a
ফাইল ছবি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
দেশে আবারও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তাবনাও দিয়েছে এই সংক্রান্ত কারিগরি কমিটি। সে অনুযায়ী দু’একদিনের মধ্যেই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের গড়পাড়ায় শুভ্র সেন্টারে শীতবস্ত্র বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আগের চেয়ে ৪০০ গুণ বেশি। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো পরিস্থিত এখনেও সৃষ্টি হয়নি। আক্রান্তের হার অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চলমান ইউপি নির্বাচনসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। এটা খুবই উদ্বেগজনক। নিয়ম না মানলে দেশকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন।
ফাইল ছবি
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে সারাদেশ ১ সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন ছয় হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে।
গতকালও শুক্রবার একদিনে শনাক্ত সাত হাজারের কাছাকাছি পৌঁছায়, মৃত্যু হয় ৫০ জন এবং তার আগের দিন ১ এপ্রিলে মৃত্যু হয় ৫৯ জন।
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী আবারও সৌদি আরবের দক্ষিণের 'কিং খালিদ' বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা করেছে। আজ রবিবার ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি হামলার কথা নিশ্চিত করেন।
সৌদির খামিস মুশাইত এলাকায় অবস্থিত বিমানঘাঁটিতে কে-টু ড্রোনের সাহায্যে এই হামলা করা হয়।
সৌদির গণমাধ্যম দাবি করছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইয়েমেনি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর আগে, গত কয়েক সপ্তাহে কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে এ নিয়ে কয়েক দফা হামলা চালায় ইয়েমেনি বাহিনী। কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আরামকো তেল স্থাপনায় ছয়টি ড্রোনের সাহায্যে হামলা চালায় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে ইয়েমেনের জনপ্রিয় সংগঠন হুথি আনসারুল্লাহ সমর্থিত ইয়েমেনি সেনারা সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ও তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়ে আসছে। হুদিতের দাবি- সৌদি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।