a
ফাইল ছবি
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লহ আল মামুন জানিয়েছেন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে যারা অপরাধ সংঘটিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিজি চৌধুরী আবদুল্লহ আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, সড়কে যানবাহন চলাচলে র্যাব কর্তৃক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, টহল ও তল্লাশী জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোরবানির পশু পরিবহনকারী কোনো যানবাহনে চাঁদাবাজি না হয়।
পশু পরিবহনে ব্যাপারিরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো হাটে নামাতে পারেন। এ বিষয়ে কোনো সমস্য হলে র্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এর জন্য ব্যাপারিদের বলতে চাই, যানবাহনের সামনে গন্তব্যস্থলের নাম ব্যানারের মাধ্যমে উল্লেখ করুন। এতে সবার বুঝতে সুবিধা হবে। মাঝপথে কেউ আটকে হয়রানি করতে চাইলে র্যাব কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
রাজধানীর ৩০০ ফুট পূর্বাচল এলাকায় অবস্থিত কোরবানীর অস্থায়ী পশুর হাটের নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন শেষ সাংবাদিকদের রবিবার (১৮ জুলাই) এসব কথা জানান তিনি।
র্যাব ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন সাংবাদিকদের বলেন, এবছর ঈদুল আজহায় অনলাইনে প্রচুর গরু বিক্রি হচ্ছে। সেখানে যাতে কেউ প্রতারিত না হয় সেজন্য ভার্চুয়াল জগতেও র্যাবের নজরদারি ও পেট্রোলিং অব্যাহত রয়েছে। এরপরও কেউ যদি প্রতারিত হন, তবে র্যাবের সহায়তা গ্রহণ করুন। যাতে করে প্রতারকদের আমরা গ্রেফতার করতে পারি।
কোরবানির পশুর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় প্রসঙ্গে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, একটি মুনাফালোভী চক্র চামড়ার ব্যবসায় ধস নামাতে নানা কার্যক্রম চালায়, তাদের বিরুদ্ধে র্যাবের কঠোর নজরদারি রয়েছে। দেশে কোরবানির চামড়া যাতে টেনারিমুখী হয় সেজন্য র্যাবের নজরদারি ও নিরাপত্তা অব্যাহত রয়েছে৷
র্যাব ডিজি বলেন, ঈদের ছুটিতে যে কোনো ধরনের অপরাধ দমনে র্যাব তৎপর থাকবে৷ যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ন্ত্রণে র্যাব তৎপর থাকবে।
র্যাব ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, রাজধানীসহ সারাদেশে যেকোনো ঘটনায় হটলাইনে র্যাবের কাছে অভিযোগ জানানো যাবে। ঘটনা ও এলাকা ভেদে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নকে সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়া হবে। (হটলাইন নম্বর - ০২৫৫৬৬৯৯৯৯; ০১৭৭৭৭২০০২৯)। এছাড়াও র্যাবের ফেসবুক পেইজ, মিডিয়া সেল রয়েছে। কেউ অভিযোগ জানালে তাৎক্ষণিকভাবে র্যাব ব্যবস্থা নেবে।
র্যাব ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, গত বছর ও এবছর ভিন্ন পরিবেশে বৈশ্বিক মহামারির (করোনা ভাইরাস) মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছি। কোরবানির পশুর হাটে বিগত সময় র্যাবের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থা থাকতো, এবারও একই ব্যবস্থা থাকছে। তবে এর মাত্রা একটু ভিন্ন ধরনের হবে।
র্যাব ডিজি বলে, সাধারণত মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে থাকি, পশুর চামড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়, চামড়া যাতে পাচার না হয় সে বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। এছাড়াও সাধারণ মানুষের গ্রামের বাড়িতে যাতায়াতের বিষয়ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর একটু ভিন্ন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে পশুর হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার থেকে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, মাস্ক পরিধান, নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। ইতিমধ্যে মাঠে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় শুরু হয়েছে। পর্যাপ্ত পশু (গরু-ছাগল) আছে। ক্রেতারাও আসছেন।
র্যাব ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, উৎসবগুলোতে দেখা যায়, কোরবানির পশুর হাটে জালনোটের ছড়াছড়ি হয়। এক শ্রেণির প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষকে ঠকানোর চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে জালনোটের শনাক্তকরণ মেশিন রয়েছে। র্যাবের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় এই বুথ স্থাপন করা হয়েছে। কারও কোনো সন্দেহ হলে আমাদের সহযোগীতা গ্রহণ করুন। নিজে সচেতন হোন এবং প্রতারকদের হাত থেকে সাবধানে থাকুন।
র্যাব ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আরও বলেন, ইতিমধ্যে র্যাব অভিযানে বাড্ডা, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, চট্টগ্রাম, রাজশাহীর নাটোরে প্রচুর পরিমাণ জালনোট উদ্ধার করা হয়েছে। এই সময় সবাই সচেতনতার সঙ্গে টাকা লেনদেন করুন। প্রতারিত হওয় থেকে নিজে সচেতন হোন। জনসমাগমে চুরি, ছিনতাই করতে অপরাধীরা চেষ্টা চালায়। এই কারণে হাটকেন্দ্রিক বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি চোর-ছিনতাইকারীসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন অপরাধীকেও আমরা গ্রেফতার করেছি।
ফাইল ছবি
সিলেটে আবারও বন্যার আশঙ্কা করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। গত মাসেই সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হয়ে যায় এই বিভাগে। ১১ মে থেকে সিলেটে বন্যা দেখা দিলে তলিয়ে যায় ১২টি উপজেলার অধিকাংশ এলাকা।
এই বন্যার রেশ কাটতে না কাটতে আবারও সিলেটে বন্যার আশঙ্কায় হাওরবাসী চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। আগের বন্যায় কৃষি, সড়ক, বাঁধ, ঘরবাড়ি ও মাছের খামারের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি রয়েছে। এখন নতুন করে বন্যার পূর্বাভাস পাওয়া পেয়ে নদী ও হাওর তীরের মানুষ ভীষণ উদ্বিগ্ন।
গত বৃহস্পতিবার থেকে অবিরাহম বৃষ্টি হচ্ছে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানান, বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে। এতে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় বন্যা দেখা দিতে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, সিলেটে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় কানাইঘাটে ৬৭ মিলিমিটার ও সিলেটে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। ভারতের বরাক নদীর পানি অমলসিদ পয়েন্টে বেড়ে কুশিয়ারা ও সুরমায় চাপ সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান বলছেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল তথা সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে চলতি মাসে স্বল্পমেয়াদী বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। ভারি বর্ষণের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর পূর্বাঞ্চল, উত্তর মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের কিছু কিছু জায়গায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল চালুর আগে আরও চারজনকে হল টিউটর এবং সাতজনকে সহকারি হল টিউটর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানের সই করা এক দাপ্তরিক আদেশে বিষয়টি জানানো হয়।
নবনিযুক্ত চারজন হাউজ টিউটর হলেন- গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শরাবান তোহরা, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নিপা দেবনাথ, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাসলিম আক্তার এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুন নাহার।
অন্যদিকে সাতজন সহকারী হাউজ টিউটর হলেন- বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাবিনা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দীপিকা মজুমদার, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মানসুরা বেগম, দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুসরাত জাহান পান্না, ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সায়েমা খানম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোশরাত জাহান এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সামিনা বেগম।
আদেশে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের জন্য এসব শিক্ষকদেরকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে হাউজ টিউটর ও সহকারী হাউজ টিউটর হিসেবে নিযুক্ত থাকবেন। তাদের ভাতা ও অন্য সুবিধাদি পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের বর্তমানে প্রভোস্ট হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. শামীমা বেগম। এছাড়া আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট এর সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. প্রতিভা রাণী কর্মকার হাউজ টিউটর হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র হতে বলা হচ্ছে হলে ছাত্রী উঠার জন্য তালিকা খুব শিঘ্রই প্রকাশ করা হবে। পূর্বে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলে আসছেন, যারা নির্ধারিত শর্তের মধ্যে থাকবেন তাদেরকে সিট প্রদান করা হবে। কোন লিঙ্ক লবিংয়ে সিট দেয়া হবে না।