a আশকারা- জেবুন নাহার
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

আশকারা- জেবুন নাহার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১, ১২:৫০
Jebun nahar

ফাইল ফটো: জেবুন নাহার

কাঁপছে আকাশ, ডাকছে ঝিঁ ঝিঁ
আসছে ঘনিয়ে অন্ধকার
চল না আজ পেয়ে যাই আশকারা 
সান্ধ্য বাতাসে হয়ে যাই একাকার
সময় যে আজ শুধুই দুজন দুজনার
ভিজে যাই চল মাথায় নিয়ে বৃষ্টি ভালোবাসার।
ধর ঝরে গেল সব ভালোবাসা
পেয়ে কোন নিরেট আকার
তোর যাওয়ার পথে নেই কোন বাঁধা
ভেঙ্গে সব অহংকার
শীতল আবহে
চারিদিক হাহাকার
তারপরেও দিনটি হয়ে উঠুক আজ শুধুই ভালোবাসার।
বিসর্জনেও সুখ
জোড়া লাগে সব অভিমান আবদার
ভালোবাসার আবরন
মুছে গিয়েও ধরে রাখে
হৃদ মাঝারের খেলোয়াড়
ভালোবাসার জোয়ারে ভাসুক সব চরাচর।
রজনীর পর রজনী জেগে অপেক্ষা
একটিবার হলেও তো ছুঁয়েছিলি প্রাণ
সাড়া দিয়েছিলি হৃদয়ের ডাকে
শুনেছিল সেই প্রতিধ্বনি
আকাশ বাতাস
সতেজ হয়েছিল চারপাশ
শুকিয়ে যাওয়া নদীতে
ফিরেছিল স্রোতের অবগাহন
নিশি রাতের শিশিরে ভিজাস না তোর পা
সাহারার তপ্ত বালুতেও যেতে হবে না তোকে
নিশুতি শহরের অলিতে গলিতেই
নিয়ন লাইটপোস্টের মশামাছির ঝাঁকে
কোলাহলে মেতে উঠুক তোর আমার ভালোবাসার ক্যানভাস
লেখনিতে লেখনিতে ভরে যাক সব জীর্ণ শহরের দেয়াল।
 

......... ফেসবুক পাতা থেকে সংগৃহীত

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

অন্তহীন ইচ্ছে- আলপনা শাহীন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১, ১১:৪৪
অন্তহীন ইচ্ছে- আলপনা শাহীন

ছবি: আলপনা শাহীন

তোমার মতো আমারও ভাঙাগড়ার প্রমত্ত পদ্মা হতে ইচ্ছে করে।
ইচ্ছে করে তোমার ভালোবাসার ছুরির ফলায় বিদ্ধ হতে!
তোমার ভিতর ডুব দিয়ে হৃদয়ের স্পন্দন শুনতে।
ইচ্ছে করে মেঘলা রাতে আকাশের অখ‍্যাত অদৃশ‍্য তারাগুলো গুণতে।
ইচ্ছে করে আমার ইচ্ছের ডানায় টাইম মেশিন বসিয়ে
সভ‍্যতার আদি অন্ত দেখতে।
যেখানে কোন কোন প্রতারক প্রেমিক প্রেমের জালে অবুঝ প্রেমিকাকে করেছিলো পোয়াতি গাভীন!
আমার কিচ্ছুই যখন ভালো লাগেনা তখন মনের রসনায় নাগামরিচ আর বীট লবণ মিশিয়ে ইচ্ছে করে ইচ্ছের ডালপালা খাই চিবিয়ে।
ইচ্ছে করে রাঁধা হয়ে কৃষ্ণকে লালপদ্ম পুকুরঘাটে স্নান করতে নিয়ে যেতে।
আমিও বাজিতে হেরে জিতাতে চাই তোমাকে।
আমার গল্পের ঝাঁপিতে থাকবে অজান্তার গুহায় কামক্রীড়ারত যুগলদের কথা,
অমরত্বের গান, কাকদের কোকিল হবার কাহিনী,
নন্দিনীরা বন্দিনী কেন তাদের দেহ সৌন্দর্যের  আকরে!
আমার অক্ষর তোমাকে দেবে অমরত্ব! আমার মেমব্রেনে বাজবে তোমার নহবত,সানাই।
আমার অনুভবের দরোজায় তুমি এসে দাঁড়াও যখন;
সাত বেহেশত নেমে আসে আমার মজ্জার ভেতর তখন!
তোমাকে ভালোবাসার রসে রাঙিয়ে
তোমার অবচেতন মনের ঘুম চাই ভাঙাতে।
তুমি কি আমার হবে
নাকি তুমি তোমারই রয়ে যাবে?
আকাংখার মৃত‍্যু নেই
তোমাকে চাওয়ার পাওয়ার শেষ নেই।

....ফেসবুক হতে সংগৃহীত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গণমুখী ও বাস্তবভিত্তিক বাজেট প্রনয়ণ করায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ জুন, ২০২৫, ০৪:৪৮
গণমুখী ও বাস্তবভিত্তিক বাজেট প্রনয়ণ করায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  শ্রমিকদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন গণমুখী ও বাস্তবভিত্তিক বাজেট প্রনয়ণ করায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। গতকাল ৩ জুন ২০২৫ ইং তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারিক হোসেন বলেন, বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজকের এই বাজেট প্রতিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়ার জন্য আপনাদের জানাই ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী সময়ে আপনাদের সামনে আমরা উপস্থিত হয়েছি। আপনারা জানেন, বিড়ি শিল্প উপহাদেশের একটি আদি ও পুরাতন শিল্প । এই উপমাহাদেশে যখন বেকার মানুষের কোন কর্মসংস্থানের সুযোগ ছিল না তখন বিড়ি শিল্পই ছিল একমাত্র কর্মসংস্থান। আজও দেশে এমন অঞ্চল রয়েছে যেখানে বিড়ি শিল্পই কর্মসংস্থানের একমাত্র অবলম্বন।

এটি বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে। দেশের ৫৪তম বাজেট। বাজেটের মূল লক্ষ্য “মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রন”। সংকটের এই সময়ে এটি খুবই গণমুখী ও বাস্তবভিত্তিক বাজেট। এই বাজেটে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। ৬২৬ আমদানি পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। একইসাথে প্রাচীন শ্রমঘন বিড়ি শিল্পের উপর শুল্ক অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে বাজেটে নিত্যপণ্যের দাম কমানোর সিদ্ধান্তে আমরা সরকারকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। সমতাভিত্তিক, কল্যাণমুখী ও সময়োপযোগী প্রনয়ণ করায় বাংলাদেশের বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। একইসাথে মাননীয় অর্থ উপদেষ্টা ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ।

বিড়ি শিল্প দেশের প্রাচীন শ্রমঘন একটি শিল্প। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এই শিল্পের অবদান অপরিসীম। তবে বিভিন্ন সময়ে দেশী ও বিদেশী ষড়যন্ত্রে বিড়ি শিল্পে বারবার মাত্রাতিরিক্ত শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে বিড়িতে কোনো শুল্ক ছিল না এবং বিড়ি একটি কুটির শিল্প হিসেবে পরিচিত ছিল। এদিকে বিড়ি ও সিগারেট একই গোত্রভূক্ত হওয়া শর্তেও এ দুটির মধ্যে বৈষম্য বিরাজ করছে। বিড়ির অগ্রীম আয়কর ১০ শতাংশ। আর সিগারেটের অগ্রীম আয়কর ৩ শতাংশ ছিল। কিন্তু শ্রমিকদের দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের ফলে সিগারেটের অগ্রীম আয়কর ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার। তবুও বিড়ি ও সিগারেটের অগ্রীম আয়করে ব্যাপক বৈষম্য বিরাজ করছে। সুতরাং শ্রমিক বান্ধব বিড়ি শিল্পের ওপর থেকে অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাহার করতে হবে।

বিড়ি একটি দেশিয় শ্রমিক নির্ভর শিল্প। পাকিস্থান, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়াতে হাতে তৈরি বিড়িকে প্রণোদনা দেয়া হয়। এসব দেশে বিড়ি ফ্যাক্টরী প্রতিষ্ঠা না করলে সিগারেট ফ্যাক্টরী করার অনুমোদন দেওয়া হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে তার বিপরীত চিত্র। বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর ষড়যন্ত্রে বারবার বিড়ি শিল্পের উপর মাত্রাতিরিক্ত শুল্কারোপ করা হয়েছে। অসম শুল্কের ভারে শিল্পটি আজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। শ্রমিকরাই দেশের মূল চালিকা শক্তি, শ্রমিকরাই দেশের অর্থনীতির ভিত। শ্রমিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। একইসাথে দেশের উন্নয়ন এবং শ্রমজীবি মানুষের স্বার্থে নিম্নতম মজুরী বোর্ডের মাধ্যমে বিড়ি শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি করার অনুরোধ করছি।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিড়ি শিল্পের মালিকদের অবদান অপরিসীম। তারা এ দেশে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। অথচ বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানী বিএটি ও জেটিআই এ দেশের টোব্যাকো কোম্পানীর মার্কেট শোষণ করছে। তারা এদেশের মানুষের ফুসফুস পুড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। বর্তমানে টোব্যাকো মার্কেটের ৮০ শতাংশ থেকে ৮৫ শতাংশ দখল করে আছে নিম্নস্তরের সিগারেট। এসব নিম্নস্তরের সিগারেট ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির। সুতরাং দেশীয় শ্রমঘন বিড়ি শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষার্থে এই দেশে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর নিম্নস্তরের সিগারেট উৎপাদন বন্ধের আহবান জানাচ্ছি। নানাবিধ প্রতিকূলতার মাঝে টিকে থাকা বিড়ি শিল্পের গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত বিড়ি । বিড়িতে ট্যাক্স বৃদ্ধির ফলে অসাধু বিড়ি ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে নকল বিড়ি উৎপাদন করে। এছাড়া খুচরা বিক্রেতাগণও বেশি লাভের আশায় নকল বিড়ি বিক্রিতে উৎসাহিত হয়। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায় এবং প্রকৃত রাজস্ব প্রদানকারী বিজি মালিকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সুতরা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে নকল বিড়ি বন্ধ করতে হবে। একইসাথে নকল বিড়ি ও সিগারেট উৎপাদান এবং বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পর্যায়ে নকল বিড়ি প্রতিরোধ কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

দেশীয় শিল্প, প্রান্তিক গরীব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কর্ম রক্ষার্থে আমাদের দাবিসমূহ পেশ করছি। দাবীসমূহ-
১. বিড়ি শিল্পের উপর থেকে অগ্রীম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে।
২. বহুজাতিক কোম্পানীর নিম্নস্তরের সিগারেট বন্ধ করতে হবে।
৩. নূন্যতম মজুরী বোর্ডের মাধ্যমে বিড়ি শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি করতে হবে।
৪. নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করতে হবে।
সুপ্রিয় বন্ধুগণ,
জাতির জাগ্রত বিবেক হিসেবে আপনারা অতীতেও আমাদের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আপনাদের কলম আমাদের রুটি-রুজির সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। আপনাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে আমাদের বক্তব্য শোনার জন্য পুনরায় আস্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি। খোদা হাফেজ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়