a
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। শনিবার সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।
খালেদ মাহমুদ সুজন শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরার পর হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। দুইবার নেগেটিভ আসার পর যোগ দিয়েছিলেন দলের সঙ্গে। তবে ঈদের ছুটির পর ১৮ মে থেকে অনুশীলন শুরু হলেও তাকে দেখা যায়নি মাঠে।
টিম লিডার হিসেবে সুজনের শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ সিরিজে দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল কিন্তু করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তিনি এ দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘করোনা পজিটিভ হওয়াতে সুজন দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না। যেহেতু ঘরের মাঠে খেলা তাই টিম লিডারের দায়িত্ব আমরাই দেখব। এই দায়িত্ব নিয়ে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।’
ফাইল ছবি
রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে পর্দা উঠেছে আইপিএলের চতুর্দশ আসরের। দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে শেষ বলে রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ২ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করেছে বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তোলে মুম্বাই। ইন্ডিয়ান্সদের শুরুটা ভালো হলেও শেষ দিকে সেভাবে রান তুলতে পারেননি তারা। ওপেনার রোহিত শর্মা ও ক্রিস লিন শুরুতে তোলেন ২৪ রান। এরমধ্যে রোহিত ১৫ বলে ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। বেঙ্গালুরু অধিনায়ক কোহলিকে সাজঘরে পাঠান বুমরাহ।
এরপর অজি ওপেনার লিন করেন ৩৫ বলে ৪৯ রান। তিনে নামা সূর্যকুমার যাদব ২৩ বলে ৩১ রান করেন। চারে নামা ইশান কিষাণ ২৮ রানের ইনিংস খেলেন। কিন্তু শেষ দিকে হার্ডিক পান্ডিয়া ১০ বলে ১৩, কিয়েরন পোলার্ড ৯ বলে ৭ এবং ক্রুনাল পান্ডিয়া ৭ বলে ৭ রান করার সংগ্রহটা কম হয়ে যায় রোহিতদের।
ওই রান নিয়েই দারুণ লড়াই করে মুম্বাই। শুরুতে উইকেট নিয়ে ফেলে দেয় চাপে। তবে বিরাট কোহলি ৩৩ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৩৯ রান করে দলকে ভরসা দেন। এবি ডি ভিলিয়ার্স এরপর দলকে জয়ের পথে তুলে নেন। তিনি খেলেন ২৭ বলে ৪৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। শেষ দুই বলে থাকা দুই রান হার্শাল প্যাটেলরা তুলে নেন। বেঙ্গালুরু পেসার হার্শাল প্যাটেল বল হাতে ২৭ রানে তুলে নেন পাঁচ পাঁচটি উইকেট।
ফাইল ছবি: মুক্তা দাশ
বয়সী বয়স
~মুক্তা দাশ ~
বয়সটা..!
কেমন যেনো আটকে আছে , একটা কথায়
সবার মুখে একই কথা --- পঞ্চাশে এসে ভীমরতিতে ?
এই বয়সে ...!!!!
কিন্তু আমার মন যে বেড়ায় ঐ বয়সে !
ঐ যে যেদিন কুমারিত্ব হারিয়েছিলাম
ভয়ে ভয়ে মুখ লুকাতাম সবার থেকে....লুকিয়ে চুরিয়ে দেখতাম ঐ একজোড়া চোখ !
কি জানি কি ছিলো ওতে
আজও আমি পাইনি খুঁজে।
তবে, কেমন যেনো টানতো কেবল সারাবেলা !
মধ্যাকর্ষণ টানে যেমন, নরম মাটির পৃথিবীকে !!
ঠিক তেমনি,,, টানতো কেবল ঐ দু'চোখে !!!
কিন্তু এখন সন্ধ্যাবেলা
বাড়ছে বয়স! থোকা থোকা
চোখের কোলে কালির ছোপ, গালে -মুখে
বুড়ো বটের শেকড়ের ঝোপ!
নরম হাতের কোমলতা ?
ভুলেই গেছি , কবে ছিলো তা !!