a
সংগৃহীত ছবি
আগামীকাল শনিবার রাতে চীন থেকে কেনা চুক্তির দেড় কোটি ডোজের মধ্যে সিনোফার্মের টিকার আরও ২০ লাখ ডোজ ঢাকায় আসছে। এর আগে চুক্তির ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছেছে।
শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আগামীকাল রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে সিনোফার্মের টিকার আরও ২০ লাখ ডোজ ঢাকায় এসে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ সিনোফার্মের কাছ থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনেছে।
তিন মাসের মধ্যে এই টিকা দেশে আসার কথা। এছাড়াও, চীন থেকে উপহার হিসেবে দুই দফায় সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পেয়েছে বাংলাদেশ।
ফাইল ফটো
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৬ মার্চ দু’দিনের সফরে ঢাকা আসছেন। বাংলাদেশে মোদির সফরকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উৎসব অনুষ্ঠানে অতিথিদের গায়ে মুজিব কোট দেখা যাবে। ভারতীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রণালয় শনিবার এ খবর নিশ্চিত করে।
মোদির ঢাকা সফরের প্রাক্কালে ঢাকাস্থ ইন্দ্রিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের দেওয়া অর্ডারের ভিত্তিতে তার সফরসঙ্গীদের জন্য ভারতের ঐতিহ্যবাহী খাদির তৈরি একশ মুজিব কোট সরবরাহ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সফর করবেন।
৬ বোতাম বিশিষ্ট কালো রংয়ের মুজিব জ্যাকেটে নিচের অংশে দুটি পকেট এবং উপরে বাম পাশে বুকে একটি পকেট থাকবে। উন্নত মানের পলি খাদি কাপড় দিয়ে এই মুজিব জ্যাকেট তৈরি করা হয়েছে।
কেভিআইসি চেয়ারম্যান ভিনাই কুমার সাক্সেনা বলেন, বাংলাদেশে মুজিব কোটের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে এবং খাদির মুজিব জ্যাকেট তৈরি করা গর্বের বিষয়। মোদির বাংলাদেশ সফরের সময়ে খাদির তৈরি মুজিব কোট বাংলাদেশে যাবে। নরেন্দ্র মোদি খাদির ব্রান্ড অ্যাম্বেসেডর।
সাক্সেনা আরও বলেন, ভারতের ঐতিহ্যবাহী খাদি কাপড়ের তৈরি মুজিব কোট মুজিব জন্মশতবর্ষের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
আগামী রবিবার (১ আগস্ট) থেকে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
শুক্রবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রফতানিমুখী সব শিল্পকারখানা বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।
করোনা মহামারি রোধে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করার পর থেকেই সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখা হয়। আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত এই বিধি-নিষেধ চলাকালে শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখার কথা ছিল।
তবে গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কারখানা খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ, ঢাকা চেম্বার ও এফবিসিসিআইয়ের নেতারা।