a ১৫-২০ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করেছে ৮২ লাখ ৬৭ হাজার সিম ব্যবহারকারী
ঢাকা শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

১৫-২০ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করেছে ৮২ লাখ ৬৭ হাজার সিম ব্যবহারকারী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ২১ জুলাই, ২০২১, ১১:৫৩
১৫-২০ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করেছে ৮২ লাখ ৬৭ হাজার সিম ব্যবহারকারী

ফাইল ছবি

ঈদুল আজাহা উপলক্ষে গত ১৫ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ঢাকা ছেড়েছেন ৮২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২টি মোবাইল সিম ব্যবহারকারী। বুধবার রাতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ হাতে এলো ১৫ থেকে ২০ জুলাই ঢাকা ছেড়ে যাওয়া সিমের হিসাব। এই কদিনে ঢাকা ছেড়েছে ৮২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২টি সিম। মনে রাখবেন এটি কিন্তু মানুষের হিসাব নয়। এক জনের ১৫টা পর্যন্ত সিম থাকতে পারে। আবার একটি সিমের সাথেও বহুজন ঢাকা ছেড়ে থাকতে পারেন।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্যানুযায়ী, গ্রামীণফোনের ৩৮ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৪টি, রবির ১৯ লাখ ২৬ হাজার ২৮টি, বাংলালিংকের ২১ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬টি এবং টেলিটকের ৩ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৪টি সিম ঢাকার বাইরে গেছে।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সরিষাবাড়ী যমুনা সার কারখানায় গ্যাস–সংকটে ৪০ দিন যাবত উৎপাদন বন্ধ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২, ০৮:১২
সরিষাবাড়ী যমুনা সার কারখানায় গ্যাস–সংকটে ৪০ দিন যাবত উৎপাদন বন্ধ

ফাইল ছবি : বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ যমুনা সার কারখানায়

গ্যাস-সংকটে ৪০ দিন ধরে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা কোম্পানি লিমিটেডে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানাটিতে গ্যাস সরবরাহ করা না হলে আগামী রবি মৌসুমে সারসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

যমুনা সার কারখানা কোম্পানি লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ওই কারখানায় তিতাস গ্যাসের সংকট চলে আসছিল। হঠাৎ গত ২১ জুন দুপুরে কারখানায় তিতাস গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ইউরিয়া প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত ইউরিয়া প্ল্যান্টটি বন্ধই আছে।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা (বিসিআইসি) যমুনা সার কারখানাকে ৩ লাখ ৩০ হাজার টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয়। গ্যাস-সংকটের জন্য উৎপাদন বন্ধ থাকায় ৩০ জুন পর্যন্ত কারখানায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ২৫৯ টন সার উৎপাদিত হয়েছে। ফলে কারখানায় গত অর্থবছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

এদিকে চলতি জুলাইয়ের শুরু থেকে তিতাস গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে কারখানায় প্রতি মাসে সার উৎপাদনে লোকসান গুনতে হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিসিআইসি ৪ লাখ ৫০ হাজার টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে। বর্তমানে কারখানায় সার মজুত রয়েছে ৭০ হাজার ৬৪ টন।

কারখানার মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) আবদুল হাকিম প্রথম গণমাধ্যমকে বলেন, কারখানায় তিতাস গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় ৪০ দিন ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। শিগগিরই কারখানায় গ্যাসের সরবরাহ দিয়ে উৎপাদন চালু করা না হলে আগামী রবি মৌসুমে সারসংকটের আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনায় অনন্তযাত্রায় পাড়ি জমালেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী- মেসবা খান


নিউজ ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০:১৩
করোনায় অনন্তযাত্রায় পাড়ি জমালেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী- মেসবা খান

সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

করোনার নির্মম ছোবলে অনন্তযাত্রায় পাড়ি জমালেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। বুধবার ৭ এপ্রিল সকাল প্রায় ১০টার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর জন্ম রাজধানী ঢাকা শহরে। তার পরিবারের পাঁচ পুরুষ সঙ্গীতের সঙ্গে জড়িত। সঙ্গীত কলেজে লোকসঙ্গীত বিভাগের প্রধান হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। 
তিনি ছিলেন বাংলাদেশ লোকসংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৫৭ সালে ছোটদের আসরে গান করতে শুরু করেন তিনি।

১৯৬৭ সালে 'চেনা অচেনা' চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধে নাম-পরিচয় গোপন করে পাকিস্তানিদের দোভাষী হিসেবে কাজ করেছেন কিছুদিন।পরবর্তীতে সেখান থেকে চলে এসে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা দিতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন রাজবংশী।

ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, জারি, সারি, মুর্শিদি ইত্যাদি গানের পাশাপাশি রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত তিনি। দেশের সঙ্গীতাঙ্গণে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৮ সালে সঙ্গীত বিভাগে একুশে পদক লাভ করেন খ্যাতিমান এই সঙ্গীতশিল্পী। 

চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশনে অনেক গান গেয়েছেন তিনি। গান গাওয়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকগান সংগ্রহ করতেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। দেশের সহস্রাধিক কবির লেখা কয়েক লাখ গান সংগ্রহ করেছেন তিনি। তার স্ত্রীর নাম দীপ্তি রাজবংশী, পুত্র রবীন রাজবংশীও লোকগানের সঙ্গে জড়িত। দেশবরেণ্য এই কণ্ঠযোদ্ধার প্রতি রইল অন্তিম শ্রদ্ধা। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ