a
ফাইল ছবি
নতুন সিনেমার শুটিং এ ক্যাটরিনা কাইফের সাথে রাশিয়ায় আছেন বলিউডের ভাইজানখ্যাত সালমান খান। সিনেমার নাম ‘টাইগার থ্রি’। টাইগার সিরিজের তৃতীয় সিরিজ এটি। প্রথম থেকে উত্তেজনার তুঙ্গে ছিল এই সিরিজের। দর্শকরা অনেকদিন পর পর্দায় দেখতে পাবেন সালমান-ক্যাটরিনা জুটি। তার মধ্যে টাইগার সিরিজ। সবমিলিয়ে বেশ আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সাল্লু ভাইয়ের ভক্তরা।
এরই মধ্যে ভাইজান ভক্তদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি। এতে সালমান খান নিজে এক ভিন্নলুকে নিজে উপস্থাপন করেছেন। ছবিতে সোনালি রঙের চুল আর দাঁড়িতে দেখা গেছে সালমান খানক। নেট দুনিয়ায় প্রকাশের পর মূহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় ছবিগুলো। তা থেকেই ধারণা করা যাচ্ছে, সালমান খানের ভক্তদের উচ্ছ্বাস।
এদিকে, রাশিয়াসহ মোট চারটি দেশে শুটিং করবেন সালমান-ক্যাটারিনা। শুটিং চলবে প্রায় ৪৫ দিন। আলোচিত এ সিনেমাটি নির্মাণ করছেন মণীশ শর্মা। গত বুধবার (১৮ আগস্ট) চাটার্ড বিমানে করে রাশিয়া গেছেন সালমান-ক্যাটরিনা। তাদের সঙ্গে ছিলেন প্রযোজক আদিত্য চোপড়া ও পরিচালক মনীশ শর্মা। রাশিয়া ছাড়াও অস্ট্রিয়া ও তুরস্কে হবে সিনেমার শুটিং।
করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুটিংয়ের পরিকল্পনা করছে টিম। এ সিনেমায় দুদার্ন্ত সব অ্যাকশন থাকছে। যা আগে কোনো বলিউডের সিনেমায় দেখা যায়নি। সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন পরিচালক মনীশ শর্মা।
ফাইল ছবি
নুসরাত জাহান টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাংসদ। তিনি অন্তর্বাস না পরেই বোল্ড ফটো শুট করেছেন। তার সেসব ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নেটজনতার আশালীন আক্রমণ করেন।
নুসরাতের ছবিতে চোখ বুলালে দেখা যাচ্ছে যে, আকাশি রঙের ডিজাইনার লং স্কার্ট ও হলুদ জ্যাকেটে আকর্ষণীয় পোজ দিয়েছেন। খোলা চুলে তাকে উদাসীন লাগছে। ছবিগুলো দেখে সমালোচনায় মেতে উঠেন নেটাগরিকরা। তবে প্রিয় নায়িকার এমন সাহসী ফটোশুটে প্রশংসাও করেছেন তার অনেক অনুরাগীরা।
তবে কোন ধরণের ট্রোলডকে পাত্তা দেন না নুসরাত। তাই এ ধরণের আক্রমণের কোন জবাব দেননি তিনি। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নুসরাত। সূত্র- জি নিউজ
ফাইল ছবি
তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশিদ পুলিশ সুপার থেকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। রোববার (০২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
তিনি ছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশের মোট ১৭৫ জন কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন। এদের মধ্যে ডিসি হারুনসহ সাতজন পুলিশ সুপার থেকে অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন।
এছাড়া ৬৩ জনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সুপার পদে ও ১০৫ জনকে সহকারী পুলিশ সুপার(এএসপি) থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়া সাতজন হলেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নূরুল ইসলাম, ডিএমপির উপ-কমিশনার (এডমিন) মো. আনিসুর রহমান, ডিএমপির উপ-কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার।
এছাড়াও পদোন্নতি পেয়েছেন পুলিশের বিশেষ শাখা এসবির পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান, পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক শেখ রফিকুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশীদ কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার হোসেনপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা- আবদুল হাসেম, মাতা-জহুরা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স, এমএসএস এবং এলএলবি (জাবি) থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করেন হারুন।