a
ফাইল ছবি
আন্তার্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘মাই ড্রিম, মাই আইডেন্টিটি’ নামক অনলাইন আলোচনা সভার আয়োজন করার মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম উইমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই)। একই সাথে জাপানে উই-এর পদযাত্রা শুরু উপলক্ষ্যে জাপান চ্যাপ্টারেরও শুভ উদ্বোধন করা হয়।
জাপান চ্যাপ্টার উদ্বোধনী আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের পেশাগত কাজের কিছু ঘাটতি রয়েছে। কাজ বা অভিজ্ঞতার ঘাটতিগুলো থাকলে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ সুবিধা পেতে অনেক অসুবিধা হবে। সেজন্য নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষিত করতে পারলে তারা আরও এগিয়ে যেতে পারবে। নারীরা যত এগিয়ে যাবে, দেশ তত এগিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পাঠ্যক্রমকে এমনভাবে সাজাতে চাই যাতে উদ্যোক্তারা প্রশিক্ষিত হতে পারে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শর্ট কোর্স চালুর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষিত করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মেহের আফরোজ চুমকি বলেন যে, আমরা নারী, আমরা পারি দেশের উন্নণে সাহায্য করতে। সুযোগ পেলেই নারীরা দেখিয়ে দেয়। কিন্তু এই সুযোগের জায়গায়টি কিছুটা প্রতিবন্ধকতার তৈরি হয়। তবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে নারীরা সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
উই-এর প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার নিশার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এসবিকে টেক ভেঞ্চার এবং এসবিকে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির, ডিসনি (স্টারস্পোর্টস) এর অ্যাকাউন্ট ডিরেক্টর অনিন্দিতা ঘোষ এবং উই-এর নির্বাহী কমিটির পরিচালক শেখ লিমাসহ আরও অনেকে।
ফাইল ছবি
৪ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো শুক্রবার মধ্য রাতের পর ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামে আবারও সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করা ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠাতে না পারার কথা জানান অনেক ব্যবহারকারীরা। খবর ব্লুমবার্গের
এব কথা স্বীকার করে ফেসবুক সমস্যার জন্য ক্ষমাও চেয়েছে। যদিও বৃহত্তর ক্ষেত্রে শুক্রবার পরিসেবায় কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি।
এর আগে সোমবার রাতে দীর্ঘক্ষণ, কোথাও কোথাও সাত ঘণ্টার কাছাকাছি বন্ধ ছিল ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম পরিসেবা। এক সপ্তাহের চার দিনের মধ্যেই ফের সমস্যায় পড়লেন ব্যবহারকারী।
শুক্রবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে একটি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, আমরা জানি কিছু ব্যবহারকারী আমাদের অ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়েছেন। যত দ্রুত পরিসেবা স্বাভাবিক করা যায়, তা চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। সমস্যার জন্য ক্ষমা চাইছি।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
গণিতের প্রতি যেন গ্রামের ছেলেমেয়েরা ভয় ভীতি না পায়, সেজন্য সহজ বোদগম্যভাবে করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শরীয়তপুরের ছেলে সবুজ। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ যেন গণিতের প্রতি বাড়ে, সেজন্য কুইজ, আইকিউ টেস্ট এবং লজিক পাজলের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা শেখান। রীতিমতো এক অন্যরকম আনন্দদায়ক ক্লাস করান তরুন সবুজ। গনিতকে জনপ্রিয় করতেই ২০২১ সালের ৮ জুলাই প্রতিষ্ঠা করেন ৭ ডিসিসি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুপার ১০ সদস্যের নিয়ে কাশেমপুর কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টে গতকাল ৮ জুলাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
৭ডিসিসি এর প্রতিষ্ঠাতা সবুজ আহমেদ বলেন, আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে ১০ জন সুপার লেভেলের বাচ্চা নিয়ে শুরু করেছিলাম আমার এই সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিম এবং ৭ডিসিসি এডুকেশনাল প্লাটফর্ম।
এই টিমের ১০ জন সদস্যকে তখন কয়েক ধাপে বাছাই করে নেওয়া হয়েছিল। এদের আইকিউ লেভেল এনাফ গুড। সেই শুরু থেকেই এখন অব্দি এদেরকে আমি গাইড করে আসছি।প্রবলেম সলভিং, ছোট খাটো আইকিউ টেস্ট এগুলা প্রায় সময়ই টিমের সদস্যরা প্রাকটিস করে। টিমের ১০ জনের মধ্যে ৫ জন কলেজ স্টুডেন্ট, ৩ জন এস এস সি ক্যান্ডিডেট, ১ জন ক্লাস ১০ এবং ১ জন ক্লাস ৯ এর শিক্ষার্থী।
সুপার ১০ এর বৈশিষ্ট্যঃ
১.এরা সিনিয়র জুনিকয়র সবাই একসাথে একই ধাপের প্রব্লেম সলভ করে।
২.একজনের প্রব্লেম সলভিং ক্যাপাবিলিটি দেখে অন্যজন মোটিভেট হয়।
৩.টিম আকারে প্রব্লেম সলভ করে।
৪.একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে, ছুটিকালীন সময়গুলাতে সবাই গণিত বিজ্ঞান প্রাকটিস করে।
এই যে এত এত কিছু করা হয়, এতে কিন্তু কারো কখনো মন খারাপ হয় না, কারো কখনো ক্লান্তিভাব আসে না, ইভেন কারো একাডেমিক এডুকেশনেও প্রভাব পড়ে না। যার শিক্ষক যত ভালো সে তত বেশি এগিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক।
তরুন শিক্ষার্থী সবুজ বলেন, সুপার ১০ টিম এবং ০৭ডিসিসি এর ১ বছর সেলিব্রেশন করলাম আমরা। সবাই যাতে ফ্রেশ মন নিয়ে পুরো উদ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সেকারনে সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিমকে অনেকেই সাপোর্ট করতে এগিয়ে আসছেন।
সবুজ আরো বলেন, আমাদের সুপার ১০ এর জন্য আমেরিকা থেকে গিফট মেহেদী হাবিব এর পক্ষ থেকে উপহার এসেছে। তিনি ভবিষ্যতে আমাদের সব রকম সাহায্য করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সবুজ বলেন, মেহেদী ভাই আরো একটা মহৎ কাজের আইডিয়া দিয়েছেন সুপার ১০ এর মতো সুবিধাবঞ্চিত এবং একটু পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে এইবার কাজ শুরু করতে বললেন।
যাদের দিকে সমাজ কিংবা কোনো সংগঠন তাকায় না, এমন ২০ জন বাচ্চা নিয়ে, অতি শীগ্রই আমি আরেকটা টিম করতে যাচ্ছি, যার নাম হবে, ‘ডিটারমাইন্ড ২০’।
আশা করি, সমাজের সুধীমহল, স্কলার এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা বরাবরের মতো আমার এই টিম গুলাকে সাপোর্ট করবেন।
গণিতপ্রেমী সবুজ বলেন, গত বছর ০৭ডিসিসি গণিত অলিম্পিয়াড এ লোকাল গভঃ এবং প্রয়াস সংগঠন আমাকে সাপোর্ট করেছেন।
এইবার সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিমকে সাপোর্ট করতেছেন আমেরিকা থেকে মেহেদী হাবিব। আশা করি, মেহেদী ভাইকে সামনের সকল কাজে পাশে পাব। উনি একজন বাস্তববাদী শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। এলাকার শিক্ষার্থীদের নিয়ে সারাজীবন চিন্তা ভাবনা করেন।বিদেশে থেকেও যে, আমাদের এই ছোট্ট কাজকে সাপোর্ট করতেছেন, এটা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
পরিশেষে সবাইকে গণিতপ্রেমে এগিয়ে আসার আহবান জানালেন তরুন এই সবুজ।