a
ফাইল ছবি
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাড়ানোর লক্ষ্যে জার্মানির কোলন শহরের মসজিদের মাইকে আজান দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দাদের অনুরোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কেবল শুক্রবার জুমার নামাজের সময়টাতে মাইকে আজান দেওয়া যাবে এবং তাও ৫ মিনিটের মধ্যে শেষ করতে হবে। খবর প্রকাশ করেছে ডয়চে ভেলে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিখ্যাত এ শহরটির মেয়র হেনরিয়েত্তে রেকে বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মাঝে সম্প্রীতি বাড়ানোর লক্ষ্যে দুই বছর মেয়াদী একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ।
তিনি বলেন, শহরে অনেক মুসলিম বাসিন্দা আছেন এবং তারা আমাদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। বৈষম্য দূর করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বাড়ানোর জন্য জুমার নামাজের আজান মসজিদের মাইকে দেওয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
শহরটিতে মোট ৩৫টি মসজিদ রয়েছে। এখন থেকে সবগুলো মসজিদেই জুমার নামাজের আজান দেওয়া হবে। গতকাল সোমবার (১১ অক্টোবর) এ ঘোষণা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
আগামী বুধবার থেকে গণনা শুরু হবে নতুন হিজরী বর্ষ ১৪৪৩ হিজরী। সোমবার বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার ৩০ দিন পূর্ণ করে জিলহজ মাস গণনা শেষ হবে।
আগামী বুধবার থেকে শুরু হবে নতুন হিজরী বর্ষের গণনা। সে হিসাবে আগামী ২০ আগস্ট শুক্রবার মোতাবেক ১০ মহররম বাংলাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, সোমবার বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।
পবিত্র মহররম মাসের এই দিনে ইসলাম ধর্মের বিরোধীতাকারীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আল্লাহর হুকুমে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিজ মাতৃভূমি মক্কানগরী থেকে মদীনায় হিজরত করেন। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রাসূল হিজরতের এই দিনটির স্মরণে মুসলিম উম্মাহ হিজরি সন পালন করে থাকেন। এছাড়া ইসলাম ধর্মের সব বিধি বিধানও হিজরি বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী পালিত হয়।
হিজরি বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী ১০ মহররম পবিত্র আশুরাও পালিত হয়। ইসলাম ধর্ম অনুসারী মুসলমানসহ বিশ্বেও বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায় তথা আসমানী কিতাবের অনুসারীদের কাছে আশুরা একটি অতি পবিত্র গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় দিন।
ইসলামের ইতিহাসের বহু উল্লেখযোগ্য নানান ধর্মীয় ঘটনাবলীর কারণে এই দিনটিকে বিশেষভাবে মহিমান্বিত করেছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর মধ্যে সর্বশেষ হিজরী ৬১ সনের এদিনেই সংঘটিত হয় কারবালা প্রান্তরে ঐতিহাসিক কারবালা ট্রাজেডি বা হযরত ইমাম হোসাইনের (রা.) শাহাদাতের মর্মান্তিক ঘটনা। ফলে মুসলিম বিশ্বে কারবালার শোকাবহ ঘটনার কারণে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবেও দিনটি পালন করা হয়।
এছাড়া মদীনায় হিজরতের প্রথম বছর থেকেই হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা আশুরার আগের দিন বা পরের দিন মিলিয়ে এ উপলক্ষে দুইদিন রোজাসহ নফল ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে দিনটি পালন করে আসছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
পুরান ঢাকায় কলতাবাজারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। গত রবিবার (২৭ জুন) পুরান ঢাকার কলতাবাজার এলাকায় রাত সাড়ে ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সূত্রাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এই বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান লকডাউনের কারণে প্রয়োজনীয় বাজার নিয়ে বাসায় ফিরে আসার সময় কবি নজরুল কলেজের পাশে ইউনিস্টন গলিতে প্রবেশ করলে নির্জন রাস্তার সুযোগে আমাকে আক্রমণ করে একটি ছেলে। এ সময় আমার চিৎকারে মহানগর মহিলা কলেজের দিকে দৌড়ে পালায় যুবক। আশপাশে মানুষ থাকলেও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেননি।
এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ(২৯ জুন) বেলা ১২ টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগ যৌথ মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দোষীদের উপযুক্ত বিচার দাবী করেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলে লাঞ্চিত শিক্ষার্থীর বিচারের জন্য প্রক্টরকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সুত্রাপুর থানার এস আই হাফিজ বিষয়টিকে গুরুত্বই দেয় নি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী পরাগ হোসেন বলেন-"বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের যথেষ্ট সাহায্য করা হয়েছে, কিন্তু সুত্রাপুর থানার এস আই হাফিজ অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং বিষয়টিকে একদমইই গুরুত্ব দেননি।এস আই হাফিজ বলেন ধর্ষন তো করা হয় নি! পরাগ আরো বলেন আমরা থানা থেকে তেমন কোন সাহায্য পাই নি।"
এছাড়াও মানববন্ধনে ঘটনাস্থলের থানা থেকে সিসি টিভির ফুটেজ দেরিতে নেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।
এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল আসামিদের গ্রেফতারের অগ্রগতি সম্পর্কে মুঠোফোনে জানান, সন্দেহজনক ৫জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো পরে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে তাদের সামনে হাজির করা হলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তাদের কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি। আজ আমি নিজে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে নিয়ে বিকালে থানায় যাব সেখানে একশত-এর ও বেশি কিশোর গ্যাং অপরাধচক্রে জড়িত ও অন্যান্য আসামিদের তালিকা দেখানো হবে তাদের মধ্যে কেউ আছে কি না তা চিহ্নিত করা হবে। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ ও সংগ্রহ করা হয়েছ্ব। পুলিশ আশাবাদী যেকোনো উপায়ে আসামীদের গ্রেফতার করা হবে। এ ব্যাপারে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সদা তৎপর আছি।