a
সংগৃহীত ছবি
খিলগাঁওয়ের ড্রেনে পড়ে নিখোঁজের ২৩ ঘণ্টা পর আবুল হোসেন (২৪)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৩ জুন) সকাল ৯টায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
জানা গেছে, ময়লা-আবর্জনার ভেতরে কিছু একটা ভাসতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে খিলগাঁও ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি দল গিয়ে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২২ জুন) রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় ড্রেনে পড়ে এক যুবক (২০) নিখোঁজ হওয়ার খবর আসে। ঐদিন সকাল ১০টার দিকে তিলপাড়ার ৭ নম্বর গলির উত্তর বাসাবো খালের ঝিলপাড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান শিকদার জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৩ মিনিটে আমরা খবর পাই, ২০-২২ বছরের এক যুবক কালভার্ট থেকে খালে পড়ে গেছে।
ফাইল ছবি
ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ আর নেই। বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৯৬ বছর। ব্রিটিশ রাজপরিবারের বরাত দিয়ে বিবিসি ও সিএনএনসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ খবর নিশ্চিত করেন।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ব্রিটেনের সিংহাসনে আসীন ছিলেন ৭০ বছর ধরে। চলতি বছরই তার সিংহাসনে আরোহণের ৭০ বছর উদযাপিত হয়েছে।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। হাঁটাচলা ও দাঁড়িয়ে থাকতে তার সমস্যা হচ্ছিল। এরপর থেকে বালমোরাল প্যালেসে রানিকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন চিকিৎসকরা।
রানির মৃত্যুর পর তার পরিবারের সকল সদস্য উপস্থিত হয়েছেন বালমোরো প্যালেসে। সকাল থেকেই ব্রিটেনে রানির গুরুতর অসুস্থ সংবাদটি প্রচার হচ্ছিল। তারপরই তার পরিবারের সকল সদস্যদের ছুটে যাওয়া ও ব্রিটিশ গণমাধ্যমের শোকাবহ আয়োজন দেখে ধারণা করা হচ্ছিল খারাপ কোনো সংবাদ হতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার মৃত্যুর সংবাদটি প্রচার করে বিবিসি।
এদিকে এই খবরটি প্রচার হওয়ার আগেই হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে থাকে বাকিংহাম প্যালেসের সামনে। ফুল দিয়ে শত শত মানুষ শোক জানাচ্ছেন, প্রার্থনা করছেন প্রিয় রানির জন্য। রানির মারা যাওয়ার সংবাদে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অনেকেই। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
উইল বা ইচ্ছাপত্র করার আগে যদি বাবার মৃত্যু হয়, তাহলেও তার সম্পত্তির উত্তরাধিকার পাবেন তার মেয়েরা। এক ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
গতকাল বৃহস্পতিবার আদালত জানায়, বাবার উপার্জিত সম্পত্তির উপর ভাইয়ের সন্তানদের থেকে মেয়ের অধিকার বেশি।
বিচারপতি এস আবদুল নাজির এবং বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারীর বেঞ্চ জানায়, উইল করার আগে মৃত্যু হলে বাবার সম্পত্তির উপর পরিবারের অন্য সদস্যদের তুলনায় বেশি অধিকার তার কন্যাদের।
শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ এই সংক্রান্ত মামলার প্রেক্ষিতে রায় প্রদানের সময় বলেছে, ‘উইল করার আগে কোনো হিন্দু পুরুষ যদি মারা যান, তা হলে তার সম্পত্তি সব সম্পত্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। তবে মৃত হিন্দু ব্যক্তির মেয়ে তার অন্যান্য আত্মীয়দের তুলনায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে বেশি প্রাধান্য পাবেন।’
পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট এদিন আরও জানায়, যৌথ পরিবারে বসবাস করলেও যদি কোনো হিন্দু ব্যক্তি কোনো উইল না করেই মারা গেলে তার অর্জিত এবং অন্যান্য (উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি) সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পাবেন তার মেয়েরাই।
শীর্ষ আদালত বলে, হিন্দু বিধবা এবং কন্যাদের উত্তরাধিকার পূরাতন হিন্দু রীতির পাশাপাশি বহু আইনেও সুরক্ষিত আছে। এর আগে মাদ্রাজ হাই কোর্ট এই সংক্রান্ত একটি মামলাতে অন্য রায় দিয়েছিল। মাদ্রাজ উচ্চ আদালতের সেই রায় খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও বিডি প্রতিদিন