a
ফাইল ছবি
আগামীকাল দুপুর ১টায় মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা।
ঘরের মাঠে খেলতে নামলেও কিছুটা পিছিয়ে তামিম বাহিনী । এশিয়ান প্রতিপক্ষদের মধ্যে একমাত্র শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই কোনো সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। তাই এ সিরিজ নিজেদের যেমন প্রমানের সুযোগ তেমনি শ্রীলঙ্কার মাটিতে টেস্ট হারের প্রতিশোধের সুযোগ টাইগারদের সামনে ।
বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম।
স্ট্যান্ডবাই: নাঈম শেখ, তাইজুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম।
সংগৃহীত ছবি
ক্রিকেট বিশ্বে অন্যতম শক্তিশালী দল ভারত ইংল্যান্ডের মাটিতে ৭৮ রানে অলআউট হয়ে আর একটি রেকর্ড সৃষ্টি করলেন।
ইংলিশ বোলারদের তোপের মুখে চরম ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। আরও একটি লজ্জা পেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। ইংরেজদের মাঠে এ নিয়ে ১০ বার শতরানের নিচে আউট হলো ভারত।
ইংল্যান্ডের মাঠে ১৯৭৪ সালে সবচেয়ে কম ৪২ রানে অলআউট হয় ওজিত ওয়াদেকারের নেতৃত্বাধীন ভারত। তবে টেস্টে এনিয়ে ২৬ বার একশ রানের নিচে আউট হলো ভারত।
ইনিংসের শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। একমাত্র রোহিত শর্মা এবং আজিঙ্কা রাহানে ছাড়া কোনো ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেনি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন রোহিত শর্মা। এছাড়া রাহানের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান।
দলীয় ১ রানেই প্রথম উইকেটের পতন হয় ভারতের। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন লোকেশ রাহুল। অ্যান্ডারসনের বলে বাটলারকে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। এরপর চেতেশ্বর পূজারাও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ।
অ্যান্ডারসনের বলে ফিরে যান ১ রান করে। এই ম্যাচেও ব্যর্থ হয়েছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আগের দুই টেস্টের মতো এই ম্যাচেও ব্যাটে রান পাননি তিনি। মাত্র ৭ রানেই বিদায় নেন তিনি।
ভারত শিবিরে আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা, রিশভ পন্ত, মোহাম্মদ শামিসহ অন্যরাও।
ইংল্যান্ডের হয়ে বোলিংয়ে আগুন ছড়ান জেমস অ্যান্ডারসন, স্যাম কুরানরা। জিমি ৮ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ক্রেগ ওভারটন নিয়েছেন ১৪ রানে ৩ উইকেট। স্যাম কুরান ও ওলি রবিনসন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
সংগৃহীত ছবি
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল ইরানের পরমাণু সমঝোতাকে আবার কার্যকর করাকে এই মুহূর্তে ইইউ’র কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি সোমবার ব্রাসেলসে ইইউ’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।
ভিয়েনায় পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের সংলাপের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে বোরেল বলেন, এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তিতে উপনীত হওয়া কিছুটা কঠিন হলেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তিনি এই সমঝোতা থেকে আমেরিকার একতরফা বেরিয়ে যাওয়া এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান।
ইরানে সরকার পরিবর্তন ভিয়েনা সংলাপের ওপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে বলেছিলেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনসহ অন্যান্য অভ্যন্তরীণ বিষয়ের সঙ্গে ভিয়েনায় চলমান সংলাপের কোনও সম্পর্ক নেই।
ভিয়েনার গ্রান্ড হোটেলে রবিবার ইরানের পরমাণু সমঝোতা নিয়ে সংলাপের ষষ্ঠ দফা বৈঠকের সমাপ্তি হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় এ বৈঠকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করেন চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স জার্মানি ও ব্রিটেনের প্রতিনিধিরা। আমেরিকা এ বৈঠকে সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও পরোক্ষভাবে তাদের প্রতিনিধি ছিল।
ষষ্ঠ দফা বৈঠক শেষে সব দেশের প্রতিনিধিদল নিজ নিজ রাজধানীতে ফিরে গিয়ে অবশিষ্ট অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে যার যার দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভিয়েনা সংলাপে ইরানি প্রতিনিধিদলের প্রধান সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেন, পরবর্তী বৈঠকে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সই করতে হলে প্রতিটি দেশকে কঠোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।