a কানাডা খুনিদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

কানাডা খুনিদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:৩৮
কানাডা খুনিদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি


শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার পর ভারতের সঙ্গে কূটনীতিক টানাপোড়েন চলছে কানাডার। দেশটিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীও। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সমর্থনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন খুনীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে কানাডা।

ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কানাডাকে খুনিদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হওয়া উচিত না। খুনিরা কানাডায় গিয়ে আশ্রয় নিতে পারে এবং সেখানে তারা সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে। অথচ তারা যাদের হত্যা করেছে, তাদের স্বজনরা কষ্ট পাচ্ছে।’

সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধুর খুনির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি আরও বিশদভাবে বর্ণনা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিচার বিভাগ খুবই স্বাধীন এবং সরকার এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে, (নূর চৌধুরী) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সুযোগ রয়েছে। তিনি যদি বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তাহলে নূর চৌধুরী এবং রশিদ চৌধুরী উভয়েই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদন মঞ্জুর করে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাও মঞ্জুর করতে পারেন।’

মানবাধিকারের নাম ভাঙিয়ে খুনিদের বাঁচানোর চেষ্টা করার প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোমেন বলেন, ‘অনেক সময় অনেকের মাধ্যমেই মানবাধিকারের ধারণার অপব্যবহার করা হচ্ছে। এটি সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক কারণ অনেক সময় খুনি এবং সন্ত্রাসীদের রক্ষা করার জন্য কিছু লোক অজুহাত হিসেবে মানবাধিকারের অজুহাত দেয়।’

সাম্প্রতিক ভারত-কানাডা দ্বন্দ্বকে আপনি কীভাবে দেখেন এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের নিয়ে কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশও একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক এবং কানাডার সঙ্গেও আমাদের ভালো সম্পর্ক। দুই দেশই বন্ধু। আমি ভারত এবং কানাডার মধ্যে এই সমস্যাটির বিশদ বিবরণ জানি না তবে কানাডার সঙ্গে আমাদের সমস্যার বিষয়ে আমি জানি। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রূপগঞ্জের ঘটনা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি: হাইকোর্ট


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১, ০৪:০০
রূপগঞ্জের ঘটনা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি: হাইকোর্ট

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের (সেজান জুস) কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। 'হতাহতের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এটি সত্যিই মর্মান্তিক। আমরা এ ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছি' বলেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার  (১১ জুলাই) এ মন্তব্য করেন।
 
আদালত আহতদের তালিকা প্রকাশ করে তাদের চিকিৎসার সুব্যবস্থার করতে বলেছেন। এ সময় নিহতদের লাশ শনাক্তের পর ক্ষতিপূরণের বিষয়ে আবেদন করতে বলেন হাইকোর্ট।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের সেজান জুস কারখানায় ছয়তলা ভবনের লাগা আগুনে বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেলে হেকে এ পর্যন্ত ৫২ জন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন শ্রমিক।

শনিবার (১০ জুলাই) রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করে পুলিশ মর্মান্তিক এই ঘটনায়। সে মামলায় আসামি করা হয় সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম, তার ছেলে হাসীব বিন হাসেম, তারেক ইব্রাহীম, তাওসীব ইব্রাহীম, তানজীম ইব্রাহীম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহান শাহ আজাদ, উপ-মহাব্যবস্থাপক মামুনুর রশিদ ও প্রকৌশলী মো. আলাউদ্দিনকে। এ ঘটনায় সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসেমসহ আট আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গতিতারকা ডেল স্টেইন


আবু হানিফ,ক্রীড়া ডেস্ক 
মঙ্গলবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:০৬
ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গতিতারকা ডেল স্টেইন

ফাইল ছবি

ক্রিকেট মাঠে ব্যাটসম্যানদের মনে ভয় জাগানিয়া বোলারদের তালিকা করা হলে উপরের দিকেই যায়গা হবে ক্রিকেটে স্টেইনগান হিসেবে পরিচিতি দক্ষিন আফ্রিকার বোলার ডেল স্টেইনের।

আজ সব ধরনের ক্রিকেটকে অবসরের ঘোষণা দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই পেসার। মঙ্গলবার ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৮ বছর বয়সী এই ফাস্ট বোলার।

টেস্ট ক্রিকেটে ওয়ান্ডারার্সে গতির ঝড় তোলার পাশাপাশি গলের স্পিনসহায়ক উইকেটেও ব্যাটসম্যানদের নাস্তানাবুদ করা পেসার বলতেই সবার মনে পড়বে ডেল স্টেইনের নামটাই।

২০০৪ সালের ১৩ ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ২১ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে টেস্ট অভিষেক হয় পরের বছরর হয় ওয়ানডে অভিষেক এক যুবকের। সুইং আর গতিই তার মূল অস্ত্র। আর এই সুইং গতি দিয়েই শাসন করেছেন ক্রিকেট বিশ্ব প্রায় ১৫ বছর।

দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২০ সালে এরপর বিভিন্ন ঘরোয়া লীগ খেললেও ২০২১সালেই ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা বোলার ডেল স্টেইন।

বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ডটি তার নামের পাশে। বিশ্ব ক্রিকেটে তার চেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছেন মাত্র তিনজন পেসার, তিনজনই স্টেইনের চেয়ে অনেক বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে তাকে সর্বকালের সেরা বোলার হিসাবে আখ্যায়িত না করা হলেও সেরার তালিকায় তিনি উপরের দিকেই থাকবেন।

আধুনিক ক্রিকেটের সেরা বোলার স্টেইন। এমনকি স্টেইনের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী জেমস অ্যান্ডারসনও স্টেইনকেই সেরা মানেন। এশিয়ায় একজন নন-এশিয়ান বোলার হিসাবে সবচেয়ে সফল ডেল স্টেইন। কে কতটা পরিপক্ক পেসার তার প্রমাণ পাওয়া যায় এশিয়ার স্পিনিং উইকেটে আর ডেল স্টেইন এখানে কারো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এই শতাব্দীতে এশিয়ার মাটিতে তার চেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছেন মাত্র পাঁচজন বোলার, পাঁচজনই এশিয়ার পেসার।

আর তাদের মাঝে কেবল শোয়েব আখতার স্ট্রাইকরেট ও গড়ে এগিয়ে আছেন। টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকার করা জেমস অ্যান্ডারসনও ডেল স্টেইনের সমান এশিয়ার মাটিতে ২২টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কিন্তু তিনি সফল হতে পারেননি। এমন অনেক রেকর্ডই আছে যেখানে অনেক কিংবদন্তিরাও টাচ করতে পারেননি। এমন অনেক রেকর্ড করেছেন যা হয়ত আগামী ১০০ বছরেও ভাঙ্গা যাবে না।

পরিসংখ্যানে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন তার পূর্বসূরি পেসারদের। ইনজুরি রোজ জীবনের সাথী না হলে এতদিন হয়ত ছাড়িয়ে যেতেন সবাইকে থাকতেন এমন কোন জায়গায় যেখান থেকে তাকে শুধু দেখতে হতো। ছুঁয়ে দেখতে পরিশ্রম করতো এ সময়কার বোলাররা। ডেল স্টেইন সর্বকালের সেরা পেসারদের কততম স্থানে আছেন, সেটা জানা না গেলেও এই শতাব্দীর সেরা পেসার হিসাবে ডেল স্টেইন যে একক ভাবেও তৃতীয়, সেটা কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে বলে দেওয়া যেতেই পারে।

স্টেইন জাতীয় দলের হয়ে ৯৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। ওয়ানডে খেলেছেন ১২৫টি। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ৪৭টি। তিন ফরমেটের মধ্যে টেস্টে উইকেট শিকার করেছেন ৪৩৯টি, ওয়ানডেতে ১৯৬টি এবং টি-টোয়েন্টিতে উইকেট নিয়েছেন ৬৪টি।

বিদায় বেলায় স্টেইন ব্যক্ত করেছেন তার মনের কথা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, অনুশীলন, ম্যাচ, সফর, হার, জিত, স্ট্রাইপড ফিট, জেট ল্যাগ, আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের ২০ বছর কেটে গেল। বলার মতো অনেক স্মৃতি আছে। ধন্যবাদ দেওয়ার মতো অনেক মানুষ আছে। এই হিসাবের দায় আমি বিশেষজ্ঞদের হাতেই ছেড়ে দিলাম।

আমার সবচেয়ে প্রিয় খেলাকে আজ আমি আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাচ্ছি। তিক্ত মিষ্টি তবে কৃতজ্ঞ। সবাইকে ধন্যবাদ, আমার পরিবার থেকে সতীর্থ, সাংবাদিক থেকে ভক্ত, সবাইকে। এটি দারুণ একটি সফর ছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

সর্বশেষ - জাতীয়