a
ফাইল ছবি
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, কয়েক দিন আগে একজন প্রতিমন্ত্রীকে বলতে শুনলাম, "আমি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দিয়ে দেব। সংসদে তুলব।" সাঈদ খোকন বলেন, ইসলাম থেকে নিজেকে ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কি না।
গত শনিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের দশম বর্ধিত কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশন ও নবম কেন্দ্রীয় জেনারেল কমিটির পঞ্চম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সাঈদ খোকন আরও বলেন, তিনি কিন্তু মুসলমান। নামও মুসলমান।
ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের আহ্বায়ক ও সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ এ কে এম রহমতুল্লাহ। প্রফেসর ড. দেওয়ান আবদুর রহীম ও সাবেক সচিব এম এ সবুরসহ জমিয়তে কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাঈদ খোকন বলেন, আপনি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দিয়ে দেবেন? আপনি কি দলীয় ফোরামে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন সংসদ সদস্য। স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছেন? কোনো ফোরামেই করেননি। কিন্তু বলে দিলেন- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না, এটা বাদ। সরকারের অনুমতি নেননি, দলের অনুমতি নেননি, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নেননি। একটা কথা বলে দিলেন। এ দায়িত্ব কি দল নেবে? এ দায়িত্ব কি সরকার নেবে?
সাঈদ খোকন বলেন, এটা কি মুসলমানের কাজ হলো? কোনো মুসলমান এটা করতে পারে? রাষ্ট্র তো দূরের কথা। রাষ্ট্র তো অনেক বড় ব্যাপার। ১৭ কোটি মুসলমানের দেশ। ৯৫ শতাংশ মুসলমান। রাষ্ট্র তো অনেক দূরের ব্যাপার। সাহস থাকলে বলেন না-আমি ইসলাম থেকে নিজেকে খারিজ করে দিলাম। কলিজার পাটা যদি থাকে তাহলে ‘আমি ইসলাম মানি না’ বলে খারিজ হয়ে যান। আপনাকে কে আটকাবে?
তিনি বলেন, নিজেকে মুসলমান দাবি করেন আবার ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবেন। মানুষ চিৎকার করলে বলবেন মানুষ চেঁচামেচি করে। এটা কী রকম কথা?
আমি বলি এরা নামে মুসলমান। অনেকেই আছেন নামে মুসলমান। আসলে এরা ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে। আরে তোমার ইসলাম ভালো না লাগলে ছেড়ে চলে যাও। কেউ তোমারে রাইখা দেবো না বাইন্দা। এ দেশে কোটি কোটি মুসলমান আছে। তুমি দুই চার জন (ইসলাম থেকে) চলে গেলে কী আসবে আর যাবে? কিন্তু দাবি করবা মুসলমান আর ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবা এইটা আমরা মানব না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে আরোপ করা বিধি-নিষেধ শিথিলের পর দুই বছর পর ফের পবিত্র নগরী মক্কা হাজিদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। শুক্রবার সাদা পোশাক পরে, রোদ থেকে বাঁচতে হাতে ছাতা নিয়ে কয়েক হাজার মানুষ কাবা প্রদক্ষিণ করেন। এর মাধ্যমে হজের প্রথম আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছেন তারা।
করোনার কারণে আরোপ করা বিধি-নিষেধের কারণে গত ২ বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ মানুষ হজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তাও শুধুমাত্র সৌদি আরবের জনগণ এ সুযোগ পেয়েছিলেন। এবার প্রায় প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিম পবিত্র হজ পালন করছেন।
২ বছর করোনার কারণে কোনো বিদেশি নাগরিককে হজ পালন করার সুযোগ পাননি। কিন্তু এবারই বিদেশিদের পবিত্র নগরী দেখার সুযোগ ও হজ করার সুযোগ দিয়েছে সৌদি সরকার।
তবে সৌদি আরব জানিয়েছে এবার শুধুমাত্র ১০ লাখ মানুষ হজ পালন করতে পারবেন। সাধারণ সময়ের তুলনায় যা অর্ধেকেরও কম। সূত্র: আল আরাবিয়া
ফাইল ছবি। ইমরান খান
যুক্তরাষ্ট্র আজ না হোক কাল তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তানের নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
শনিবার (২ অক্টোবর) টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। খবর আল-জাজিরা ও খালিজ টাইমস।
ইমরান খান বলেন, গত ১৫ আগস্ট তালেবানরা কাবুল দখল করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো শক এবং বিভ্রান্তি অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে মার্কিন জনগণ একটি বলির ছাগল খুঁজছে এবং অন্যায়ভাবে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে টার্গেট করছে।
তিনি বলেন, পাকিস্তান একতরফাভাবে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দিলে সেটা কোনো কাজে আসবে না। তাই যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীন ও রাশিয়ার উচিত তালেবানকে স্বীকৃতি দেওয়া।
বিষয়টি নিয়ে ইসলামাবাদ তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আলোচনার পরই বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগান সরকারকে সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি এগিয়ে না আসে তাহলে দেশটিতে মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে বলেও তিনি জানান।