a
ফাইল ছবি
টানা দেড় মাস ধরে চলা যুদ্ধে প্রথমবারের মতো ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে আলোচনার বসতে রাজি হয়েছে দখলদার ইসরাইল। সোমবার ইসরায়েলভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল কানের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করে নিতেই ইসরাইল সমঝোতা আলোচনা রাজী হয়।
উল্লেখ করা হয়, হামাস মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে রাজি হলে ইসরাইলের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদেরও ছেড়ে দেয়া হবে। তবে এব্যাপারে হামাস এখনও প্রত্রিক্রিয়া জানায়নি।
ইতিপূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকেও একই ধরণের খবর দেয়া হয়েছিল। জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন কিরবি জানিয়েছেন, গাজায় ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করে যাচ্ছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
আগামীতে বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাজ্য। শনিবার লন্ডনে হোটেল ক্ল্যারিজে সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি জানান, তার দেশ বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়।
সাক্ষাতের পর হোটেল ক্ল্যারিজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এ সাক্ষাতে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ছাড়াও দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
নির্বাচন নিয়ে আলাপের কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন সম্পর্কে কথা বলেন। তারাও চান একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক।’ একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘নির্বাচন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেছেন— আমরাও চাই একটি সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন। আর আমার দল (আওয়ামী লীগ) সবসময় গণতন্ত্রকে সমুন্নত রেখেছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘শেখ হাসিনা বলেছেন— আমরাই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বলিষ্ঠ একটা অবস্থান তৈরি করেছি। আমাদেরও প্রতিশ্রুতি— আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন সবাইকে সঙ্গে নিয়েই করতে হবে। সে ক্ষেত্রে অন্যরা যদি আমাদের সহযোগিতা করে তা হলে ভালো।’
বাংলাদেশের নির্বাচনি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন স্বচ্ছ, সুন্দর করার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার যা যা করার তাই করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির সময় এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোট ছিল, সেই ভুয়া ভোট যাতে না হয়, সে জন্য বায়োমেট্রিক ফটোআইডি, ফটোযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন, কেউ যাতে আগে বাক্সে ব্যালট ঢুকাতে না পারে, সেই জন্য স্বচ্ছ ব্যালটবাক্স চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আর অত্যন্ত স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া যত ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দরকার, স্বচ্ছ-সুন্দর করা হয়েছে।
ব্রিটেনের গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ওয়েস্টমিনস্টারে যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি সেটিতে আমরা বিশ্বাস করি। ওয়েস্টমিনস্টারের মতোই আমিও আমার দেশে প্রধানমন্ত্রীর একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করেছি। ব্রিটিশ এ সিস্টেম অনুসরণ করে বাংলাদেশে প্রতি বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর চালু করেছি।
রাজা তৃতীয় চার্লসের সিংহাসন আরোহণ অনুষ্ঠানে যোগদান করায় ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন জেমস ক্লেভারলি।
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের প্রশংসা করে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অনেক মানুষ এ দেশে থাকেন। এরা অত্যন্ত ভালো কাজ করছে।
দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে জেমস ক্লেভারলি বলেন, বাংলাদেশ ও ব্রিটিশের মধ্যে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। ব্যবসাবাণিজ্য সব দিক থেকে আমাদের সম্পর্ক বাড়ছে। গত কয়েক বছরে সেই সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্কের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রথম জেল থেকে বের হয়ে এই লন্ডনে এসেছিলেন। তখন এ দেশের প্রধানমন্ত্রী তাকে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। আর সেই থেকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ভালো সম্পর্ক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটেনের প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শেখ হাসিনা বলেছেন, রানি সবসময় তার এবং তার ছোট বোনের (শেখ রেহানা) খোঁজখবর রাখতেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন জানান, শুক্রবার ‘কমনওয়েলথ লিডার্স ইভেন্টে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজা তৃতীয় চার্লসকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাজা বাংলাদেশ সফর করবেন বলে জানান।
আবদুল মোমেন জানান, রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনা যে মানবিকতা দেখিয়েছেন, নির্যাতিত লোকদের সাহায্য করেছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি।
ব্রিটিশমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে থাকবে। আগামীতেও তারা এ সমস্যা যাতে তাড়াতাড়ি সমাধান হয়, সেই জন্য যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে আছে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা করে ব্রিফিংয়ে আবদুল মোমেন বলেন, ব্রিটিশ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুটি নিরাপত্তা কাউন্সিলের রেজুলেশন আনে। তারা এই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এই রেজুলেশন তখন পাশও হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলির সঙ্গে তার স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম, যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম।
শনিবার লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে টেনের নতুন রাজা তৃতীয় চার্লস এবং তার স্ত্রী কুইন কনসোর্ট ক্যামিলার রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্র: যুগান্তর
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে এক বিএনপি নেতার তোপের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান এই দুই নেতা। তাদের বাগ্বিতণ্ডার সময় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা দাঁড়িয়ে তা দর্শকের ন্যায় তাকিয়ে থাকেন।
সারজিস আলম ও মতিউর রহমান নামের ওই বিএনপি নেতার বাগ্বিতণ্ডার একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। মতিউর রহমান আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে।
সূত্র মতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে সারজিস আলম আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে উপজেলার অন্যান্য সরকারি দপ্তরের প্রধানদের ডাকেন। পরে তিনি ইউএনওর সম্মেলনকক্ষে তাদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। তবে সেখানে ইউএনও উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠক শেষে বের হওয়ার পরপরই ওই বিএনপি নেতার সঙ্গে সারজিস আলমের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
বাগ্বিতণ্ডার বিষয়ে আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মতিউর রহমান বলেন, তিনি বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের ঈদ শুভেচ্ছার কার্ড দিতে উপজেলা পরিষদের কয়েকটি সরকারি দপ্তরে যান। এ সময় কাউকেই না পেয়ে জানতে পারেন তারা ইউএনও অফিসের সম্মেলনকক্ষে সারজিস আলমের সঙ্গে মিটিং করছেন। পরে বিষয়টি তিনি আটোয়ারী উপজেলার দায়িত্বে থাকা বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে জানালে তিনি সেখানে উপস্থিত না থাকায় কোনো উত্তর দিতে পারেননি। পরে বিষয়টি পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (সার্বিক) জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান করছিলেন।
বিএনপি নেতা মতিউর রহমান বলেন, ‘পরে সারজিস আলমের সঙ্গে অন্য কর্মকর্তারা বেরিয়ে এলে আমি তাদের কাছে জানতে চাই যে তারা অফিস সময়ে এ ধরনের মিটিংয়ে আসতে পারেন কি না। এ সময় সারজিস আলম এগিয়ে এসে আমার সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় এটা কোনো বিধানে নেই বলে তাদের জানিয়ে দিই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সারজিস আলম বলেন, ‘আমাদের আটোয়ারী উপজেলাটা খুবই পিছিয়ে পড়া একটা উপজেলা। এখানে পাঁচটি সরকারি অফিসের প্রধান নেই। আমি মূলত ওই দিক দিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাকে সমস্যার কথা জানতে সেখানে যাই। পরে তাঁদের সঙ্গে ইউএনওর অফিসের একটা কক্ষে বসি। পরে কথা বলে বের হয়ে আসার সময় একজন ব্যক্তি, তাকে আমি চিনিও না। তিনি এভাবে কথা বলতে আসেন। আসলে তারা নিজে কিছু করতে পারবেন না। অন্য কেউ করলে তাদের সহ্য হয় না আরকি। ওই লোকটাও ওই একই ধরনের। এগুলো থাকবেই। এগুলোকে পাত্তা দিলে কাজে মনোযোগ দেওয়া যাবে না।’
ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সারজিস আলম বলছেন, ‘আমি তাদের কাছে জানতে চাই, আমার সুযোগ আছে আটোয়ারীর মানুষের জন্য কিছু করার, তাদের কোন কোন জায়গায় প্রয়োজন, এটা আমি তাদের কাছে জানতে চেয়ে তারা যদি সমস্যাগুলো বলে, আমি যদি আটোয়ারীর জন্য কোনো কিছু বের করে আনতে পারি, এটা ভালো না খারাপ?’এ সময় মতিউর রহমান বলেন, ‘তো তাহলে এটা ডিসি সাহেবের মাধ্যমে হোক, ইউএনও সাহেবের মাধ্যমে হোক।’
জবাবে সারজিস আলম বলছেন, ‘তাদের আমি আহ্বান জানিয়েছি যে আমার সুযোগ আছে।’ এ সময় মতিউর রহমান বলছেন, ‘আমার জিজ্ঞাসাটা হচ্ছে, এটা কি তারা পারেন এ ধরনের মিটিং করতে, আমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে চাই।’ তখন সারজিস আলম বলছেন, ‘আমি যদি কী কী দরকার এটা তাদের কাছে জেনে নিয়ে আসি, এটা হওয়া উচিত কি না। এটা তো কোনো অফিশিয়াল মিটিং নয়।’
একপর্যায়ে মতিউর রহমান বলছেন, ‘বাবা, এটা কিন্তু তোমরা রাজনৈতিক দল এনসিপি হওয়ার আগে ঠিক ছিল। তখন কিন্তু আমরা মেলায় (আলোয়াখোয়া রাশ মেলা) সহযোগিতাও করেছিলাম। যেহেতু রাজনৈতিক দল এখন।’ এ সময় সারজিস আলম বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের মহাসচিব হিসেবে যদি পারেন, একটা দলের পদধারী হয়ে, তিনি এখন এমপিও না, মন্ত্রীও না, উনি পারে কি না? উনি যদি পারেন, আমিও একটা দলের হয়ে পারি।’ এ সময় মতিউর রহমান বলেন, ‘কিন্তু উনি কোনো কনফারেন্স রুমে মিটিং করেন না।’ এ সময় সারজিস আলম বলেন, ‘এটা কোনো অফিশিয়াল মিটিং না।’
মতিউর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি উনাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই তারা কোন বিধানে এসেছেন। একটা রাজনৈতিক দলে মুখ্য সংগঠকের সঙ্গে তারা সরকারি কর্মকর্তারা কোনো মিটিং করতে পারেন কি না। তাঁরা এটা পারেন না। এটা কোন আইনে এসেছেন একজন নাগরিক হিসেবে এটা জানতে চাই।’ তখন সারজিস আলম বলেন, ‘কে বলছে পারে না।’ এ সময় সারজিস আলম মতিউর রহমানকে একাধিকবার বলতে থাকেন, ‘টোন লো করে (গলার স্বর নামিয়ে) কথা বলেন।’ এরপর সারজিস বলেন, ‘আপনি যে আইনে এটা জিজ্ঞাসা করতে পারেন, আমিও একজন নাগরিক হিসেবে আটোয়ারীতে কী কী সমস্যা আমি তাঁদের কাছে জানতে চাইতে পারি।’ সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক