a নির্বাহী বোর্ডের সভায় ঘোষণা, ইরানবিরোধী কোনও প্রস্তাব নয়: আমেরিকা
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

নির্বাহী বোর্ডের সভায় ঘোষণা, ইরানবিরোধী কোনও প্রস্তাব নয়: আমেরিকা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:২৫
নির্বাহী বোর্ডের সভায় ঘোষণা, ইরানবিরোধী কোনও প্রস্তাব নয়: আমেরিকা

ফাইল ছবি

ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর নির্বাহী বোর্ডের যে বার্ষিক বৈঠক শুরু হয়েছে তাতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনও প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে না বলে ঘোষণা করেছে আমেরিকা। 

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, “নির্বাহী বোর্ডের চলতি বৈঠকে [ইরানের বিরুদ্ধে] কোনও প্রস্তাব উত্থাপন করার পরিকল্পনা আমাদের নেই।”

সোমবার আইএইএ’র ৩৫ সদস্যদেশের উপস্থিতিতে বার্ষিক এ বৈঠক শুরু হয়েছে এবং তা ১ সপ্তাহ ধরে চলবে। সোমবার বৈঠকের উদ্বোধনী অধিবেশনেই সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন।

রাফায়েল গ্রোসি এমন সময় ইরানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করলেন যখন রবিবার তার তেহরান সফরে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে স্থাপিত আইএইএ’র পর্যবেক্ষণ ক্যামেরাগুলো সার্ভিস করার পাশাপাশি এগুলোর মেমোরি কার্ড প্রতিস্থাপন করতে সম্মত হয় দু’পক্ষ।

ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মাদ ইসলামির সঙ্গে গ্রোসির সাক্ষাতের পর দুই কর্মকর্তা এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ওই সমঝোতার কথা জানান। 

তারা বলেন, দু’পক্ষ এনপিটি চুক্তির সম্পূরক প্রটোকলের আওতায় পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়। গ্রোসি এ সমঝোতার ব্যাপারে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তেহরান ত্যাগ করেছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ইরানে হামলা করতে আমেরিকাকে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূখন্ড ব্যবহার না করার হুঁশিয়ারি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৪, ১০:২০
ইরানে হামলা করতে আমেরিকাকে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূখন্ড ব্যবহার না করার হুঁশিয়ারি

ফাইল ছবি

ইসরায়েলের ওপর ইরানের সম্ভাব্য হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের এলাকায় অবস্থিত মার্কিন কোনও ঘাঁটি ব্যবহার না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এক সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, উপসাগরীয় এলাকার মার্কিন মিত্ররা তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে ইরান কিংবা ইরানের মিত্রদের ওপর হামলা না চালাতে আহ্বান জানিয়েছে।

উত্তেজনা তীব্র হতে থাকায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও কুয়েত তেল-সমৃদ্ধ উপদ্বীপজুড়ে মোতায়েন হাজার হাজার মার্কিন সৈন্যের উপস্থিতির অনুমোদন-সংশ্লিষ্ট চুক্তিগুলো নিয়েও বর্তমানে প্রশ্ন তুলছে। ইরানের ওপর প্রতিশোধমূলক মার্কিন হামলার ক্ষেত্রে এসব উপসাগরীয় দেশ তাদের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন বিমান উড্ডয়ন প্রতিরোধ করার পদক্ষেপও নেয়া হচ্ছে।

উপসাগরে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র দশকের পর দশক ধরে বিনিয়োগ করছে। এসব ঘাঁটি ইরানের খুব কাছে হওয়ায় এগুলো থেকে সবচেয়ে সহজে ইরানে হামলা চালাতে পারবে আমেরিকা।

কিন্তু এ ব্যাপারে উপসাগরীয় দেশগুলোর অনীহা বাইডেন প্রশাসনের প্রস্তুতি জটিল করে তুলছে। বর্তমান এবং সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা মনে করেন যে ইসরায়েলের ওপর ইরান অতি দ্রুত সময়ে হামলা চালাতে পারে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা মিডল ইস্ট মনিটরকে বলেন, দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরানের প্রত্যাঘাত আসন্ন। ইরান তার ভূখণ্ড থেকে সরাসরি ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে। দ্বিতীয় বিকল্প হল- তারা তাদের প্রক্সিদের দিয়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালাতে পারে। এক্ষেত্রে ইরাকের শিয়া মিলিশিয়া, ইয়েমেনের হুথি এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

তৃতীয় বিকল্প হতে পারে দুটির সমন্বয়ে হামলা। হুথিরা ইসরায়েলের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভাঙতে হিমশিম খাচ্ছে। কিন্তু বাইডেন প্রশাসন আশঙ্কা করছে, বহুমুখী হামলা হলে এসব প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলা চালাতে পারে, কিংবা পশ্চিম তীর বা গাজায় ইসরায়েলি সৈন্যদের ওপর হামলা চালাতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আশ্বাস দিয়েছেন ইসরায়েলি নিরাপত্তার প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতি ‘লৌহবর্মভূষিত’। তবে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরায়েলকে কোন ধরনের সমর্থন দেওয়া হবে তা নিয়ে বাইডেন প্রশাসন দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪০ হাজার সৈন্য রয়েছে। এদের বেশির ভাগ রয়েছে তেল-সমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোতে। বিভিন্ন কৌশলগত বিমান এবং নৌঘাঁটিতে রয়েছে তারা। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেজে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭৬তম এয়ার এক্সপেডিশনারি উইং রয়েছে। এখান থেকে এফ-১৬ এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কাজ করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমানঘাঁটিতে রয়েছে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং যুদ্ধবিমান।

কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে রয়েছে ৩৮৬তম এয়ার এক্সপিটিশনারি উইং। কাতারের এআই উদিদ এয়ারবেজে রয়েছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের আঞ্চলিক সদরদফতর। এখানে কয়েকজন ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাও রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখনও সেখানে আছেন কিনা তা নিশ্চিত হতে পারেনি। বাহরাইনে আছে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সৈন্য। ইউএস নেভাল ফোর্সেস সেন্ট্রাল কমান্ড এবং ইউএস ফিফথ ফ্লিটের সদরদফরতও সেখানে। ওমানও মার্কিন সামরিক ওভারফ্লাইট এবং পোর্ট কল অনুমোদন করে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

তুরস্কের সেনাও প্রত্যাহার শুরু করেছে আফগানিস্তান থেকে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৬ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৪৮
তুরস্কের সেনাও প্রত্যাহার শুরু করেছে আফগানিস্তান থেকে

সংগৃহীত ছবি

আফগানিস্তান থেকে তুরস্কের সামরিক বাহিনীও তাদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে তুর্কি বিশেষজ্ঞরা কাবুল বিমানবন্দরের পরিচালনায় তালেবানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে থেকে যেতে পারেন। বুধবার (২৫ আগস্ট) এ কথা জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্ধারিত সময়সীমার (৩১ আগস্ট) মধ্যে বিদেশি বাহিনী চলে যাওয়ার পর কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনা করতে তুরস্কের কাছে প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে তালেবান। 

ন্যাটো জোটের অধীনে কাবুলে থাকা তুর্কি সামরিক বাহিনীকেও আগস্টের শেষ তারিখের মধ্যে পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে হবে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অসংখ্য যোগাযোগ এবং বর্তমান পরিস্থিতি ও অবস্থার মূল্যায়ন করার পর, তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর উপাদানগুলো সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন বলেন, সেনা প্রত্যাহারে ৩৬ ঘন্টা সময় লাগবে এবং প্রথম বিমানটি ইতিমধ্যে উড্ডয়ন করেছে।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দর পরিচালনায় তালেবান তুরস্কের কাছ থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছিল। সেই আলোচনা সম্ভবত ইতিবাচক ফলাফলে পৌঁছাবে। সৈন্য প্রত্যাহারের পর, আমরা সেখানে বিমানবন্দর পরিচালনা করতে পারি।

অবশ্য মাসখানেক ধরে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার বলে আসছে যে, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হলেও তারা কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য কিছু সৈন্য রেখে যাবে। এখন তালেবান কর্তৃক কাবুল দখল করার পর তাদেরকে বিমানবন্দরের প্রযুক্তিগত এবং নিরাপত্তা সহায়তা দিতে অনুরোধ করেছে তালেবান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক