a
ছবি সংগ্রহীত
নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির (৩৩) ওপর হামলা ও অন্যান্য ঘটনায় দুষ্কৃতকারীদের তদন্ত করে খুঁজে বের করে শাস্তির দাবিতে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বানচাল করার জন্য নীলনকশা অনুযায়ী কাজ করছে একটি গোষ্ঠী। তারই অংশ হিসেবে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছে। সে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
এই ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুষ্কৃতকারীদের ধরতে সরকারকে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
হাদিকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে দেখতে গিয়েছেন ঢাকা ৮ আসনে বিএনপির প্রার্র্থী মির্জা আব্বাস।
রিজভী বলেন, এর আগে চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহকে গুলি করে আহত করা হয়েছে। এসব দুষ্কৃতকারী কারা, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবিতে ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল করবে বিএনপি।
সংগৃহীত ছবি
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ১১ আগস্ট থেকে বিধিনিষেধ শিথিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
রোববার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, শপিংমল, মার্কেট, দোকানপাট খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। সড়কপথে মোট যানবাহনের অর্ধেক চলাচল করবে। হোটেল-রেস্তোরাঁ অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে।
দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ১০ আগস্টের পর সবকিছু ধাপে ধাপে খুলবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিধি-নিষেধ আগামী ১০ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। ১১ তারিখ থেকে যেটি চিন্তাভাবনা চলছে সেটি হলো- ধাপে ধাপে পর্যায়ক্রমে শিথিল করা।
আমাদের করোনা শনাক্তের হার একটু কমছে, কিন্তু মৃত্যুর হার ২০০ এর ওপরে আছে। তাই এসব বিষয়ে অবশ্যই আমাদের নজর রাখতে হবে।
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাস মহামারীর সময় গত ১ বছরে দেশে কোটিপতি আমানতকারীর ব্যাংক হিসাব বেড়েছে সাড়ে ১১ হাজারেরও অধিক, যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও বেশি। গত মার্চ শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ২৭২, যার মধ্যে ৭২ হাজার ৭৮০ জন বা ৭৭ শতাংশই বেড়েছে গত ১২ বছরে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে গত বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক কোটিপতি আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫ জন। চলতি বছরের মার্চ শেষে তা বেড়ে হয়েছে ৯৪ হাজার ২৭২ জন। ফলে করোনার গত ১ বছরে দেশে নতুন কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ১১ হাজার ৬৪৭ জন। এর মধ্যে চলতি মাসের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) বেড়েছে ৩৮২ জন।
আর স্বাভাবিক সময়ে ২০১৯ সালের মার্চ থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছিল মাত্র ছয় হাজার ৩৪৯ জন। আর ২০২০ সালের পুরো সময়ে বেড়েছিল এক হাজার ৫১ জন। এর মানে করোনাকালেই কোটিপতি আমানতকারীর হিসাবের প্রবৃদ্ধি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
অন্যদিকে ২০০৯ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ২১ হাজার ৪৯২ জন। এ হিসাবে গত ১২ বছরে দেশে নতুন কোটিপতি বেড়েছে ৭২ হাজার ৭৮০ জন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, গত মার্চ শেষে দেশে মোট আমানত হিসাব দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৭টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন