a বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়লো
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়লো


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৩১
বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়লো

ফাইল ছবি। বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর জন্য মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পাওয়া সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর সাজা স্থগিতের মেয়াদ ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হবে। ইতোমধ্যে তার স্থায়ী মুক্তির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়।

এ প্রসঙ্গে শনিবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, তার (খালেদা জিয়া) সাজা আরও ছয় মাসের জন্য স্থগিত করার পক্ষে আইন মন্ত্রণালয় থেকে মত দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য আমাদের মতসহ প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে যে আবেদন করা হয় সেটিতে স্থায়ীভাবে তার মুক্তি চাওয়া হয়েছিল।

কিন্তু আইন মন্ত্রণালয় সেটি বিবেচনা করেনি। বিদেশে যেতে পারবেন না এবং বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে- পূর্বের দেয়া এ দুটি শর্ত বহাল রাখা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। কয়েক দিনের মধ্যে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তিনি ফিরলে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে তার ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় রয়েছেন। তিনি আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন।

এর মধ্যে ১১ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন তিনি। শারীরিক দুর্বলতার কারণে ২৭ এপ্রিল তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৫৩ দিন চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরেন তিনি। ইতোমধ্যে করোনার দুই ডোজ টিকাও নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিএনপি চেয়ারপারসন-এর বাসার সকলে করোনামুক্ত


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শনিবার, ০১ মে, ২০২১, ০৯:৩০
বিএনপি চেয়ারপারসন-এর বাসার সকলে করোনামুক্ত

খালেদা জিয়া । ফাইল ছবি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসায় নিয়োজিত সকলে করোনামুক্ত হয়েছেন। আজ পহেলা মে ২০২১ শনিবার বিকালে চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড.মামুন বলেছিলেন যে বাসার নয়জন লোক সবাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

ওই সময় তিনি আরও বলেছিলেন বাসার গৃহকর্মী ফাতেমাসহ আটজন করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারনে খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দিক চিন্তা করে প্রথমদিকে তারা করোনা আক্রান্তের বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন’

গত ১৪ এপ্রিল রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে সিটি স্ক্যান করার জন্য নেয়া হয়। তারপর তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা গণমাধ্যমকে বলেন, সিটি স্ক্যান করার পর জানা যায় খালেদা জিয়ার ফুসফুসে খুবই সামান্য সংক্রমণ হয়েছে।

এরপর ১৬ এপ্রিল  বুধবার বেগম জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা.এ জেড এম জাহিদ বলেন, সেখানে তিনি নন-কভিড ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সার্বক্ষনিক দেখভালের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ডা. মিলন দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ১১:১৩
ডা. মিলন দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ফাইল ছবি

আজ ২৭ নভেম্বর ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণীতে বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।

আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরো অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ ডা. মিলনসহ সকল বীর শহিদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে পুরোভাগে থাকা শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন পুলিশের গুলিতে শাহাদত বরণ করেন উল্লেখ করে তিনি শহিদ ডা. মিলনসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটে। ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকেও বেগবান করতে হবে। নতুন প্রজন্ম ডা. মিলনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে।

রাষ্ট্রপতি শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করে। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।

প্রধানমন্ত্রী ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শহীদ পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

ডা. মিলন ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক। ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে তিনি শহীদ হন। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়