a
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। শনিবার সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।
খালেদ মাহমুদ সুজন শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরার পর হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। দুইবার নেগেটিভ আসার পর যোগ দিয়েছিলেন দলের সঙ্গে। তবে ঈদের ছুটির পর ১৮ মে থেকে অনুশীলন শুরু হলেও তাকে দেখা যায়নি মাঠে।
টিম লিডার হিসেবে সুজনের শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ সিরিজে দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল কিন্তু করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তিনি এ দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘করোনা পজিটিভ হওয়াতে সুজন দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না। যেহেতু ঘরের মাঠে খেলা তাই টিম লিডারের দায়িত্ব আমরাই দেখব। এই দায়িত্ব নিয়ে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।’
মাশরাফি বিন মর্তুজা
সাকিব আল হাসানের মন্তব্যে ইতোমধ্যে বেসামাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেই চাপ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই এবার অভিযোগ নিয়ে হাজির হলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সফলতম সাবেক এই অধিনায়ক বিসিবি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর, অফিস করা না করা, তাকে দল থেকে বাদ দেয়াসহ নানা বিষয়ে মুখ খুলেছেন।
বেসরকারি টেলিভিশন ৭১ টিভির খেলাযোগ অনুষ্ঠানে মাশরাফি এসব বিষয়ে কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির একটি প্রোমো অনলাইনে এসেছে। সেই অনলাইন প্রোমোতে মাশরাফিকে বলতে দেখা যায়, যে মানুষগুলো কথা বলতেছে, ওদের অবদান কী? অবদানগুলো যদি আমি তুলে ধরি, সেইটা তো খারাপ হয়ে যাবে। একটা ওয়ার্ল্ডকাপে ৫০ জন যাচ্ছেন। মাশরাফির চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করছেন, কিন্তু কেউ কি নিজের টাকায় গেছে নাকি, একটু শোনেন তো।
'ফিটনেস ইস্যুতে মাশরাফিকে হয়তোবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে রাখা হবে না।'-বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের এমন মন্তব্যের বিষয়ে মাশরাফি বলেন, ডেটাগুলো একটু বের করে দেখেন, আমার একটা ফিটনেস টেস্ট ফেল আছে কি না। আমি তো এগুলো ক্যামেরার সামনে এসে বলি নাই। আমাকে বাদ দেয়ার সময় কোনো আলোচনাই আমার সঙ্গে করা হয়নি। অথচ বিসিবি বলছে, আলোচনা হয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলা এবং দুর্গত মানুষের পাশে থাকার জন্য ছুটি বাতিলের এ সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।
রোববার (২৬ মে) সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা জানানো হয়।
প্রতিন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে আপাতত স্কুল খোলা থাকবে, তবে ক্লাস বন্ধ থাকবে। আজ সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু টানেল বন্ধ থাকবে। তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে ৮ লাখের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। বাকিদের আশ্রয়কেন্দ্রে আসার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ আরও অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে উপকূলীয় এলাকায়। এ অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও অদূরবর্তী দ্বীপ-চর ১০ নম্বর মহাবিপদ দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ-চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার বেশি বায়ুতাড়িত জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অতিভারী বর্ষণে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। সূত্র: ইত্তেফাক