a ইসলাম ত্যাগ করে ২দিন মন্ত্রীত্ব করতে পারবেন?
ঢাকা শনিবার, ২৭ পৌষ ১৪৩২, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইসলাম ত্যাগ করে ২দিন মন্ত্রীত্ব করতে পারবেন?


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৩৩
ইসলাম ত্যাগ করে ২দিন মন্ত্রীত্ব করতে পারবেন?

ফাইল ছবি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, কয়েক দিন আগে একজন প্রতিমন্ত্রীকে বলতে শুনলাম, "আমি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দিয়ে দেব। সংসদে তুলব।" সাঈদ খোকন বলেন, ইসলাম থেকে নিজেকে ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কি না।

গত শনিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের দশম বর্ধিত কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশন ও নবম কেন্দ্রীয় জেনারেল কমিটির পঞ্চম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সাঈদ খোকন আরও বলেন, তিনি কিন্তু মুসলমান। নামও মুসলমান।
 
ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের আহ্‌বায়ক ও সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ এ কে এম রহমতুল্লাহ। প্রফেসর ড. দেওয়ান আবদুর রহীম ও সাবেক সচিব এম এ সবুরসহ জমিয়তে কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, আপনি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দিয়ে দেবেন? আপনি কি দলীয় ফোরামে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন সংসদ সদস্য। স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছেন? কোনো ফোরামেই করেননি। কিন্তু বলে দিলেন- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না, এটা বাদ। সরকারের অনুমতি নেননি, দলের অনুমতি নেননি, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নেননি। একটা কথা বলে দিলেন। এ দায়িত্ব কি দল নেবে? এ দায়িত্ব কি সরকার নেবে?

সাঈদ খোকন বলেন, এটা কি মুসলমানের কাজ হলো? কোনো মুসলমান এটা করতে পারে? রাষ্ট্র তো দূরের কথা। রাষ্ট্র তো অনেক বড় ব্যাপার। ১৭ কোটি মুসলমানের দেশ। ৯৫ শতাংশ মুসলমান। রাষ্ট্র তো অনেক দূরের ব্যাপার। সাহস থাকলে বলেন না-আমি ইসলাম থেকে নিজেকে খারিজ করে দিলাম। কলিজার পাটা যদি থাকে তাহলে ‘আমি ইসলাম মানি না’ বলে খারিজ হয়ে যান। আপনাকে কে আটকাবে?

তিনি বলেন, নিজেকে মুসলমান দাবি করেন আবার ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবেন। মানুষ চিৎকার করলে বলবেন মানুষ চেঁচামেচি করে। এটা কী রকম কথা?

আমি বলি এরা নামে মুসলমান। অনেকেই আছেন নামে মুসলমান। আসলে এরা ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে। আরে তোমার ইসলাম ভালো না লাগলে ছেড়ে চলে যাও। কেউ তোমারে রাইখা দেবো না বাইন্দা। এ দেশে কোটি কোটি মুসলমান আছে। তুমি দুই চার জন (ইসলাম থেকে) চলে গেলে কী আসবে আর যাবে? কিন্তু দাবি করবা মুসলমান আর ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবা এইটা আমরা মানব না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ আরাফার ময়দানে হজের খুতবা শুরু (ভিডিও)


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ০৬:১৪
আজ আরাফার ময়দানে হজের খুতবা শুরু (ভিডিও)

ফাইল ছবি

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্মেলন পবিত্র হজের মূলপর্ব শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরে আরাফাতের ময়দান সংলগ্ন মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা শুরু হয়। 

এ বছর হজে খুতবা দিচ্ছেন  সৌদি আরবের বিশিষ্ট আলেম, মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ ড. বান্দার বিন আবদুল আজিজ বালিলা। তিনি সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ এবং গবেষণা-মুফতি বোর্ডের সদস্য। 

খুতবার শুরুতে তিনি আল্লাহতায়ালার প্রশংসা, রাসুলুল্লাহর (সা.) ওপর দরুদ পাঠ করেন। উপস্থিত হাজীদের সুস্থতা কামনা করেন। তাদের জন্য দোয়া করেন।

খুতবায় রাসূলের (সা.) একটি হাদিস পড়েন, যার মূলকথা হলো- কোনো মুসলমানের যদি সক্ষমতা অর্জন হয়, তাহলে জীবনে একবার হলেও তাকে অবশ্যই হজ করতে হবে।  

শায়খ শায়খ ড. বান্দার বালিলা বলেন, তাওহিদ ও খতমে নবুওয়তের সাক্ষী ইসলামের মৌলিক রোকন। এছাড়াও নামাজ ও জাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। জাকাতের মাধ্যমে গরিব অসহায়দের ব্যাপক কল্যাণ সাধিত হয়।

চলতি বছরও পবিত্র হজের আরবি খুতবা অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা ভাষায়ও অনুবাদ করা হচ্ছে। 

বাংলাসহ অন্য যে ভাষায় সম্প্রচার হবে হজের খুতবা তা হলো- ইংরেজি, ফ্রেন্স, তুর্কি, মালাইউ, চায়নিজ, উর্দু, ফার্সি, রাশিয়ান ও হাউসা।

হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতি বছর আরবি জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাত ময়দানে হজের খুতবা অনুষ্ঠিত হয়। এই আরাফাতের ময়দানেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে এবারও ‘সীমিত আকারে’ হজ্ব পালনের ব্যবস্থা করেছে সৌদি আরব।

ভিডিং লিংকঃ youtube.com/embed/r3MkrHUjrkE

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাকা থেকে প্রায় এক কোটি মানুষ ছেড়ে যাচ্ছে


খোরশেদ আলম:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০১ মে, ২০২২, ০১:১৮
ঢাকা থেকে প্রায় এক কোটি মানুষ ছেড়ে যাচ্ছে

ফাইল ছবি

ঈদ করতে স্রোতের মতো রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। দুই বছরের করোনাকাল শেষে এবারের ঈদুল ফিতরে ১ কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে ১ কোটির বেশি মানুষ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করবে। এ ছাড়া এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আরও প্রায় ৫ কোটি মানুষ যাতায়াত করবে। বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য বলছে, ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ ঈদের সময় বাড়ি গিয়েছিল।

ঈদে লম্বা ছুটি থাকায় গড়ে প্রতিদিন ১৬ লাখ মানুষ রাজধানী ছাড়ছে। মানুষ ঈদ উদযাপনে সড়ক, রেল ও নৌ পথের মতো আকাশ পথেও যাচ্ছে। পথের ভোগান্তি কমাতে আকাশপথে ভরসা রাখছেন সামর্থ্যবানেরা। এয়ারলাইনসগুলো বলছে, এবার ঈদ সামনে রেখে আকাশপথে রাজধানী ছাড়ছেন ৪০ হাজারের মতো মানুষ। মূলত ২৮ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত এ চার দিনকে ধরা হচ্ছে ঈদযাত্রা। শুধু এ চার দিনেই আকাশপথে ঢাকা ছাড়ছেন ২৫ থেকে ৩০ হাজার।

ঈদযাত্রা কেন্দ্র করে প্রথম দফায় গার্মেন্টস ছুটি হলেও ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। উত্তরবঙ্গের গেটওয়ে টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। তবে কোথাও যানজট দেখা যায়নি। ঈদে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছে। মানুষের ভোগান্তি কমাতে ঈদের আগে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের জন্য লেন বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মোটরসাইকেলের জন্য করা হয়েছে দুটি লেন। এর পরও সেতুর পুর্ব প্রান্তের গোলচত্বর থেকে টোল প্লাজা পর্যন্ত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। ঈদ ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে। ৩০ এপ্রিল ভোর থেকে এ দুই ঘাটে বাড়িফেরা মানুষ আসতে শুরু করেন; বেলা বাড়লে লোকজনের ভিড়ও বাড়তে থাকে। যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেশি পড়ায় অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ছুটছে লঞ্চ ও স্পিডবোটগুলো। আর ফেরিতে চাপ থাকায় ঘাট এলাকায় বড় হয়েছে গাড়ির লাইন।

সদরঘাটে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যাত্রীর চাপ না থাকলেও শেষ বিকালে ঘাটে ভিড় করেন যাত্রীরা। সদরঘাটে পৌঁছাতে বিকাল থেকে যানজটে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এদিকে বৈরী আবহাওয়া ও কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে শিমুলিয়া ঘাট থেকে বাংলাবাজার ও মাঝিরকান্দি নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

পাটুরিয়ায় যাত্রীর ঢল : মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীর ঢল নেমেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জড়ো হচ্ছেন লোকজন। সবার একটাই আশা- প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করা। ঘাটে একটু দেরি হলেও দূরপাল্লার যাত্রীরা স্বচ্ছন্দেই ফেরিতে উঠে গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু সাধারণ বাসের যাত্রীরা পড়েছেন মহাবিপাকে। এসব বাসের যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘাট থেকে ১ কিলোমিটার দূরে। সেখান থেকে ঘাটে যাওয়ার কোনো যানবাহন নেই। নেই কোনো ধরনের রিকশা-ভ্যান। বাধ্য হয়েই লোকজন হেঁটে লঞ্চ ও ফেরিঘাটে যাচ্ছেন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে মানুষের ভিড় : ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ। গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ভিড় করেছেন শত শত মানুষ।

সাভারেও মহাসড়কেও ছিল যানজট : ঢাকা-আরিচা, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কসহ সাভার অংশের সড়কগুলোয় সকালে গাড়ির চাপ তেমন একটা না থাকলেও রাতে যানজটের সৃষ্টি হয়। মহাসড়কগুলোয় সকালে বেশ ফাঁকাই দেখা গেছে। আর দুই দিন পর ঈদ। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ।

থেমে থেমে যানজট : বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। এতে ঘরমুখো যাত্রী ও যানবাহনের চাপের কারণে মহাসড়কে কখনো যানজট, কখনো ধীরগতিতে চলেছে গাড়ি। ফলে বিপাকে রয়েছেন চালক ও যাত্রীরা। গতকাল সকাল থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের মুলিবাড়ী, কড্ডা, কোনাবাড়ী, পাঁচলিয়া ও নলকা মোড় পর্যন্ত ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে যানবাহন চলেছে ধীরগতিতে।

ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে : স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে গ্রামে ছুটছে হাজার হাজার মানুষ। ফলে গাড়ির চাপ ও ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে সড়ক-মহাসড়কে। ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সকাল থেকেই ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বৃদ্ধি পায়। চন্দ্রায় যানবাহনের তুলনায় ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে। ঘরমুখো মানুষের তুলনায় যাত্রীবাহী বাসের স্বল্পতা ও ভাড়া বেশি নেওয়ার কারণে অনেককেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক ও পিকআপে চড়ে যেতে দেখা গেছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এবারের ঈদে ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরছে। তবে গাজীপুরের বিভিন্ন বাসস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের বাসের জন্য অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।

কুমিল্লা অংশে স্বস্তির ঈদযাত্রা : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঘরমুখো মানুষের চলাচলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। তবে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ গাড়ির চাপ বাড়লেও আজ নেই কোনো যানজট। এবারের ঈদে লম্বা ছুটির কারণে রাজধানী ঢাকা ছাড়ছে লাখ লাখ মানুষ। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা এসব মানুষের প্রত্যাশা ভোগান্তিহীন বাড়ি ফেরা।

ঘাটে মোটরসাইকেলের চাপ বেড়েছে : মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে সকাল থেকে শত শত মোটরসাইকেল পার হচ্ছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছরে মোটরসাইকেলের চাপ বেশি লক্ষ্য করা গেছে। এ কারণে বিশৃঙ্খলা এড়াতে একটি ঘাট শুধু মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

টানা ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা : লম্বা ছুটি পেয়ে নাড়ির টানে যান্ত্রিক নগরী ঢাকা ছাড়ছেন কর্মব্যস্ত মানুষ। ফলে যানজটের নগরী এখন অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে। ঢাকার চিরাচরিত সেই যানজট এখন দেখা যাচ্ছে না। যানজট না থাকায় মানুষ সহজেই ঢাকার মহানগরীর মধ্যে যাতায়াত করতে পারছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ধর্ম

সর্বোচ্চ পঠিত - ধর্ম

ধর্ম এর সব খবর