a ওয়ানডে সুপার লীগের শীর্ষে বাংলাদেশ
ঢাকা শুক্রবার, ১০ মাঘ ১৪৩২, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ওয়ানডে সুপার লীগের শীর্ষে বাংলাদেশ


ক্রীড়া ডেস্ক :
বুধবার, ২৬ মে, ২০২১, ০৭:৩৪
ওয়ানডে সুপার লীগের শীর্ষে বাংলাদেশ

সংগৃহিত ছবি

আইসিসি ওয়ানডে সুপার লীগের শীর্ষে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল মিরপুরে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজ জিতার পর এই বিশাল সুসংবাদ পেল ক্রিকেট পাগল বাংলাদেশী ভক্তরা।

ওয়ানডে র‍্যাংকিং এ বাংলাদেশ ভারত ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডকে পিছনে ফেলে এ সাফল্য অর্জন করে, শীর্ষে থাকা বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫০,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান তাদের উভয়ের পয়েন্ট ৪০। বাংলাদেশ সফরে আসা শ্রীলঙ্কার রয়েছে টেবিলের তলানিতে তাদের পয়েন্ট -২। গতকাল সিরিজ জিতার পর আইসিসি নিজেদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে সকল দলের পয়েন্ট তালিকা প্রকাশ করেছে। আগামী ২০২৩ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ওয়ানডে সুপার লীগ চালু করে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইসিসি)। টেবিলের শীর্ষ আট দল সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে বাকি ২টি দলকে অন্য দলে সাথে কোয়ালিফাই করে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন কর‍তে হবে। 

এদিকে বাংলাদেশের এমন সাফল্যে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট ভক্তকুলের চাওয়া টাইগারদের এমন সাফল্যের ধারাবাহিককতা বজায় থাকুক সবসময়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে


ক্রীড়া ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৭ আগষ্ট, ২০২৩, ০৮:২৬
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে

ফাইল ছবি : নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ, ভারত

আগামী ৫ অক্টোবর পর্দা উঠবে এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপের। আর ৪ অক্টোবর হবে বিশ্বকাপের জমজমাট উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) বরাত দিয়ে জানিয়েছে ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দশ অধিনায়ককে নিয়ে থাকবে বিশেষ পর্ব এবং আসরে অংশ নেওয়া দশ দলকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আইসিসির নির্বাহী সদস্যরা।

এছাড়া বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বোর্ডের কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও বিনোদন জগতের তারকারা বিশেষ করে বলিউডের তারকারা নাচে-গানে মাতাবেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ।

গত দুই আসরের ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিশ্বকাপের মাঠের লড়াই। উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে এই নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। আবার ১৯ নভেম্বর বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলাটি। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

২০ দফা দাবি নিয়ে আত্মপ্রকাশ করলো "জনতার বাংলাদেশ পার্টি"


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫, ০৭:৪৬
২০ দফা দাবি নিয়ে আত্মপ্রকাশ করলো জনতার বাংলাদেশ পার্টি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  তারুণ্যের শক্তিতে আইনজীবীদের উদ্যোগে- জনতার বাংলাদেশ পার্টি হোক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে - এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণ বয়ে আনার জন্য ২০ দফা দাবি নিয়ে আত্মপ্রকাশ করলো নতুন রাজনৈতিক দল "জনতার বাংলাদেশ পার্টি"।

দলের সভাপতি - এ্যাডভোকেট সফিকুল ইসলাম সবুজ খানের সভাপতিত্বে আইনজীবীদের উদ্যোগে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ হয় আজ ১৩ই মার্চ ২০২৫, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকার আব্দুস সালাম হলে। দলের সাধারণ সম্পাদকের সঞ্চালনায় এবং সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান এর বলিষ্ঠ ও গঠনমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

নতুন এই দলের সভাপতি এ্যাডভোকেট সফিকুল ইসলাম সবুজ খান তার মূল বক্তব্যে বলেন, আজ জনতার বাংলাদেশ পার্টির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। আজ আনুষ্ঠানিক বীজ রোপণ করা হলো। একদিন ফুলে ফুলে ছেয়ে যাবে পুরো দেশ। তার সৌরভ উপলব্ধি করবে মানুষ। তার মূল উদ্দেশ্য একটি সুস্থ, সুন্দর, মানবিক ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আজন্ম বিপ্লবী ভূমিকায় থাকবে। এই দেশ সকলের, কৃষকের, শ্রমিকের, ছাত্র ও জনতার, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীর সকল মানুষের বাংলাদেশ এই ধারণাটা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই বাংলাদেশ হবে জনতার, কোন ফ্যাসিবাদের নয়। যখনই বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে '৭১ থেকে ২০২৪ এই ছাত্র-জনতা বাংলাদেশকে প্রকৃত বাংলাদেশে '৭১-এর চেতনা ফিরিয়ে দিতে জীবন দিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করেছে।

আগামী প্রজন্ম কোন বাংলাদেশে বাস করবে? ক্ষমতার না জনতার, দিন দিন অনিরাপদ বদ্ধভূমিতে পরিণত হচ্ছে। ক্ষমতার মোহ ত্যাগ করে যতক্ষণ না জনতার কাতারে দাঁড়াবে ততক্ষণ দেশ উন্নত হবে না। সবাই চায় ক্ষমতা। আর জনতার বাংলাদেশ পার্টি চায় জনতা, জনতা ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

আজ পুলিশের গায়ে মানুষ হাত তোলে। পুলিশ জনতার না হয়ে ক্ষমতার হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ হবে রাষ্ট্রের, কোন দলের নয়। পুলিশ হবে জনতার, নেতাদের নয়। পুলিশ আজ বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ? সারা দেশে হাসিনার ছাত্রলীগের পুলিশ ছেয়ে আছে। বর্তমানে পুলিশ দর্শকের ভূমিকায় নিজেদের অবস্থান ও হাসিনার শোকে এখনও কেঁদে চলছে, তাই অপরাধীরা দেশটাকে অস্থির করে তুলছে। পুলিশ হয় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক, অন্যথায় দ্রুত নিরপেক্ষ পুলিশ নিয়োগ দেওয়া হোক। দেশকে তো আর সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেওয়া যায় না। জনতার বাংলাদেশ পার্টি রাজনীতিতে টাকার প্রভাবকে ঘৃণা করে, সততা, আদর্শ ও যোগ্যতাকে সম্মান করে।

রাজনীতি হয়ে উঠেছে অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের দাবার খেলা। এই রাস্তা আমাদের বদলাতে হবে। কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ (Invest) করবে, মনোনয়ন নিবে, তারপর এমপি-এর পর হাজার হাজার কোটি টাকা উপার্জন করবে, এটা আর হতে দেওয়া যায় না। এই লোভের রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ণ থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে। এখনি ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের শপথ নিতে হবে, অন্যথায় দেশ আরও পিছিয়ে যাবে। যে মানুষ আল্লাহকে ভয় পায় না, নবী-রাসুলের নিয়ম-কানুন মানে না সে কখনও আদর্শ নেতা হতে পারে না। তার দ্বারা নিজের লাভ হতে পারে কিন্তু দেশের লাভ হয় নাই। আমরা মানুষকে মূল্যায়ন না করে টাকাকে মূল্যায়ন করি। আর কত বছর গেলে আমরা ব্যক্তিত্ববান হবো? আমাদের চরিত্র ক্যানভাসারের মতো হয়ে গেছে।

আমরা আগামি নির্বাচনে যদি নিবন্ধন লাভ করি তাহলে ২০০ আসনে আইনজীবী প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাকি ১০০ আসন হবে অন্যান্য পেশাজীবীর। দেশের রাজনীতিতে নির্মূল হোক টাকার প্রভাব। সততা আর যোগ্যতা হোক প্রশংসিত। ফিরে আসুক সত্যের উদ্ভাসিত সূর্য ও
তারুণ্যের জয়গান।

জনতার বাংলাদেশ টাকার রাজনীতি নয়, যোগ্যতার রাজনীতি করতে চায়, দেশের সেবা করতে চায়। মিথ্যার বদ্ধভূমিতে দাঁড়িয়ে সত্যের জয়গান করতে চায়।

জনতার বাংলাদেশ পার্টি ২০ দফা নিম্নরূপ :
১। যানজট নিরসন ।
২। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ।
৩। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা ।
৪। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ।
৫। মাদকদ্রব্য নির্মূল করা।
৬। সুশিক্ষা বা নৈতিক শিক্ষার প্রসার ।
৭। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা ।
৮। দুর্নীতি রোধ।
৯। মানবাধিকার সুরক্ষা ও নাগরিক হিসাবে সর্বোচ্চ জীবনযাপন করা।
১০। বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
১১। নিরাপদ বাসযোগ্য ভূমি ।
১২। রাজনীতিতে টাকার প্রভাব ও পেশিশক্তি কমিয়ে মেধাবিদের অগ্রাধিকার ।
১৩। মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা।
১৪ । কৃষিকে উৎসাহিত করা বা কৃষি বিপ্লব ঘটানো ।
১৫। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও সুস্থ মালিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করা।
১৬। ইসলামি ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ধর্মশিক্ষা বাধ্যতামূলক করা।
১৭। জনসংখ্যাকে প্রকৃত মানব সম্পদে রূপান্তরিত করা।
১৮। দেশকে উৎপাদনমুখী করা ।
১৯ । প্রশাসনকে শক্ত করে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়া।
২০। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা।

সভাপতি আরো বলেন, এই অসুস্থ সমাজকে ৭ মাসে বদলে দেওয়া যায়, যেটি যুগ যুগ ধরে নষ্ট হয়ে আছে। এই আইন- আদালত ও আইন-শৃঙ্খলার প্রতি কি মানুষের আস্থা থাকবে? মানুষ কোথায় যাবে?
জনতার বাংলাদেশ পার্টির স্লোগান ও উদ্দেশ্য :
২৬ মে ২০২১ সালে জনতার বাংলাদেশ পার্টির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষ হিসাবে মানুষের সেবা করা, করোনা, বন্যায়, দুর্যোগে, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের পাশে থেকে সেবা ও কথা বলে আসছে। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন করায়, দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলায় পুলিশ অসংখ্যবার আমার উপর আক্রমণ করে। আমাকে ২ বার গ্রেফতার করে ও আমার বিরুদ্ধে ২২টি রাষ্ট্র বিরোধী মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু জনতার বাংলাদেশ সকল বাধাকে অতিক্রম করে অনলাইন, অফলাইনে মিছিলে সরকার বিরোধী প্রোগ্রামে সরব অবস্থানে নিজেকে জানান দিয়ে গেছে। এখন জুলাই-২০২৪ বিপ্লবের পরে ফ্যাসিবাদী সরকার বিদায় নেওয়ায় সকলের জন্য রাজনীতি করার একটি উন্মুক্ত প্লাটফার্ম তৈরি হয়েছে। তাই জনতার বাংলাদেশ পার্টি সেই প্লাটফর্ম থেকে সারা বাংলাদেশকে জানান দিচ্ছে এবং সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান করছে।

বাংলাদেশে আমাদের ইতিহাস মৃত্যুর '৭১-এ জীবন দিতে হয়েছে। বিভিন্ন ধাপে ধাপে জীবন দিতে হয়েছে, আর '২৪ সালেও হাজার হাজার ছাত্র-জনতার জীবন দিতে হয়েছে। বার বার আমরা মরে জেগে উঠি। দেশের প্রয়োজনে রেড়ে উঠি। এভাবে আর কত মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হবে? প্রাণঘাতি শূন্যে নামিয়ে আনা উচিত। জনতার বাংলাদেশ আপনাকে স্পষ্ট বার্তা দিতে এসেছে, বাস্তবতা তুলে ধরবে, সত্য তুলে ধরবে, রাজনীতিতে টাকার প্রভাবকে নির্মূল করার চেষ্টা করবে, যতই কঠিন পরিস্থিতি হোক।

আইনজীবীরা সমাজের দর্পণ। A Natural Leader of Society সকল পেশার মানুষের অনুভূতি অনুধাবন করে আইনজীবীরা, মেধা আর যোগ্যতার বদৌলতে রাজনৈতিক হয়ে উঠছে পেশিশক্তি আর টাকার বাহার, এখন থেকে আর না। রাজনীতি হবে সৎ, একজন স্কুল শিক্ষকের জন্য, খেটে খাওয়া মানুষের জন্য, মেধাবিদের জন্য, সাংবাদিকদের জন্য, আইনজীবীদের জন্য ও আদর্শ ছাত্র নেতাদের জন্য । টাকার ছড়াছড়ি রাজনীতি বন্ধ হোক।

আমরা যদি সুযোগ পাই, বাংলার মাটিতে কোন ভাড়াটিয়া থাকবে না। আমি বাংলাদেশী, আমি সরকারকে ট্যাক্স দেই। আমার দেওয়া ভোটে সরকার হয়। তাহলে আমি ভাড়া থাকব কেন? আমরা যদি ক্ষমতায় যেতে পারি তাহলে প্রত্যেক পরিবারকে ধাপে ধাপে একটি করে ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা করে দিব ইনশাল্লাহ। কেহ গৃহহীন থাকবে না। এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। গুলিস্তান থেকে রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল ফ্লাই ওভার পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণ করা, গুলিস্তান থেকে যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, সাইনবোর্ড, কাঁচপুর পর্যন্ত ফ্লাই ওভার নির্মাণ করা। যদি আপনারা আমাদেরকে সুযোগ দেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ক্রিকেট

ক্রিকেট এর সব খবর