a মেসির জাদুকরী নৈপুণ্যে বিশ্বকাপের আশা জাগালো আর্জেন্টিনার ভক্তদের
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মেসির জাদুকরী নৈপুণ্যে বিশ্বকাপের আশা জাগালো আর্জেন্টিনার ভক্তদের


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ১১:৩০
মেসির জাদুকরী নৈপুণ্যে বিশ্বকাপের আশা জাগালো আর্জেন্টিনার ভক্তদের

ফাইল ছবি

কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের বাচা-মরার লড়াইয়ে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টিকে থাকলো টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট দল আর্জেন্টিনা। আজ বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১টায় লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর বিপক্ষে অগ্নিপরীক্ষায় নামে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধ শেষে গোল করতে ব্যর্থ হয় মেসির দল। তবে বিরতির পর জোড়া গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যাটাকে যায় তারা। তবে সেখান থেকে কোন বিপদ ঘটে না। অন্যদিকে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর খেলতে থাকে মেক্সিকো। ম্যাচের ৮ মিনিটে কর্নার পায় মেক্সিকো। তবে তা থেকে সুযোগ তৈরী করতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৯ মিনিটে পাওয়া ফ্রি কিক থেকে সুযোগ তৈরী হলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি মেক্সিকো।

ম্যাচের ২০ মিনিটে ডি বক্সের বাইর থেকে ফ্রি কিক পায় মেক্সিকো। তবে সেই ফ্রি কিক কাজে লাগাতে পারেনি মেক্সিকো। অ্যালেক্সিক ভেগার নেওয়া ফ্রি কিক নিজের গ্লোভসে নেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ম্যাচের ২২ মিনিটে ডি পলকে ফাউল করার কারণে নেস্টোর আরাউজোকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ম্যাচের ২৫ মিনিটে গোছানো আক্রমণে যায় আর্জেন্টিনা। ডান দিক থেকে লাউতোরো মার্টিনেজের নেওয়া শট চলে যায় পোস্টের বাইর দিয়ে।

ম্যাচের ৩১ মিনিটে কর্নার আদায় করে আর্জেন্টিনা। সেই কর্নার কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। ডান প্রান্তে ডি পলকে ফাউল করলে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেওয়া সেই ফ্রি কিক থেকে ঠেকিয়ে দেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক গুইলের্মো ওচোয়া। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে আক্রমণে গেলেও তার পূর্ণতা দিতে পারেনি আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৪০ মিনিটে আবারও কর্নার পায় আর্জেন্টিনা। শট কর্নার নেয় মেসি। মেসির থেকে বল পেয়ে ক্রস করে ডি মারিয়া। তার ক্রস থেকে হেড করে লাউতোরো মার্টিনেজ। তবে তা চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে ফাউল করার কারণে গঞ্জালো মন্টিয়েলকে হলুদ কার্ড দেখান রাফারি। ডি বক্সের বাইর থেকে নেওয়া ফ্রি কিক অসাধারণ সেভে দলকে রক্ষা করেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

এরপর কিছু আক্রমণ চালালেও তা থেকে গোল বের করতে ব্যর্থ হয় দুই দল। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো।

বিরতি থেকে ফিরে গোলের আশায় মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দু'দলই। ম্যাচের ৫০ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে মেসিকে ফাউল করার কারণে হলুদ কার্ড দেখেন গুতেরেজ। মেসির নেওয়া ফ্রি কিক চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ম্যাচের ৫০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও গোলশূন্য থাকে দু'দল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ডান দিক থেকে ডি মারিয়ার বাড়ানো বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকাররা।

এরপর থেকে আক্রমণে ধার বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ফ্রি কিক পায় মেক্সিকো। সেই ফ্রি কিক থেকে বিপদের সম্ভাবনা তৈরী হলেও তা ক্লিয়ার করে দেয় আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডাররা। গোলের আশায় ম্যাচের ৬৩ মিনিটে লাউতোরো মার্টিনেজের পরিবর্তে জুলিয়ান আলভারেজকে মাঠে নামান আর্জেটিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

ম্যাচের ৬৪ মিনিটে গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি। তার গোলে ম্যাচে লিড পায় আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে মেক্সিকো। অন্যদিকে সমান তালে আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে ডান দিক থেকে আক্রমণে সুযোগ তৈরী করলেও তা থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা।

এরপর ম্যাচের ৮০ মিনিটে ফ্রি কিক পায় মেক্সিকো। তবে সেই ফ্রি কিক থেকে নেওয়া হেড সহজেই নিজের গ্লোভসে নেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে কর্নার পায় মেক্সিকো। তবে তা কাজে লাগেত পারেনি তারা। উল্টো কাউন্টার অ্যাটাকে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৮৭ মিনিটে কর্নার আদায় করে আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে ম্যাচের ৮৭ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ডি বক্সের সামান্য ভেতর থেকে অসাধারণ শটে বল জালে জড়ান এন্দ্রো ফার্নান্দেজ। এই গোলের সুবাদে দুই গোলের লিড পায় আর্জেন্টিনা। সেইসঙ্গে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় মেক্সিকো।

এরপর বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোল পেতে ব্যর্থ হয় দু'দল। শেষ পর্যন্ত  ২-০ গোলের ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপ-২০২২ ভক্তদের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা।  সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

১১ বছর পর শিরোপার দেখা পেল ইন্টার মিলান


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
মঙ্গলবার, ০৪ মে, ২০২১, ১২:০১
১১ বছর পর শিরোপার দেখা পেল ইন্টার মিলান

ফাইল ছবি

 

টানা ৯ বছর শিরোপা জিততে থাকা জুভেন্টাস এর শিরোপায় এবার ভাগ বসালো ইন্টার মিলান। ইতালিয়ান লিগে গত ৯ বছর একাই আধিপত্য বিস্তার করে চলছিল জুভেন্তাস। 

২০১১-১২ মৌসুমে যা শুরু করেছিলেন বর্তমান ইন্টারমিলান কোচ কন্তে। এবার সেই কন্তের দলের কাছেই শিরোপার ধারাবাহিকতা হাতছাড়া করলো জুভেন্টাস। দীর্ঘ ১১ বছর পর সিরি-এ লিগের শিরোপা জিতেছে ইন্টার মিলান। 

গত রবিবার সাসুলোর বিপক্ষে আটালান্টা ১-১ গোলে ড্র করায় ইন্টারের শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায়। লিগে চার ম্যাচ এখনো বাকি আছে।

শনিবার সাসুলের বিপক্ষে আটালান্টা ম্যাচের পরই শিরোপা উৎসবের আমেজ শুরু করে ইন্টার সমর্থকরা। সাসুলোর বিপক্ষে আতালান্তা ম্যাচে না থেকেই ছিল তারা। খেলাটি ড্র হওয়ার পরই মিলানের রাস্তায় নেমে উৎসব করতে থাকেন ইন্টার মিলানের সমর্থকরা। 

করোনাভাইরাসের সময়ও এই উৎসব দীর্ঘ ১১ বছরের অপেক্ষার অবসানের। ২০০৯-১০ মৌসুমে  নাম্বার ওয়ান নামে পরিচিত হোসে মরিনহোর অধীনে সিরি-এ, কোপা ইতালিয়া এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতার পর নিজেদের হারিয়ে খুজছিল ইন্টার মিলান। 

এমনকি কিছু মৌসুম  চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও খেলার যোগ্যতা হয়নি তাদের। সে দলকে কন্তে দায়িত্ব নিয়েই পরিবর্তন করতে থাকেন। গত মৌসুমে শিরোপার স্বপ্ন উকি দিয়েও তা বাস্তবরুপ পায়নি কিন্তুএবার ঠিকই চার ম্যাচ হাতে রেখে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ইন্টার মিলান এ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছে ১৯টি।  তারা ছাড়িয়ে গেছে এসি মিলানের ১৮ ট্রফি জয়কে। ৩৬টি ট্রফি নিয়ে তালিকায় সবার ওপরে জুভেন্তাস।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মিনা পাল থেকে যেভাবে হয়ে উঠেছিলেন নায়িকা কবরী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫১
মিনা পাল থেকে যেভাবে হয়ে উঠেছিলেন নায়িকা কবরী

ফাইল ছবি

সবাইকে কাঁদিয়ে পরপারে পাড়ি জমালেন বাংলা সিনেমার মিষ্টি মেয়ে কবরী। করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে মারা যান এই অভিনেত্রী ও রাজনীতিক।

১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তার আসল নাম মিনা পাল। বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল এবং মা লাবণ্য প্রভা পাল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। তারপর টেলিভিশন ও পরে সিনেমায়।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ ছবির মাধ্যমে সারাহ বেগম কবরীর অভিনয় জীবন শুরু। চট্টগ্রামের মেয়ে মিনা পাল চলচ্চিত্রের লাল-নীল জগতে পা দিয়েই নতুন নাম পান ‘কবরী’। পরিচালক সুভাষ দত্তই তাকে এই নাম দিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

দক্ষ অভিনয় শৈলী দিয়ে ‘মিষ্টি মেয়ে’ হয়ে ওঠেন এই অভিনেত্রী। তারপর জনপ্রিয় নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় কবরীর শুধুই দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা।

এরপর অভিনয় করেছেন হীরামন, ময়নামতি, চোরাবালি, পারুলের সংসার, বিনিময়সহ অসংখ্য সিনেমায়। আগন্তুকসহ জহির রায়হান নির্মিত উর্দু ছবি ‘বাহানা’ এবং ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ছবি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’।

কবরী বিয়ে প্রথম করেন চিত্ত চৌধুরীকে। সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর ১৯৭৮ সালে তিনি বিয়ে করেন সফিউদ্দীন সরোয়ারকে। ২০০৮ সালে তাদেরও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। কবরী পাঁচ সন্তানের মা।

২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যুক্ত ছিলেন অসংখ্য নারী অধিকার ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭-তে প্রকাশিত হয়েছে তার আত্মজীবনীমূলক বই ‘স্মৃতিটুকু থাক’।

হঠাৎ খুসখুসে কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হলে করোনার নমুনা পরীক্ষা করান কবরী। ৫ এপ্রিল ফলাফল পজিটিভ আসে। ওই রাতেই তাকে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ৮ এপ্রিল দুপুরে তাকে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে আইসিইউতে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ এপ্রিল বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবশেষে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরবিদায় নিলেন নায়িকা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook