a
ফাইল ছবি
অনলাইনেই জমির ই-নামজারির ফি পরিশোধ করা যাবে এবং একই সঙ্গে অনলাইনে ফি পরিশোধ করলেই দেওয়া হবে কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন ডিসিআর। এই ডিসিআর ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দেওয়া বা বিজি প্রেস থেকে ছাপানো ডিসিআরের মতো ব্যবহার করা যাবে।
গতকাল এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। পরিপত্রে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৩ জুনের ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের ধারাবাহিকতায় নাগরিকদের ই-নামজারি, জমাভাগ ও জমা একত্রীকরণ বাবদ ফি সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে দিতে মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তাই, আবেদনকারী ই-নামজারি আবেদনের সময় আবশ্যিকভাবে প্রথমেই কোর্ট ফি বাবদ ২০ টাকা এবং নোটিস জারি ফি বাবদ ৫০ টাকাসহ মোট ৭০ টাকা অনলাইনে জমা দেবেন। নামজারি অনুমোদনের পর রেকর্ড সংশোধন বা হালনাগাদ ফি বাবদ এক হাজার টাকা এবং প্রতি কপি নামজারি খতিয়ান সরবরাহ বাবদ ১০০ টাকা, অর্থাৎ মোট এক হাজার একশত টাকা আবেদনকারী অনলাইনে জমা দেবেন।
এক হাজার ১০০ টাকা পরিশোধ করে আবেদনকারী কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন ডিসিআর সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ডিসিআর ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রদত্ত বা বিজি প্রেস হতে ছাপানো ডিসিআরের সমপর্যায়ের এবং আইনগতভাবে বৈধ ও সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও ব্যবহার করা যাবে।
ফাইল ছবি
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে মঙ্গলবার সকাল থেকে থেমে থেমে বজ্রসহ বৃষ্টি বয়ে যাচ্ছে।
আগামীকাল বুধবারও আবহাওয়া পরিস্থিতি একই রকম থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে সকাল থেকে বৃষ্টিতে ঢাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছে অফিসগামী সাধারণ মানুষ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া সপ্তাহের মাঝামাঝি বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, ঢাকা,ময়মনসিংহ, বরিশাল,চট্টগ্রাম, সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টিসহ বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এদিকে ফরিদপুর রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, এবং কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব অঞ্চলে তাপ প্রশমিত হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরির্বতিত থাকতে পারে।
আগামী দুইদিনে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের অবশিষ্টাংশে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রসারিত হতে পারে।
তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে রাস্তা খুঁজতেও আমরা গুগলের আশ্রয় নেই। কোনও অচেনা জায়গায় গেলেই গুগল ম্যাপ-ই যেন প্রধান ভরসা। তবে কখনও কখনও এই গুগল ম্যাপস ব্যবহার করে অনেকে বিপাকেও পড়েছেন। যাওয়ার কথা এক কনের বাড়ি, বরযাত্রী গিয়ে হাজির হল অন্য এক বিয়েবাড়িতে। প্রথমটায় ঘুণাক্ষরেও টের পেল না কেউ। একে অপরের মধ্যে উপহার দেওয়া নেওয়ায় হয়ে গেল। শেষে ভুল ধরলেন কনের কাকা। তারপরে তো দু’পক্ষেরই মাথায় হাত। বোঝা গেল, দোষ গুগল ম্যাপের। ম্যাপ দেখে বিয়েবাড়ি খুঁজতে গিয়েই এই হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। বরপক্ষ বিয়েবাড়ি খুঁজতে সাহায্য নিয়েছিল গুগল ম্যাপের। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার পাকিস জেলার ওই গ্রামে একই সঙ্গে দু’টি বিয়েবাড়ি আয়োজিত হয়েছিল। একটিতে ছিল বিয়ে, অন্যটিতে বাগ্দান পর্ব। দু’টিই কনেপক্ষের বাড়ি। যে বরপক্ষের বিয়েবাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল, তারা গুগল ম্যাপের সাহায্যে গন্তব্য খুঁজতে থাকেন। ম্যাপ নির্দিষ্ট করে দেখায় যে বাড়িটিকে, সেটিতে আসলে চলছিল বাগ্দানের আয়োজন। সেখানেই ঢুকে পড়েন তাঁরা। ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের প্লেট আসে, আসে ফুল। উপহার লেনদেন হয়। কিন্তু ভুল ভাঙান কনের কাকা। দেখা যায়, এই বরযাত্রীর দলের আসলে অন্য মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা। শেষে ওই বাড়ির লোকই গ্রামের অপর প্রান্তে ঠিক বাড়িতে পৌঁছে দেন বরযাত্রীর দলকে।
নেট দুনিয়ায় সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে এই ঘটনাটি বিশেষ করে একটি ভিডিও। স্বাভাবিক ভাবে হাসির রোল উঠেছে এই ভিডিয়ো ঘিরে। অনেকেই বলছেন, ভাগ্যিস বিয়ে পিঁড়ি পর্যন্ত ঘটনা গড়ায়নি, তাহলে যা হত, তা সেলুলয়েডের গল্পকেও হার মানাবে।
পরবর্তীতে অবশ্য উলফার বাড়ির লোকজনই ওই বরযাত্রীদের সঠিক বাড়িতে পৌঁছতে সাহায্য করে।