেন। সূত্র: সমকাল
পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন
বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই পিরিয়ডে পেটে ব্যথা দেখা যায়। নানারকম ওষুধ খেয়েও এই ব্যথা কমানো সম্ভব হয় না। আবার ব্যথার ওষুধ নিয়মিত খাওয়াও কোনো কাজের কথা নয়। তাইপরিবর্তন আনতে হবে খাদ্যাভ্যাস। এমন অনেক খাবার আছে যেগুলো এই সময়ে খেলে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। তাই সেসব খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেসব খাবারগুলো সম্পর্কে
চা ও কফি এড়িয়ে চলুন
চা ও কফি এমনিতে উপকারী। তবে অনেক নারীর ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় চা কিংবা কফি খেলে পেটে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। আপনিও যদি একই সমস্যায় ভোগেন তবে এই সময়টাতে চা ও কফি এড়িয়ে চলুন। তবে একেবারে বাদ না দিয়ে দিনে একবার খাওয়া যেতে পারে, এর বেশি নয়। এছাড়াও সব রকম কোমল পানীয় বাদ দিন এই সময়ে। এর ফলে পেটে ব্যথার সমস্যা কমবে অনেকটাই।
এড়িয়ে চলুন ফাস্টফুড
ফাস্টফুড জাতীয় খাবার সব সময়ই অপকারী। পিরিয়ডের সময় এই খাবার আরও বেশি এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের খাবার শরীরে নানা অস্বস্তি, পেটে ব্যথা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই পিজ্জা, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা এ জাতীয় যেকোনো খাবার যতই ভালোলাগুক না কেন, এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে পিরিয়ডের সময়েও সুস্থ থাকতে পারবেন।
লবণ থেকে দূরে থাকুন
খাবারের তালিকা থেকে লবণ একেবারেই বাদ দেবেন না। কারণ লবণ ছাড়া খাবার খাওয়া সম্ভব নয়। তবে পিরিয়ডের সময়ে চেষ্টা করুন লবণটা একটু কমিয়ে খেতে। খাবারের সঙ্গে বাড়তি লবণ নিয়ে খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও তা বাদ দিতে হবে। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের জন্য মোটেই উপকারী নয়। এই সময়ে লবণ বেশি খেলে তা পেটের ব্যথা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।
দুধ পান থেকে বিরত থাকুন
দুধ পানের আছে অনেক উপকারিতা। কিন্তু পিরিয়ডের সময় দুধ পান করলে অনেকের পেটে ব্যথা হতে পারে। তাই অস্বস্তি এড়াতে এসময় দুধ পান করা থেকে বিরত থাকুন। দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার এই সময়ে পেটে ব্যথা বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই এ ধরণের খাবার এই সময়ে এড়িয়ে চলুন।
চিনির অপকারিতা
চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য তেমন উপকারী নয় একথা সবারই জানা। এটি পিরিয়ডের সময় পেটে ব্যথার সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই পিরিয়ডের সময় চিনি খাওয়ার পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দিন। এই সময়ে মিষ্টি জাতীয় খাবার যত কম খাবেন ততই উত্তম।