a বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালেই ঈদ করবেন
ঢাকা শনিবার, ২৬ পৌষ ১৪৩২, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালেই ঈদ করবেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১, ০৫:২৫
বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালেই ঈদ করবেন

বেগম খালেদা জিয়া । ফাইল ছবি


 
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবারের ঈদ হাসপাতালেই উদযাপন করবেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঈদের দিন পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। দলের সিনিয়র কয়েক নেতার চেয়ারপারসনের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার কথা রয়েছে।

চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের সদস্য বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, ঈদের দিন আমাদের নেত্রী  হাসপাতালে থাকছেন।

ঈদের দিন নামাজের পর সকাল সাড়ে এগারটায় মহাসচিবসহ বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন। এই উপলক্ষে ঢাকা পুলিশ কমিশনারের কাছে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার চিঠি দিয়েছেন।

এছাড়া দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবার ঢাকায় ঈদের জামাত আদায় করবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ডক্টর আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুও ঢাকায় ঈদ করবেন। আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ ভারতের শিলং-এ ঈদের জামাত আদায় করবেন। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পঁচিশে বৈশাখ, আজ কবিগুরুর ১৬২তম জন্মবার্ষিকী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ০৮ মে, ২০২৩, ১১:১০
পঁচিশে বৈশাখ, আজ কবিগুরুর ১৬২তম জন্মবার্ষিকী

ফাইল ছবি : বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

‘হে নূতন,/ দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ।/ তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদ্ঘাটন সূর্যের মতন/’— নিজের জন্মদিন পঁচিশে বৈশাখকে এভাবেই ডাক দিয়েছিলেন কবিগুরু। মহাকালের বিস্তীর্ণ পটভূমিতে এক ব্যতিক্রমী রবির কিরণে উজ্জ্বল এই পঁচিশে বৈশাখ।

১৮৬১ সালের এদিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোয় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন। আজ পঁচিশে বৈশাখ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬২তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উদ্যাপনে ঢাকায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, সংস্থার পক্ষ থেকে আজ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালির চেতনা ও মননের প্রধান প্রতিভূ। বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় তিনি সগৌরবে বিচরণ করেছেন এবং রেখেছেন স্বাতন্ত্র্যচিহ্নিত অবদান। তিনি ভারতীয় সংস্কৃতির বহুত্ববাদ, বৌদ্ধধর্মের অহিংস ও ইসলাম ধর্মের সুফিবাদ এবং বাংলার বাউলদের ভাববাদী চেতনার সমন্বয় সাধন করে বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেন। বিশ্বে জঙ্গিবাদ, উগ্রতা, জাতীয়তাবোধের সংকীর্ণতা, শ্রেণিবৈষম্য, জাতিতে জাতিতে ও ধর্মে ধর্মে হানাহানি প্রতিরোধে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল কর্ম আজও মানবজাতিকে আলোর পথ দেখায়। তিনি তত্কালীন পূর্ববঙ্গে অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশে আবির্ভূত হয়েছিলেন একজন সমাজসংস্কারক হিসেবে। তার জমিদারির সময় দরিদ্র প্রজাদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা, সমবায়নীতি ও কল্যাণবৃত্তি চালু এবং ক্ষুদ্রঋণের প্রচলন পরবর্তীকালে গ্রামীণ উন্নয়নে একটি মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালির চেতনা ও মননের প্রধান প্রতিনিধি। তার জীবনাদর্শ ও সৃষ্টিকর্ম শোষণ-বঞ্চনামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে চিরদিন বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করবে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান হয়ে উঠেছিল প্রেরণার বিশেষ উৎস। শাশ্বত বাংলার মানুষের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা অর্থাৎ সকল অনুভব বিশ্বস্ততার সঙ্গে উঠে এসেছে রবীন্দ্রসাহিত্যে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ইচ্ছাতেই রবীন্দ্রনাথের অনবদ্য সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সংগীত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সংকট উত্তরণে প্রেরণা নিতেন রবীন্দ্রসাহিত্য থেকে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সংগীতজ্ঞ, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, ভাষাবিদ, চিত্রশিল্পী-গল্পকার। তিনি প্রধানত কবি। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। বাঙালি সমাজে তার রচিত সংগীতের জনপ্রিয়তা এত বছর পরেও তুলনাহীনভাবে বাড়ছে। তিনি ২ হাজার গান রচনা করেন। অধিকাংশ গানে সুরারোপ করেন। তার সমগ্র গান ‘গীতবিতান’ গ্রন্থে রয়েছে। কবির লেখা ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। ভারতের জাতীয় সংগীতটিও কবির লেখা। জীবিতকালে তার প্রকাশিত মৌলিক কবিতাগ্রন্থ হচ্ছে ৫২টি, উপন্যাস ১৩, ছোটগল্পের বই ৯৫টি, প্রবন্ধ ও গদ্যগ্রন্থ ৩৬টি, নাটকের বই ৩৮টি। কবির মৃত্যুর পর বিশ্বভারতী থেকে ৩৬ খণ্ডে ‘রবীন্দ্র রচনাবলী’ প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া ১৯ খণ্ডের রয়েছে ‘রবীন্দ্র চিঠিপত্র’। ১৯২৮ থেকে ১৯৩৯ পর্যন্ত কবির আঁকা চিত্রকর্মের সংখ্যা আড়াই হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৭৪টি চিত্রকর্ম শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রভবনে সংরক্ষিত আছে। কবির প্রথম চিত্র প্রদর্শনী দক্ষিণ ফ্রান্সের শিল্পীদের উদ্যোগে ১৯২৬ সালে প্যারিসের পিগাল আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এবার রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান হবে রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত নওগাঁর পতিসরে। এ ছাড়াও জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহ্জাদপুর এবং খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করা হবে। এ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রমেলা, রবীন্দ্রবিষয়ক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিন দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কবির চিত্রশিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা একাডেমিও  আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোটে’র সংবাদ সম্মেলন


চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: মুক্তসংবাদ প্রতিনিধি
বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩, ০৬:২৭
সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোটে’র সংবাদ সম্মেলন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ করার জন্য সরকারের প্রতি সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোট। শ্রক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকাল ৪ টায়, চট্টগ্রাম নগরীর জামালখানস্থ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে একই প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের জন্য কাজ করা উচিত। বর্তমানে জনগণের ক্রয় ক্ষমতা ঊর্ধ্বগতির কারণে জনগণ হাট-বাজারে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সরকার উদাসীন। এব্যাপারে শক্ত হাতে বাজার মনিটরিং করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও বলেন, এখন বাংলাদেশের প্রধান সংকট নির্বাচন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো জাতি গভীর উৎকণ্ঠার মধ্যে আছে। এই সংকট উত্তোরণের জন্য দরকার নির্বাচনকালীন সময়ে সর্বদলীয় সরকার। বাংলাদেশের মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন চায়, তাদের ভোটের ন্যায্য অধিকার চায়। দেশ ও জাতির শান্তি কামনায় সৎ মানুষের সুশাসন চায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ বলেন, গণতন্ত্র, সুশাসন, সামাজিক ন্যায় বিচার এবং সাম্য সংহতি জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠা আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অঙ্গীকার।

এই অঙ্গীকার সামনে রেখেই ৩০ লক্ষ শহীদ ও লক্ষ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছি। আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশবাসীকে একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন এবং তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে স্বীকৃতিও পেয়েছেন।

আমরা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছি। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা জাতির কাছে অঙ্গীকারাবদ্ধ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমানে যে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, তা নিরসনের একমাত্র উপায় হলো সংলাপ, সমঝোতা ও সমম্বয়ই এর পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।

বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সকল নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় কনভেনশন আহ্বান করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

জাতীয় ঐক্যজোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ সনাতন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সুশান্ত চন্দ্র বর্মন (শান্ত)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ধর্ম ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বিএলডিপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোটের কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মুক্তি দলের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম মমতাজুল করিম, বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোটের কো চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টির মহাসচিব ড. সুফি সাগর সামস্, বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোটের কো- চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খানা মহিবউল্লাহ শান্তিপুরী, বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোটের কো-চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার। বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাধারণ সম্পাদক কালিপদ চক্রবর্তী, জাতীয় মুক্তিদলের যুগ্ম মহাসচিব সালেহ আহমদ, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি ও জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৬ টি দলের সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যজোট প্রতিষ্ঠা করা হয়। তারা গনতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার লক্ষ্যে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩শ আসনে নির্বাচন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়