a
ফাইল ছবি : ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম
আগামী মার্চ-এপ্রিলে দেশে আবারও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
সোমবার বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স- এর সাথে এক আলোচনাকালে তিনি এই কথা বলেন। ডা. আবুল বাশার বলেন, গত দুই বছরে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় নেয়া ব্যবস্থাপনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে জেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই বুস্টার ডোজের বয়সসীমা ষাটর্ধ্বো থেকে ৫০-৫৫ তে কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত আসছে।
তবে এসএমএস ছাড়াও ষাট বছরের কম বয়সী কো-মরবিট (ডায়াবেটিস, ক্যান্সারে আক্রান্তরা) রোগীরা আগের দুই ডোজ নেয়া কেন্দ্রে গিয়ে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তার রোগের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণ থাকতে হবে বলেও জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
ফাইল ছবি
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে ২১ জানুয়ারি থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে মন্ত্রি পরিষদ।
এছাড়া কোভিড সংক্রমণরোধকল্পে ৫টি জরুরি নির্দেশনা জারী করেছে এই বিভাগ।
নির্দেশনাগুলো হচ্ছে -
১) ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে।
২) বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
৩) রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় সমাবেশ, অনুষ্ঠানসমূহে ১০০ জনের বেশি সমাবেশ করা যাবে না।
এসব ক্ষেত্রে যারা যোগদান করবেন তাদের অবশ্যই ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট/২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর সার্টিফিকেট আনতে হবে।
৪) সরকারি-বেসরকারি অফিস শিল্প কারখানাসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবশ্যই ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দায়িত্ববহন করবেন।
৫) বাজার, মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশনসহ সব ধরনের জনসমাবেশে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি মনিটর করবেন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা। মাস্কাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরীভাবে অবতরণ করে।
ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মাস্কাট থেকে উড্ডয়ন করা বিমানটির পাইলট ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি হালকা অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
এসময় দ্রুতই পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
এরপর ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ওই বিমান থেকে।
পরে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরিভিত্তিতে ওই বিমানটিকে অবতরণ করানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নাগপুরেই পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল।
ফ্লাইটে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনো জানা যায়নি, তবে সবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।
বিমান সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইটটি ওমান যায়। সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
মাস্কাট থেকে বিজি-২২ ফ্লাইটের একজন যাত্রী জানান, মাস্কাট থেকে আমাদের ফ্লাইটে তোলা হয়। আমাদের মাস্কাটে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে সাড়ে ৬টায় বিমানে তোলা হয়। তবে বিমানটি পুশ ব্যাক করার সময় ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে নাগপুরে এটি জরুরি অবতরণ করে।
বর্তমানে বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন। যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটেই আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান কর্তৃপক্ষ।