a ইসলামপুরে (জামালপুর) হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নীচে
ঢাকা রবিবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইসলামপুরে (জামালপুর) হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নীচে


ইসলামপুর প্রতিনিধি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:০৪
ইসলামপুরে (জামালপুর) হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নীচে

ফাইল ছবি

জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র, দশআনীসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর রোপা আমন ধান, বীজতলা ও শাক-সবজির ক্ষেত।

এ বছর সময় মতো বন্যা না হওয়ায় কৃষকরা রোপা আমনসহ নানা ফসল করেছেন। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় অসময়ে বন্যায় পানির কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে প্রান্তিক কৃষকরা।
 
চিনাডুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম জানান, ইতোমধ্যে ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে ডুবে গেছে।

সাপধরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বলেন, যমুনা আমার ইউনিয়নকে জালের ন্যায় ঘিরে রেখেছে। ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর বন্যা হবে না এমন ধারণা থেকে কৃষকরা এক টুকরো জমিও খালি রাখেননি। এই অসময়ের বন্যা কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির মুখে ফেলে দিয়েছে।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদি হাসান টিটু জানান, এ পযর্ন্ত পাঁচ হাজার পরিবারের ২৫ হাজারের অধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, আগামী সাত দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে, জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোরেলগঞ্জে শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন


রফিকুল, মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাটঃ
শুক্রবার, ০৬ আগষ্ট, ২০২১, ১১:৪৪
মোরেলগঞ্জে শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সারাদেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামালের ৭২ তম জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৫ আগস্ট সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাইস-চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ফাহিমা ছাবুল, মোরেলগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম। 

এ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. লিয়াকত আলী খান, বীর মুক্তিযোদ্ধ মো. শাহআলম হাওলাদার সহ মোরেলগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ। 

দিবসটি উপলক্ষে উপজেলার কুঠিবাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপন এবং করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে সোনালী ব্যাংকের সি.এস.আর এর অর্থায়নে কোভিড ১৯ ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ২৫ পরিবারের প্রত্যেক পরিবারকে দুই হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান ও শহীদ শেখ কামালের রুহের মাগফিরত কামনায় বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থণা করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আর কোন নির্বাচনে অংশ না-নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত বিএনপির 


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১, ১১:০৬
আর কোন নির্বাচনে অংশ না-নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত বিএনপির 

ফাইল ফটো

স্থানীয় সরকারের পর এবার জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। শুধু লক্ষ্মীপুর নয়, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে আর কোনো নির্বাচনেই অংশ না-নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি'র হাইকমান্ড।

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে-এমন নিশ্চয়তা বা পরিবেশ সৃষ্টি না-হওয়া পর্যন্ত তারা আর ভোটে অংশগ্রহণ করবে না। এ মুহূর্তে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেয়ে দুটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে তারা। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশন সংস্কার এবং নির্বাচনকালীন সরকারের দাবিতে কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলা।

এ লক্ষে সরকারের বাইরে থাকা সব দলকে নিয়ে গড়ে তোলা হবে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য। এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্রুত আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করবে দলটি। বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত শনিবার জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেওয়া না-নেওয়াসহ ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে উপস্থিত বেশিরভাগ নেতাই উপনির্বাচনে না যাওয়ার পক্ষে মতামত জানান।

এক নেতা বলেন, বিএনপি স্থানীয় সরকারের (পৌরসভা) সব নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই নির্বাচন বর্জন করলে সুশীল সমাজ বা বাইরের কোনো শক্তি এ নিয়ে তাদের দোষারোপ করতে পারবে না। কারণ, সারা দেশে নির্বাচনের নামে যে তামাশা হচ্ছে তা প্রমাণিত। 

এখন মানুষই প্রশ্ন তুলছে-কেন আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি। তাই এ সরকার ও ইসির অধীন আর কোনো নির্বাচনে অংশ না-নেওয়াই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান ওই নেতা।

আন্দোলনের ইস্যু কী হবে, তা নিয়েও নেতারা অভিমত ব্যক্ত করেন। একাধিক নেতা বলেন, নির্বাচন কমিশনের আমূল সংস্কার এবং বিদ্যমান নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তনকে সামনে রেখে জনমত তৈরি করতে হবে। কারণ, বিদ্যমান সরকার ব্যবস্থা এবং নির্বাচন কমিশনের সংস্কার না করে নির্বাচনে অংশ নিলে ফলাফল বিগত দিনের মতোই হবে।

তাই এ দুটি বিষয় সামনে রেখেই আমাদের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এক নেতা বলেন, এ নিয়ে আমরা অতীতেও আন্দোলন করেছি; কিন্তু দাবি আদায় না-করেই আমরা সরকারের সঙ্গে সংলাপ করে বিগত নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। ফলাফল যা হওয়ার তাই হয়েছে।

তাই এবার আন্দোলনের আগে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সরকার যদি আলোচনায় বসে, তাহলে আমরা কোন কোন জায়গায় ছাড় দেব। তা ছাড়া এ দাবি শুধু আমাদের একার নয়, দেশের প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজসহ সবার। সবাই চাচ্ছে, এ দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।

বর্তমান সরকারের অধীন তা সম্ভব নয় বলে সবাই মনে করছে। আমাদের বাইরে থাকা দল ও সুশীল সমাজকে এ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম করতে হবে। প্রয়োজনে এ ইস্যুতে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, সরকার নির্বাচনি ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছে। এ কারণে বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো বর্জন করতে বাধ্য হয়েছে।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যুগান্তরকে বলেন, দেশে নির্বাচনি সিস্টেমটা পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার প্রয়োজন। বর্তমান নির্বাচনি ব্যবস্থা পরিবর্তন না হলে শুধু বিএনপি নয়, জনগণও ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবে না।

তাই এ মুহূর্তে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেয়ে নির্বাচনি ব্যবস্থার পরিবর্তনই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আমরা জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই।

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী দল। আমরা নির্বাচনে যাব না, তা কখনোই বলছি না। যদি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত হয় এবং জনগণ যদি তা বিশ্বাস করে, তবে আমরা অবশ্যই নির্বাচনে যাব। সেটা যদি আজ হয়, তাহলে আজই আমরা নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেব। কারণ, জনগণের প্রতি আমাদের বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী গণমাধ্যমকে বলেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীন আর কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাইকমান্ড। এটা সঠিক সিদ্ধান্ত বলে আমি মনে করি।

কারণ, এদেশে নির্বাচন বলতে কিছু নেই। সরকারি দল নির্বাচনকে টেন্ডারের মতো বানিয়ে ফেলছে। কেউ নৌকার টেন্ডার পেলেই তিনি নির্বাচিত। গত ১০ বছরে স্থানীয় সরকারের প্রায় সব নির্বাচনে অংশ নেয় বিএনপি। সম্প্রতি শেষ হওয়া পৌরসভা নির্বাচনেও অংশ নিয়েছে।

কিন্তু আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ও বাকি পৌর ও উপজেলা নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সর্বশেষ লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনসহ বাকি ভোটও বর্জনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। সংগ্রহীত: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ