a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম: স্বাস্থ্য সহকারীদের দুঃখ-দুর্দশা লাচ্ছনা বঞ্চনার ইতিহাস এবং কাজের পরিধি স্বাস্থ্য খাতে অবদান, অর্জন ও দাবী দাওয়া জানানোর উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকগণের ৬ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন কেন্দ্ৰীয় দাৰি বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ।
সংবাদ সম্মেলন নেতারা বলেন, পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে স্বাস্থ্যে সেবা হল অন্যতম। আমরা মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করি, আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন মাঠ পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক নাম ধারী স্বাস্থ্যকর্মী। স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বার্থপর পরিদর্শক দেশের প্রথম সারির স্বাস্থ্য যোদ্ধা। সীমিত সুযোগ সুবিধা নিয়েও আমরা নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের তৃণমুল পর্যায়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। উপরোল্লিখিত দাবি সমূহ বাস্তবায়নে আপনাদের সদয় ও আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
আমাদের দাবী সমূহ:
১। নিয়োগবিধি সংশোধন ৷
২। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক/সমমান সংযোগ।
৩। ১৪ তম গ্রেড প্রদান ।
৪। ইন সার্ভিস ডিপ্লোমনা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১১ তম গ্রেড উন্নীতকরণ।
৫। টেকনিকেল পদমর্যাদা প্রদান ।
৬ । পদোন্নতির ক্ষেত্রে ধারাবহিকভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড প্রদান ।
লিখিত বক্তব্য শেষে তারা তাদের পরবর্তী কর্মসূচীর কথা জানান।
আগামী ২৯/১১/২০১৫ইং তারিখ রোজ শনিবার হইতে ইপিআই কার্যক্রম সহ সকল প্রকার স্বাস্থ্য বিভাগীয় কার্যক্রম বর্জন এবং জাতীয় শহীদ মিনার, (ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পাশে), ঢাকা, বাংলাদেশ, অবস্থান কর্মসূচী পালন করা হবে। তারা আরো বলেন, গত ০৬/১০/২০২৫ তারিখে রোজ সোমবার সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী, ঢাকা মহাপরিচালক মহোদয়ের সভা কক্ষে জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সআবু জাফর, মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা। ডাঃ এ.বি.এম আবু হানিফ, পরিচালক প্রশাসন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা। অধ্যাপক ডাঃ শেখ ছাইদুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা। ডাঃ শাহ আলী আকবর আশরাফী, পরিচালক, এমআইএস ও লাইন ডিরেক্টর, এইচআইএস এন্ড হেলথ, মহাখালী, ঢাকা। ডাঃ সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী, উপ-পরিচালক, হাসপাতল-১, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
উক্ত আলোচনা সভায় মহাপরিচালক মহোদয় বলেন ১৫ কর্ম দিবসের মধ্যে নিয়োগবিধি সংশোধনী কো-আরী জবাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করিবেন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থাকা স্বাস্থ্য সহকারী -১৩, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক-১৩ এবং স্বাস্থ্য পরিদর্শক- ১২ তম গ্রেড আপগ্রেডেশন বাস্তবায়নের জন্য সার্বিক-সহযোগীতা করবেন। কিন্তু আমাদের দাবী এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।
প্রথম সারির স্বাস্থ্য যোদ্ধা। সীমিত সুযোগ সুবিধা নিয়েও আমরা নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের তৃণমুল পর্যায়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। উপরোল্লিখিত দাবি সমূহ বাস্তবায়নে আপনাদের সদয় ও আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৫১১ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১০৪৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮৬ জন।
আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১০৮৭ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৮ জন।
ফাইল ছবি
আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। ‘প্রজন্মের জন্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’।
বাংলাদেশে ১৮ বছরের কম বয়সী ছেলে মেয়েদের শিশু বলা হয়। শিশু শ্রম বাংলাদেশের আইনে যেমন গর্হিতকাজ তেমনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। প্রতিবছর ১২ জুন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮০টি দেশে আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম দিবস পালিত হয়।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর সহযোগিতায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনাসভা, সারা দেশে পোস্টারিং এবং লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয় এই দিবসকে ঘিরে । এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ দেশে প্রায় ৩৪ লাখের ও বেশি শিশু কাজে জড়িত তাদের ভিতর প্রায় ১৭ লাখই শিশু বাকিরা অনুমোদনযোগ্য।
১৯৫৯ সালে জাতিসংঘে শিশু অধিকার সনদ ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ এই সনদে স্বাক্ষর করে। বর্তমান আইনে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। শিশু অধিকার সনদে ৫৪টি ধারা এবং ১৩৭টি উপ-ধারা আছে। এই উপ-ধারাগুলোতে বলা হয়েছে, শিশুদের ক্ষেত্রে কোন ধরনের বৈষম্য করা যাবে না। ২০০৬ সালের বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১ থেকে ১৪ এবং ১৯৭৫ সালের শিশু আইনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ১৬ বছরের শিশুদের ভারী কাজ করানো যাবে না।
আজকের শিশু আগামীদিনের কর্ণধার, তাই শিশুদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে শিশু শ্রমপ্রতিরোধ করতে হবে এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সমাজের সচেতন নাগরিকদের। যেখানে শিশুদের হাতে থাকার কথা খাতা কলম সেখানে শিশুদের হাতে ভারীযন্ত্রপাতির ভার কখনো কাম্য নয় আমাদের সমাজ থেকে।
শিশুশ্রম নিরসনে নিরলস ভাবে যারা কাজ করে যাচ্ছেন তাদের প্রচেষ্টা সফল করতে আমাদের সকলের এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য। শিশুরা হলো নিস্পাপ ফুলের মতন তাদেরকে দিয়ে ইটভাটা, ইটভাঙা, হোটেলে কাজ করানো, বাসের হেল্পার, লেগুনার হেল্পার হিসেবে কাজ করানোর মত ঝুকি বন্ধ করতে হবে তাহলে অতি শীগ্রই আমরা পাবো একটি সুন্দর সমাজ।