a
ফাইল ছবি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম জানিয়েছেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের আপাতত টিকা দেওয়া হচ্ছে না। তবে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদেরও টিকা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
আজ মঙ্গলবার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ভবনে কোভ্যাক্স থেকে পাওয়া ফাইজারের টিকা সংরক্ষণের সক্ষমতা পরিদর্শন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ফাইজারের টিকা এবার ঢাকা ছাড়াও বড় বিভাগীয় শহর ও জেলা পৌরসভায় দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি শেষ করে অচিরেই দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ৮২ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দৈনিক ৫ লাখ করে টিকা দেওয়া হচ্ছে। সে হিসেবে সপ্তাহে দেওয়া হচ্ছে ৩০ লাখ এবং মাসে এক কোটি ২০ লাখ টিকা দেওয়া হচ্ছে। এভাবে দিলেও দ্রুত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সব মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব।
এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: কালের কন্ঠ
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: ২২ এপ্রিল ২০২৫ মঙ্গলবার, "বাঁধন" জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট এর আতিথেয়তায় বিনামূল্যে ১০০ জনের থ্যালাসেমিয়া টেস্ট করালো BioTed, সহযোগিতায় Base Care Foundation Bangladesh এবং GenX Health.
Thalassamia Awareness & Screening Campaign এ উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক, অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি এবং BioTED এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. মোহাম্মদ সওগাতুল ইসলাম।
উপস্থিত বক্তব্যে মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি বলেন "এটা একটা মহাৎ উদ্যোগ নিয়েছে বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট। তিনি আরও বলেন থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন করা উচিত। বিশেষ করে তরুণ তরুণী এবং যুবকদেরকে"B ioTED এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. সওগাতুল ইসলাম বলেন "আমরা এই রোগটা নিয়ে কাজ করছি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের লিস্টে ছিলো না৷ জবির বাঁধন ইউনিটের বর্তমান সভাপতি উম্মে মাবুদা ও সাধারণ সম্পাদক তাসনিমুল হাসান নিশাদ আমাদের কে বলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা নিয়ে কাজ করার জন্য। তখন আমরা উদ্যোগ নি। এবং আজকে ১০০ জনের ফ্রি টেস্ট করা হবে।
তিনি বলেন থ্যালাসেমিয়ার কারণে মানবদেহে রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির ক্ষমতা কমে যায়, রোগী অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হয়। একসময় রক্তস্বল্পতায় রোগী মারা যায়।
সমীক্ষায় দেখা গেছে বাংল দেশের প্রায় ১১% মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। স্বামী-স্ত্রী দু'জনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তান থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে স্বামী-স্ত্রীর থ্যালাসেমিয়া টেস্ট করা অত্যন্ত জরুরি" 'নিজে সচেতন হই, অন্যকে সচেতন করি'
ফাইল ছবি
সিলেটের ওসমানীনগরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ নিহতের স্বামী আরশ আলী ও শাশুড়ি মিনারা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত রবিবার (৯ মে) দুপুরে স্থানীয় থানায় কনে পক্ষ হত্যা মামলা দায়ের করলে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিহতের বড় ভাই ইসলাম উদ্দিন শনিবার (৮ মে) রাতে নিহতের স্বামী এবং শ্বাশুড়িকে আসামি করে ওসমানীনগর থানায় মামালা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, গত শনিবার দুপুরে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের মৃত ইছন আলীর বাড়ি থেকে নিহত শরিফা বেগমের (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ বিদ্যমান ছিল। নিহত শরিফা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে দাবি তার পরিবারের।
তবে স্বামী ও শাশুড়ির অভিযোগ ছিল, শরিফা আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু শনিবার দুপুরে তার স্বামীর নিজ ঘরের বিছানা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওসমানীগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের ভাই মামলা দায়ের করেন। আসামীদের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে নিহত শরিফার পারিবার থেকে জানতে পারা যায়, প্রায় ৯ মাস আগে ওসমানীনগর উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের মৃত ইছন আলীর ছেলে আরশ আলীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পুটিয়া গ্রামের শাকিম উল্লাহর ছোট মেয়ে শরিফার। বিয়ের অল্পকিছুদিন পর থেকেই যৌতুকসহ নানা কারণে স্বামী আরশ আলী ও শাশুড়ি মিনারা বেগম তার ওপর বিভিন্ন সময় অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেন। বিষয়টি নিহতের পরিবার জানা সত্ত্বেও শরিফা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় কারণে তার বাবা মা তাকে এসব সহ্য করে শ্বশুরবাড়িতেই থাকার কথা বলে।
পরিবারের অভিযোগ, এই রমজানে আরশ আলী শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যান। এ সময় ইফতার দিতে কিছুটা দেরি করার নানা কথা শোনান স্বামী। এছাড়া তাকে কেন আলাদাভাবে সাজানো থালায় ইফতার দিল না এ নিয়ে তাদের উভয়ের মাঝে তুমুল ঝগড়া হয়।
গত শুক্রবার (৭ মে) সন্ধ্যায় শরিফার বাবা তার স্বামীসহ অন্যান্য সদস্যদের জন্য ঈদের উপহার এখনো কেন নিয়া আসে নাই তা নিয়ে আবার ঝগড়া শুরু হয়। ঘটনার একপর্যায়ে শরিফাকে তার স্বামী ও শাশুড়ি মারধর করে। বিষয়টি সাথে সাথেই তার ভাইকে ফোন করে জানান শরিফা। পর সাহরির সময়ে শরিফার মোবাইল বন্ধ পান তার পরিবার। পরে যখন নতুন জামা কাপড় নিয়ে শরিফার বোন রওয়ানা হন পথিমধ্যে খবর পান শরিফা ভীষণ অসুস্থ তার এসে দেখেন তার বোন চিরতরে ঘুমিয়ে গেছে।