a ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে পুলিশের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে পুলিশের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৯ জুন, ২০২৪, ০৮:২২
ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে পুলিশের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে পুলিশের গুলিতে আরেক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মনিরুল ইসলাম। শনিবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। খবর শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, নিহত কনস্টেবল মনিরুল ও কাউসার আহমেদ ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে কর্তব্যরত ছিলেন। হঠাৎ তারা নিজেদের মধ্যে বাক-বিতন্ডায় ঝড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে কনস্টেবল কাউসার নিজের সঙ্গে থাকা রাইফেল দিয়ে গুলি করেন কনস্টেবল মনিরুলকে। গুলির বিকট শব্দে ডিপ্লোমেটিক এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।  ঘটনাস্থলেই মনিরুলের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া জাপান অ্যাম্বাসির ড্রাইভার সাজ্জাদ হোসেন গুলিবিদ্ধ হন এবং তিনি বর্তমানে ইউনাইটেড হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ফিলিস্তিন দূতাবাসের এক নিরাপত্তারক্ষী বলেন, ঘটনার সময় আমরা দূতাবাসের ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ ৭ থেকে ৮ রাউন্ড গুলির শব্দ শুনে আমরা বাইরে আসি। বাইরে আসার পর কাউসারকে দেখি ফিলিস্তিনি দূতাবাসের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর একটু দূরেই পড়ে ছিল মনিরুলের মরদেহ। তখন আমরা কাউসারকে জিজ্ঞেস করি, কী হয়েছে। তখন তিনি বলেন ‘শালা (মনিরুল) নাটক করতাছে এমনি মাটিতে পড়ে আছে।’ এই কথা বলে কাউসার দূতাবাসের বিপরীত পাশে রোডে চলে যায়‌। এরই মধ্যে সবাই বুঝে যায়, কাউসারই মনিরুলকে গুলি করেছে। এরপর ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা কাউসারকে আটক করেন এবং দায়িত্বরত পুলিশ বলছেন আক্রমণকারী কনস্টেবলকে নিরস্ত্র করা হয়েছে। বিস্তারিত ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে জানানো হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় মারা সেই ছাত্রকে সংশোধনাগারে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩, ০৫:৩৭
শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় মারা সেই ছাত্রকে সংশোধনাগারে

ফাইল ছবি

চুয়াডাঙ্গার ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় মারা সেই ছাত্র আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

সদর থানায় দায়ের করা মামলা মঙ্গলবার দুপুরে জামিন পেতে চুয়াডাঙ্গার শিশু আদালতে আত্মসমর্পণ করে ওই ছাত্র। এ সময় আদালতের বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

চুয়াডাঙ্গার সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট আবু তালেব বিশ্বাস জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষকের করা মামলায় ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী শিশু আদালতে আত্মসমর্পণ করে।

আদালতের বিচারক মুসরাত জেরিন উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে আসামিকে সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে রবিবার চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে দশম শ্রেণির এক ছাত্রের খাতা কেড়ে নেওয়ায় তার হাতে লাঞ্ছিত হন দায়িত্বরত শিক্ষক। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত কমিটির কাজ চলমান রয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, শিক্ষককে মারধর করা গর্হিত অপরাধ। এ বিষয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনাকে ছোট করে দেখার উপায় নেই এবং কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ১০:৩৯
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ফাইল ছবি

‘কুমিল্লায় কোরআন অবমাননা’র খবরকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলরা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। তিনি বলেন, কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। সবাই ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।

বুধবার (১২ অক্টোবর) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত জরুরি ঘোষণায় তিনি এই আহ্বান জানান।

জরুরি ঘোষণায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননা সংক্রান্ত একটি খবর আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। খবরটি খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশে কেউ যদি এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকে তাহলে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না।

প্রসঙ্গত, এর আগে কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দীঘির উত্তর পাড়ে রাস্তার পাশে নির্মিত একটি পূজামণ্ডপে হনুমানের মূর্তির পায়ের উপরে পবিত্র কোরআন রেখে অবমাননার খবর ছড়িয়ে পড়লে নগরজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) সকালে প্রাতঃভ্রমণকারী লোকজন বিষয়টি দেখে থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে হনুমানের পায়ের উপর থেকে একখানা পবিত্র কোরআন শরীফ উদ্ধার করে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেছেন, ‘আমরা পবিত্র কোরানের মর্যাদা বুঝি। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা আমাদের বলেছেন, পূজা বন্ধ রাখতে। আমরা তাদের পূজা চালিয়ে যেতে বলেছি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ইসলামেও কারও ধর্ম পালনে বাধা দেওয়ার বিধান নেই।’

এ বিষয়ে কুমিল্লাহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনওয়ারুল আজিম বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা অব্যাহত আছে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - অপরাধ