a
ফাইল ছবি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
দেশে আবারও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তাবনাও দিয়েছে এই সংক্রান্ত কারিগরি কমিটি। সে অনুযায়ী দু’একদিনের মধ্যেই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের গড়পাড়ায় শুভ্র সেন্টারে শীতবস্ত্র বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আগের চেয়ে ৪০০ গুণ বেশি। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো পরিস্থিত এখনেও সৃষ্টি হয়নি। আক্রান্তের হার অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চলমান ইউপি নির্বাচনসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। এটা খুবই উদ্বেগজনক। নিয়ম না মানলে দেশকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন।
ফাইল ছবি
করোনা সংক্রমণের কারণে এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছে না সরকার। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে অনলাইন ক্লাস হতে পারে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি এমন হয় যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, ক্লাস চালু রাখা সম্ভব নয়, তখন অনলাইন ক্লাসে যেতে হবে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
করোনা মহামারির কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছর সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হয়। তবে স্কুলগুলোতে আগের মতো নিয়মিত ক্লাস শুরু হয়নি। এখনো সীমিত পরিসরে ক্লাস চলছে। এর মধ্যে গত মাসের শেষ দিক থেকে দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। করোনার নতুন ধরন অমিক্রন বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছ। মাসখানেকের ব্যবধানে দেশে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ-ছয় গুণের বেশি হয়েছে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৬৭৬ জন। সংক্রমণ বৃদ্ধির এই প্রবণতা অশুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
তবে এর মধ্যেই জনজীবনকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা থাকবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই করোনা–সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা।
ফাইল ছবি
জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) ফেরাতে কমনওয়েলথ নেতাদের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। একই সঙ্গে কমনওয়েলথের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বৃদ্ধি, টিকা সহায়তা ও জলবায়ু প্রভাব মোকাবিলায় কমনওয়েলথের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আজ শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ভার্চ্যুয়াল এক বৈঠকে অংশ নেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৈঠকে কমনওয়েলথ নেতারা বিপুল সংখ্যক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন এবং ভাসানচরে তাদের আংশিক স্থানান্তরের বিষয়ে তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গাদের নিয়ে মিয়ানমার সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণের সহায়তায় কমনওয়েলথ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।