a বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালেই ঈদ করবেন
ঢাকা শনিবার, ২ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালেই ঈদ করবেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১, ০৫:২৫
বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালেই ঈদ করবেন

বেগম খালেদা জিয়া । ফাইল ছবি


 
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবারের ঈদ হাসপাতালেই উদযাপন করবেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঈদের দিন পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। দলের সিনিয়র কয়েক নেতার চেয়ারপারসনের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার কথা রয়েছে।

চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের সদস্য বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, ঈদের দিন আমাদের নেত্রী  হাসপাতালে থাকছেন।

ঈদের দিন নামাজের পর সকাল সাড়ে এগারটায় মহাসচিবসহ বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন। এই উপলক্ষে ঢাকা পুলিশ কমিশনারের কাছে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার চিঠি দিয়েছেন।

এছাড়া দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবার ঢাকায় ঈদের জামাত আদায় করবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ডক্টর আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুও ঢাকায় ঈদ করবেন। আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ ভারতের শিলং-এ ঈদের জামাত আদায় করবেন। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জার্মানি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জাহাজ আটক করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৭ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৫০
জার্মানি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জাহাজ আটক করেছে

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী নতুন একটি জাহাজ আটক করেছে জার্মানি। ২৩ আগস্ট জার্মানির ব্রেমেন বন্দরে জাহাজটিকে আটক করা হয়। আটক জাহাজটির নাম এমটি বাংলার অগ্রদূত।

সেখানকার কর্তৃপক্ষ বলছে, জাহাজটিতে ২৭টি ত্রুটি শনাক্ত করেছে জার্মানির পোর্ট স্টেট কন্ট্রোল বা পিএসসি।

ইউরোপিয়ান মেরিটাইম সেফটি এজেন্সির ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, জাহাজটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি)। এটি তেল পরিবহনকারী জাহাজ।

এ ঘটনায় গেল বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশের নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ নৌ বাণিজ্য কার্যালয় থেকে একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, অসংখ্য ত্রুটি নিয়ে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ আটকের ঘটনা উদ্বেগের বিষয়। জাহাজের নাম উল্লেখ না করে সেখানে আরও বলা হয়, বেশিরভাগ ত্রুটিই জাহাজ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা সম্পর্কিত। এটি দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার প্রতিফলন। বারবার এ ধরনের ঘটনার কারণে যাতে ওই সব অঞ্চলে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ কালো তালিকাভুক্ত না হয়, সে জন্য কঠোরভাবে নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হবে।

জানা গেছে, এই জাহাজটি সময় ভিত্তিতে ভাড়া দেওয়া সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানির কাছে।  জাহাজটিতে কর্মরত রয়েছেন বাংলাদেশি নাবিকেরা।

আদেশ জারির বিষয়ে নৌ বাণিজ্য কার্যালয়ের মুখ্য কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশে নিবন্ধিত সমুদ্রগামী জাহাজগুলো যাতে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন প্রতিপালন করে, বহির্বিশ্বে যেন বাংলাদেশের সম্মান ক্ষুণ্ন না হয়, সে জন্যই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

জাহাজটির নির্মাণ সংক্রান্ত কোনো ত্রুটি নেই দাবি করে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কমোডর সুমন মাহমুদ বলেন, করোনার কারণে কাগজপত্র হালনাগাদ করা হয়নি।  তাই সমস্যা হয়েছে।  এখন হালনাগাদ করা হয়েছে।  জাহাজটি বন্দর ত্যাগের অনুমতি পাবে শিগগিরই। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রিমালের আঘাতে ৩ জেলায় ৬১ কি.মি বাঁধের ক্ষতি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪, ০৪:১৫
রিমালের আঘাতে ৩ জেলায় ৬১ কি.মি বাঁধের ক্ষতি

ফাইল ছবি


ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়েছে দেশের উপকূলীয় ১৯টি জেলা। দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টার বেশি এ ঘূর্ণিঝড়ে দেড় লাখের বেশি বাড়িঘর সম্পূর্ণ ও আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৩৭ লাখ মানুষ। এছাড়া বসতবাড়ি, রাস্তায় উপড়ে পড়েছে গাছ।

এছাড়াও উপকূলের তিন জেলায় ৬১ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু এলাকায় পুরোপুরি এবং কিছু এলাকায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঁধ। এতে বাঁধসংলগ্ন নিচু এলাকা উপচে লোকালয়ে নোনা পানি প্রবেশ করেছে। এতে ভেসে গেছে হাজার বিঘার চিংড়ি ঘের।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) খুলনার প্রধান প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার সাহা জানান, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় মোট ৬১ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি স্থানে নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খুলনার দাকোপ উপজেলার দুই স্থানে বাঁধ ভেঙেছে।

একটি তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের বটবুনিয়ার ঢাকি নদীর ডান তীরে। এখানে অন্তত ২০ মিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। একই উপজেলার পানখালী-খলসি এলাকার পশুর নদের ভাঙনে সেখানকার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাইকগাছার কামিনীবাসিয়া পুরনো পুলিশ ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বেড়িবাঁধ খুব দুর্বল ছিল। আবার বাঁধ নিচু হওয়ায় জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। স্থানীয়রা বলছে, পাইকগাছা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টি ইউনিয়নের ২১টি স্থানে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহেরা নাজনীন জানান, উপজেলায় প্রায় দেড় লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২১টি স্থানে বাঁধ ভেঙেছে।

বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলাইবুনিয়া ইউনিয়নের শ্রেণিখালী-দৈবজ্ঞহাটিতে পানগুছি নদীর ভাঙনে বাঁধ ভেঙেছে।

বাগেরহাট সদরের দড়াটানা নদীর ভাঙনে বাঁধ ভেঙেছে। এছাড়া সাতক্ষীরা সার্কেলভুক্ত খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশীর হরিহরপুরে শাখবাড়ী নদীর ভাঙন এবং পাইকগাছা উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের ভদ্রা নদীর ভাঙনে বাঁধ ভেঙেছে।

বাঁধের ভাঙনে খুলনার কয়রা উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ভেসে গেছে শতাধিক চিংড়ির ঘের, ভেঙে গেছে কয়েক শ কাঁচা ঘরবাড়ি ও দোকানপাট। এ ছাড়া রাতজুড়ে ভারি বৃষ্টি ও ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার বিপুলসংখ্যক গাছপালা উপড়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গত রবিবার রাতে জোয়ারের পানির প্রচণ্ড চাপে মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের সিংহেরকোনা, মহারাজপুর ইউনিয়নের দশহালিয়া ও দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাল গাজীর বাড়ির সামনের বাঁধ ভেঙে গেছে।

মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, গত রবিবার রাতের জোয়ারে ইউনিয়নের দশহালিয়া এলাকায় প্রায় ৫০ মিটার বাঁধ ভেঙে কপোতাক্ষ নদের পানি প্রবেশ করেছে। এতে দুটি গ্রাম ও কয়েক শ চিংড়িঘের তলিয়ে গেছে।

মহেশ্বরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারি বলেন, ইউনিয়নের সিংহেরকোনা এলাকায় বাঁধ ভেঙে গেছে। এছাড়া নয়ানি এলাকার বাঁধের নিচু জায়গা ছাপিয়ে সারা রাত পানি ঢুকেছে। এতে সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে ও ভারি বৃষ্টিতে কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী জানান, তাঁর ইউনিয়নের মাটিয়াভাঙ্গা এলাকায় রবিবার রাতের জোয়ারে বাঁধের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। এতে পাঁচ-সাতটি গ্রামে নোনা পানি ঢুকেছে। এছাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় নিচু বাঁধ ছাপিয়ে এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে।

খুলনার দাকোপ উপজেলায় গত রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার শিবসা ও ঢাকী নদীর বাঁধ ভেঙে তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের কামিনীবাসিয়া গ্রামের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা তলিয়ে গিয়েছে।

তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ক্ষীতিশ গোলদার জানান, এখানে পাঁচটি পয়েন্ট ভেঙে পানি প্রবেশ করছে। এলাকাটি নোনা পানিতে ভরে গেছে।

কয়রার ইউএনও এ বি এম তারিক উজ জামান বলেন, ‘কয়েকটি স্থানে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। ভারি বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় গাছপালা এবং মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়