a রাষ্ট্রপতি বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসে বাণী দিয়েছেন
ঢাকা রবিবার, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

রাষ্ট্রপতি বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসে বাণী দিয়েছেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১১:২৭
রাষ্ট্রপতি বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসে বাণী দিয়েছেন

ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ শনিবার ( ১২ জুন) বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে বাণী প্রদান করেছেন: মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেন-
“বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ বছর বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের আহ্বান, শিশুশ্রমের অবসান’ যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। জাতিসংঘ ২০২১ সালকে ‘আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম নিরসন বছর’ হিসেবে ঘোষণা করায় এ বছরের ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

শিশুশ্রম একটি জাতীয় সমস্যা। উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শিশুর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চত করে তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আর সেজন্যই শিশুশ্রম নির্মূল করে বাধ্যতামূলক শিক্ষাপ্রদানের মাধ্যমে শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ এ বছর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছে। তাই শিশুদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণ করার এখনই সময়। সরকার এসডিজি-বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম-নিরসন এবং ২০২৫ সালের মধ্যে দেশকে সকল ধরনের শিশুশ্রম হতে মুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সরকার শিশুশ্রম-নিরসনে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অঙ্গীকারবদ্ধ।
 
বাংলাদেশ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমবিষয়ক আইএলও-কনভেনশন অনুসমর্থনকারী দেশ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিবিষয়ক এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য শিশুশ্রম-নিরসনকে অন্যতম সূচক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি United Nations Periodical Review (UPR), European Union এর সাথে প্রণীত National Action Plan on Labour Sector of Bangladesh এ এজেণ্ডাভুক্ত আছে। শিশুশ্রম নিরসনে ২০১০ সালে ‘জাতীয় শিশুশ্রম-নিরসন নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালা-বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শিশুশ্রম-নির্মূলে জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলাপর্যায়ে কমিটিগঠনের মাধ্যমে চারস্তরবিশিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া এ বছর ৬টিসহ এ পর্যন্ত মোট ৮টি শিল্পখাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করা হয়েছে। আমি আশা করি, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সকল প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরকে শিশুশ্রমমুক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে শিশুশ্রমের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর পেল ২২ হাজার পরিবার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৯ আগষ্ট, ২০২৩, ১২:১৩
প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর পেল ২২ হাজার পরিবার

ফাইল ছবি

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় আরও ২২ হাজার ১০১ পরিবারকে আধাপাকা ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে এক লাখ ১৫ হাজার মানুষের মুখে হাসি ফুটল। এ ছাড়া আজ পাবনাসহ দেশের ১২ জেলা ও ১২৩ উপজেলাকে ভূমিহীনমুক্তের ঘোষণা দেন তিনি।

বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব ঘর হস্তান্তর করেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার বারাসত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্লাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাগ্রহীতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন।

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে একটি অনন্য প্রকল্প, কারণ পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত বিপুলসংখ্যক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাড়ি বিতরণ করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে খুলনার তেরখাদার বারাসাত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্যাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর হস্তান্তর করবেন। এর মধ্য দিয়ে ১২৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হবে। আগের ২১১টিসহ মোট ৩৪৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হবে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আফগানিস্তান থেকে এবার ন্যাটোর সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১১:২৮
আফগানিস্তান থেকে এবার ন্যাটোর সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা

ফাইল ছবি

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর নাগাদ আফগানিস্তান থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। এর ফলে দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকার এই ঘোষণার পর পরই এবার ন্যাটোও একই পথ অনুসরণ করছে।

ন্যাটোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার সঙ্গে সংগতি রেখে তারাও আফগানিস্তান থেকে দ্রুত সেনা প্রত্যাহার শুরু করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে জোটের মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ জানান, ন্যাটো তাদের ৭ হাজার সেনার সবাইকে প্রত্যাহার করে নিবে।

তিনি আরও জানান, ১ মে থেকে ‘রেসুলুট সাপোর্ট’ সেনাদের প্রত্যাহার শুরু হবে এবং কয়েক মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমেরিকানদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বলেন, ১১ সেপ্টেম্বর নাগাদ আফগানিস্তান থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও পেন্টাগন আক্রমণের দুই দশক পরও সৈন্যদের সেখানে থাকার কোনও যৌক্তিকতা নেই।

হোয়াইট হাউস ভাষণের যে উদ্ধৃতি প্রকাশ করেছে সেখানে বাইডেন বলছেন, “আমরা আফগানিস্তানে গিয়েছিলাম কারণ ২০ বছর আগে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেটা কোনও যুক্তি হতে পারে না যে এই ২০২১ সালেও সেখানে কেন থাকব।”

বাইডেন বলেন, “আমাদের মিত্র এবং সহযোগী, সামরিক নেতা, গোয়েন্দা কর্মকর্তা, কংগ্রেস ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কামলা হ্যারিসের সঙ্গে নিবিড় শলাপরামর্শের পরে এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, এখনই সময় আমেরিকার এই দীর্ঘতম যুদ্ধের অবসান ঘটানোর।”

সঙ্গে জানান, যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আফগানিস্তানে কাজ করে যাবে এবং কাবুল সরকারকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়