a
ছবি: সংগৃহীত
১৭ অক্টোবর থেকে আরম্ভ হচ্ছে গুচ্ছ ভর্তির আবেদন চলবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ এর উপর থাকছে ২০ নম্বর। আলাদাভাবে হিসেব করলে এসএসসি এর উপর ১০ এইচএসসি এর উপর ১০ নম্বর থাকছে।
১৬ অক্টোবর তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।
এখন পর্যন্ত গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিপিএ এর উপর নম্বর না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ বছর আলাদাভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সরাসরি ওয়েবসাইটে যেয়ে তথ্যাদি দিয়ে নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করবে।
জিপিএ নম্বর রাখা না রাখা নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইমদাদুল হক জানিয়েছেন এটা যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সিদ্ধান্ত তারা চাইলে নম্বর রাখতেও পারবেন নাও রাখতে পারবেন।
ফাইল ছবি
গত সোমবার ১৬ আগস্ট নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকা থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
জানা গেছে, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন ফি ১৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের পরে যদি কেউ রেজিষ্ট্রেশন করতে চায় সেক্ষেত্রে তাকে বিলম্ব ফি ১৪০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইএন নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করতে হবে। এরপর রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে হবে। সোনালী সেবার মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন ফি পরিশোধ করতে হবে ।
ছবি: আবদুল কাদের
ছোটবেলা থেকেই আমাদের মনের মধ্যে একটা জিনিস গেঁথে আছে, সেটা হলো গণিত মানেই বিচ্ছিরি সব সুত্র মুখস্থ করা আর হিবিজিবি সব অংক করা। গণিত মানেই মোটা চশমা পরা কাঠের বড় স্কেল হাতে রাগী স্যারের থমথমে ক্লাস। সুত্র মুখস্থ না পারলেই পিঠের উপর বেতের বারি বা ঠাস ঠাস শব্দে দুইগাল লাল হয়ে যাওয়া। কিন্তু এর বাইরেও যে গণিতের একটা সৌন্দর্য আছে, গণিতে একটা মুগ্ধতা আছে, গণিতের মাঝে জীবনের ভাষা আছে, গণিতে আছে সুন্দর চিন্তা করার উৎস এই জিনিসটা আমরা কখনো ভেবে দেখিনি।
জনপ্রিয় গণিত লেখক "চমক হাসান" ভাই যথার্থই বলেছেন "সুন্দর চিন্তা করা অনেক আনন্দের ব্যাপার। খাবারের সংস্থান থাকলে শুধু চিন্তার আনন্দেই একটা অর্থবহ জীবন পার করে দেয়া যায়। আর গণিত হলো গুছিয়ে চিন্তা করার ভাষা, বিজ্ঞানের ভাষা"
আবদুল কাদের, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের একজন ছাত্র, সম্প্রতি "সংখ্যা-সাহিত্য: গণিতের অভ্যন্তরীণ রহস্য" শিরোনামে একটি বই লিখেছেন। অনুজ প্রকাশনা দ্বারা ১৫ই জানুয়ারী প্রকাশিত, এই বইটির লক্ষ্য গণিতের আশে-পাশের রহস্য উন্মোচন করা, যা একটি অনন্য প্রস্তাব দেয়।
বিষয়ের উপর দৃষ্টিভঙ্গি আখ্যানে, আবদুল কাদের বইটি লেখার পিছনে তার প্রেরণা শেয়ার করেছেন, গণিত একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় যা সাধারণ ধারণাকে সম্বোধন করেছেন। তিনি গাণিতিক ধারণাগুলিকে রহস্যময় করার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন, মূল্যবোধের গঠন এবং পিছনের নির্ভুলতার উপর আলোকপাত করেছেন।
বইটি একটি গাইড হিসাবে কাজ করে, গণিতের জগতে অসংখ্য রহস্য সমাধান করে, এবং ছাত্রদের দ্বারা প্রায়ই সম্মুখীন হওয়া ভুল ধারণাগুলি দূর করা লক্ষ্য করে। লেখক গণিতের সৌন্দর্যের দিকেও খোঁড়াখুঁড়ি করেছেন, পাঠকদের মোহিত করার উদ্দেশ্যে।
আবদুল কাদের, তার বইয়ের উদ্দেশ্য বর্ণনা করে, এটি প্রকাশ করে যে এটি কেবল ভুল ধারণাকেই স্পষ্ট করে না বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিতের প্রতি আগ্রহের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন যে দৈনন্দিন জীবনে গণিতের ব্যবহারিক প্রয়োগগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বইটি এই ব্যবধান পূরণ করার চেষ্টা করে।
তিনি বলেন, "এই বইটি একজন শিক্ষার্থীকে গণিতের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে সাহায্য করবে এবং সেই সাথে গণিত কীভাবে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করতে পারে তার যাত্রার প্রতিফলন করে।
আব্দুল কাদের শেয়ার করেছেন যে গণিতের প্রতি তার আকর্ষণ শৈশব থেকেই শুরু হয়েছিল, যা তাকে আজীবন অন্বেষণে প্ররোচিত করেছিল। তার লক্ষ্য হল ছাত্রদের সেই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজে পেতে সহায়তা করা, যা তাকে যৌবন থেকে কৌতূহলী করেছে। সামনের দিকে তাকিয়ে তরুণ লেখক তার গাণিতিক ধারণাগুলির অন্বেষণ চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখার কল্পনা করেছেন। আব্দুল কাদেরের বর্ণনা গণিতের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির তাৎপর্য এবং ছাত্র ও পাঠকদের উপর একইভাবে তার কাজের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।