a জামিন পেলেন প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জামিন পেলেন প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৩ মে, ২০২১, ১১:২০
জামিন পেলেন প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম

ফাইল ছবি

প্রথম আলো প্রত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে জামিন দিয়েছেন আদালত। বিনা অনুমতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইলের ছবি তোলা এবং কিছু কাগজ পত্র লুকিয়ে রাখার অভিযোগ করে মামলা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দায়ের করা অফিশিয়াল সিক্রেক্টস আইন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন রোজিনা ইসলাম। গত ২০ মে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষ হয়, জামিন আবেদন বিষয়ে শুনানি হয় আজ ২৩ মে (রবিবার)। পাঁচ হাজার  টাকা মুচলেকা এবং পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তের ভিত্তিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) রোজিনা ইসলামের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। 

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ১৭ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা ও নির্যাতন করা হয়। পড়ে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁকে শাহবাগ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাত পৌনে ১২টার দিকে তাঁর বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে  শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়।

শুনানিতে রোজিনা ইসলামের আইনজীবীরা বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, সৃজিত ও উদ্দেশ্যমূলক। জামিন পাওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করেন। এটা তাঁর প্রাপ্য। তবে মামলার ধারাগুলো জামিন অযোগ্য বলে দাবি করে রাষ্ট্রপক্ষ। 

শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১৮ মে রোজিনা ইসলামকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। পুলিশ তাঁকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর না করে তাকে আদালতে প্রেরণ করেন 

মামলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি ছিল, করোনার ভ্যাকসিন ক্রয়, সংগ্রহ সংক্রান্ত গোপনীয় নথি নাড়াচাড়া ও শরীরে লুকিয়ে রেখেছিলেন। এ সব নথি জনগণের সামনে এলে অন্যান্য দেশের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

কুরবানি আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়: রাষ্ট্রপতি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ০৯ জুলাই, ২০২২, ১১:১৫
কুরবানি আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়: রাষ্ট্রপতি

ফাইল ছবি

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, কুরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে। আত্মীয় স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবার দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানিয়ে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
 
রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। ‘আজহা’ অর্থ কুরবানি বা উৎসর্গ করা। ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কুরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অসীম আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে অতুলনীয়। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে পদার্পণ করলো সরকারি তিতুমীর কলেজ


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শুক্রবার, ০৭ মে, ২০২১, ১০:৫৪
প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে পদার্পণ করলো সরকারি তিতুমীর কলেজ

ফাইল ছবি

 

'জিন্নাহ কলেজ' নামে ১৯৬৮ সালে সরকারি তিতুমীর কলেজ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খান জগন্নাথ কলেজের(বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ছাত্র-আন্দোলনকে নির্মূল করার জন্য মহাখালীতে অবস্থিত ডিআইটি খাদ্যগুদাম হিসেবে পরিচিত ভবনে জগন্নাথ কলেজের ডিগ্রি শাখা স্থানান্তর করেন এবং এর নামকরণ করা হয় জিন্নাহ কলেজ।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খান রেডিও-টেলিভিশনে এক ভাষণে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি স্থগিত ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে জিন্নাহ কলেজ শাখার ছাত্র সংসদের প্রথম সহ-সভাপতি (ভিপি) সিরাজউদ্দৌলার নেতৃত্বে টিপু মুনশি ও শাহাবুদ্দিনসহ তৎকালীন কতিপয় ছাত্রনেতা প্রতিক্রিয়া হিসেবে জিন্নাহ্ কলেজের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলেন। তখন আনিসুজ্জামান খোকন (জিন্নাহ কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক) জিন্নাহ কলেজের নাম 'তিতুমীর কলেজ' প্রস্তাব করেন। 

২ মার্চ ছাত্রলীগের কর্মীরা মিছিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় জড়ো হলে সেখানে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আবদুর রবের মধ্যস্থতায় জিন্নাহ্ কলেজের নাম 'তিতুমীর কলেজ' হিসেবে চূড়ান্ত হয়। ঐ রাতেই 'তিতুমীর কলেজ' নামকরণের সাইনবোর্ড লেখা হয় এবং দেয়ালে টাঙিয়ে দেয়া হয়। এলাকার কিছু যুবক তিতুমীর নামকরণের ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করেন। সেই তিতুমীর কলেক আজ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত।

সরকারি তিতুমীর কলেজে একেবারে সূচনালগ্নে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত চালু থাকলেও পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার কথা বিবেচনা করে এবং চাহিদা অনুসারে এখন শুধু স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিসমূহ চালু রয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সকল বিভাগ এই কলেজে চালু ছিল। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পরও পূর্বের সকল কার্যক্রম চালু রয়েছে। এখানে যেসকল বিভাগ চালু রয়েছেঃ

বিজ্ঞান অনুষদ:-
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত,প্রাণিবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, ভূগোল ও পরিবেশ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)।

বাণিজ্য অনুষদ:- হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং।

কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ :
বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, ইসলাম শিক্ষা, সমাজকর্ম, ইসলামের ইতিহাস সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান।

ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে ৫ টি বাস। BRTC লাল বাস, সম্পর্ক, অগ্নিবীণা, সোনার তরী, সাদা বাস। 

কলেজটির ছাত্র-ছাত্রীর জন্য তিনটি আবাসিক হল রয়েছে; এগুলো হলোঃ আক্কাছুর রহমান আঁখি ছাত্রাবাস, সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস, সিরাজ ছাত্রী নিবাস।

কলেজের উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক ছাত্র সংগঠন হলো: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, সরকারি তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাব, ক্লিন এন্ড গ্রীন ক্যাম্পাস-তিতুমীর।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - জাতীয়