a ৫ হাজার আপত্তিকর লিংক সরানো হয়েছে ফেসবুক থেকে: বিটিআরসি
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

৫ হাজার আপত্তিকর লিংক সরানো হয়েছে ফেসবুক থেকে: বিটিআরসি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:২৩
৫ হাজার আপত্তিকর লিংক সরানো হয়েছে ফেসবুক থেকে: বিটিআরসি

গত এক বছরে ফেসবুক থেকে আপত্তিকর কনটেন্ট গণ্য করে প্রায় ৫ হাজার লিংক সরিয়েছে বিটিআরসি। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিটিআরসির কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত এক বছরে প্রায় ১৮ হাজার ৮৩৬টি লিংক অপসারণের জন্য ফেসবুকের কাছে অনুরোধ করা হয়। যার মধ্যে ৪ হাজার ৮৮৮টি লিংক অপসারণ করা হয় এবং এখনও ১৩ হাজার ৯৮৪টি লিংক একটিভ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসি কর্তৃক প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যানে আরও জানানো হয়, ইউটিউবের কাছে ৪৬১টি লিংক অপসারণ করার অনুরোধ করলে সেখানে ৬২টি লিংক অপসারণ করা হয়। এখনও ৩৬৯টি লিংক অ্যাকটিভ রয়েছে।

সম্মেলনে পরিসংখ্যান উপস্থাপনকালে বিটিআরসির সিস্টেম এন্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ জানান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের নির্দেশনা মোতাবেক সাইবার থ্রেট ডিটেকশন এন্ড রেসপন্ড (সিটিডিআর) নামের একটি কারিগরি সিস্টেম ইতোমধ্যে প্রায় ২২ হাজারেরও বেশি পর্ণোগ্রাফি এবং জুয়ার সাইটে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। 

এছাড়াও এই সিস্টেমের মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যম থেকে ১ হাজার ৬০টি ওয়েবসাইট বা আপত্তিকর কনটেন্টের লিংক অপসারণ করা হয়েছে। যা এই সিস্টেমে অনুরোধের শতভাগ কার্যক্রম বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ ধারা ৮ (১ ও ২) অনুযায়ী ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মহাপরিচাক ডিজিটাল মাধ্যম থেকে কনটেন্ট অপসারণ/ব্লক করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা হলে তারা এ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

৭ জেলায় লকডাউনের ফলে বিচ্ছিন্ন ঢাকা শহর


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১, ১০:৪২
৭ জেলায় লকডাউনের ফলে বিচ্ছিন্ন ঢাকা শহর

সংগৃহীত ছবি

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় ঢাকার চারপাশের নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জসহ সাত জেলায় কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) শুরু হয়েছে। মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জও আছে এই লকডাউনের আওতায়।

এই লকডাউন বহাল থাকবে মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত। এতে ঢাকা প্রায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
 
ইতিমধ্যে ঢাকা থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করা দূরপাল্লার বাসও বন্ধ রয়েছে। এই জেলাগুলোর মধ্যে যেগুলোতে ট্রেন চলাচল করে, সেখানে বন্ধ থাকবে।

গত সোমবার রাতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিটিএ) জানিয়েছে যে, কঠোর লকডাউন দেয়া ৭টি জেলার মধ্যে ছাড়াও ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
 
অন্যদিকে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।

সোমবার রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সরকার যে সাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা দিয়েছে, তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, রাজবাড়ী জেলায় রেল যোগাযোগ রয়েছে। এই তিনটি জেলায় ট্রেনে যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে। এসব জেলায় ট্রেন থামবে না। গাজীপুরে ক্রসিংয়ে ট্রেন থামলেও যাত্রী ওঠানামা করতে পারবে না। বাকি চারটি জেলা-মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, গোপালগঞ্জে ট্রেন যোগাযোগ নেই।

সোমবার (২১ জুন) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করা হয়েছে।

লকডাউন চলাকালে সার্বিক কার্যাবলি চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) সকাল ৬টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় শুধু আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক/লরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সকল নাগরিকের জন্য বৈষম্যহীন এবং সমতাভিত্তিক ওয়াশ সেবার দাবী


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫, ০৮:৩৮
সকল নাগরিকের জন্য বৈষম্যহীন এবং সমতাভিত্তিক ওয়াশ সেবার দাবী

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওযাশ) খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেওয়া উচিত। জোর দাবী জানানো হয় যেন সকল নাগরিকের জন্য বৈষম্যহীন এবং সমতাভিত্তিক ওযাশ সেবা নিশ্চিত করা হয়। সোমবার (১৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।

পিপিআরসি, ওযাটারএইড, এমএইচএম প্লাটফর্ম, ফানসা, এফএসএম নেটওয়ার্ক, স্যানিটেশন অ্যান্ড ওয়াটার ফর অলসহ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা এবং সংস্থাসমূহের নেটওয়ার্ক অফ ওয়াশ নেটওয়ার্ক্স যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও পিপিআরসি'র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, এটা সর্বজনস্বীকৃত যে একটা দেশের নাগরিকদের পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেবার প্রাপ্তি একটি জন্মগত অধিকার। এই সেবাগুলো নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে, সামাজিক উন্নয়ন টেকসই করে এবং জলবায়ু সহনশীল পেশা নির্বাচন ও উদ্ভাবনী ওয়াশ সমাধানের মাধ্যমে পরিবেশগত অবক্ষয় রোধ করে। বাংলাদেশ সরকার ওযাশ খাতে একাধিক নীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে—যেমন, সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান (SDP) ২০১১–২০২৫ এবং ২০২১ সালের জাতীয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন কৌশলপত্র।

তিনি আরও বলেন যে, ২০১৬–১৭ অর্থবছর থেকে ওয়াশ খাতে বরাদ্দে যে ঊর্ধ্বগতি দেখা গিযেছিল, তা ২০২৩- ২৪ অর্থবছরে ব্যাহত হয় এবং ২২.৪৬% হ্রাস পায়। এই নেতিবাচক প্রবণতা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৬ (SDG) এবং জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা (NPTs ১৭–১৮) অর্জনের ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ওযাশ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৮২.২৮ বিলিয়ন টাকা, যা ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ২৩% হ্রাস পেয়ে ১৩৯.৭২ বিলিয়ন টাকায় দাঁড়ায। যদিও সংশোধিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বরাদ্দ কিছুটা বেড়ে ৭.২২% বৃদ্ধিসহ ১৪৯.৮১ বিলিয়ন টাকা হয়, এরপর ২০২৪– ২৫ অর্থবছরে তা ২২.৪৬% হ্রাস পেয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন যে, এই ধারাবাহিক নিম্নগামী প্রবণতা এদেশের নাগরিকদের নিরাপদ পানি এবং নিরাপদ স্যানিটেশন সেবার অধিকার নিশ্চিতকরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে এডিপি- ভিত্তিক ওয়াশ খাতে বরাদ্দের নেতিবাচক প্রবণতা তুলে ধরা হয়েছে। ওযাশ খাতে বিনিযোগে শহর ও গ্রামের মধ্যে যে ব্যবধান ছিল, তা এখনো প্রকট, যা সমতার নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। এডিপি বাজেটে ওয়াশ খাতের বরাদ্দে শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি এন্ড এডভোকেসি লিড ফাইয়াজউদ্দিন আহমদ এডভোকেট বলেন যে, বাজেটে পাহাড়ি, উপকূলীয ও হাওর অঞ্চলের জন্য বরাদ্দে কোন ধারাবাহিকতা নেই। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উপকূলীয অঞ্চলের বরাদ্দ কিছুটা বৃদ্ধি পায় নতুন প্রকল্পের কারণে, তবে এসকল এলাকার মধ্যে ন্যায্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এই ধারা সরকার ঘোষিত সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানি ও নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশনের (NPTs ১৭ ও ১৮) প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ক্লাইমেট জাস্টিস এলায়েন্সের সুমাইয়া বিনতে আনোয়ার বলেন যে, ২৫টি মন্ত্রণালয জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (CCTF) এবং এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ওযাশ সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও মাত্র ১৩টা মন্ত্রণালয ওযাশ খাতে বিনিযোগকে অগ্রাধিকার দেয় দিয়ে আসছে। তবে প্রশংসনীযভাবে, জলবায়ু-সম্পর্কিত ওযাশ বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কিছু মন্ত্রণালয় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও অন্যান্য অভিযোজন কর্মসূচি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ইন্টারন্যাশনাল ওয়াটার এলায়েন্সের মোহাম্মদ যোবাযের হাসান জানান যে, ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে বাজেট বাস্তবায়নে সরকারি সামর্থ্যের অভাবে দেরি হয়েছে, ফলে সংশোধিত বাজেটে আংশিক বরাদ্দ প্রত্যাহার করা হয়। গত ৮ অর্থবছরেও পূর্ণ বাজেট ব্যবহার সম্ভব হয়নি। ২০২৩-২৪ বছরের সরকারী এডিপি প্রকল্পের বাস্তবায়ন দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে পূর্ণ বরাদ্দ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।

পিপিআরসি'র মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ বলেন, আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয বাজেটে এডিপি বরাদ্দের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসন এবং সংশ্লিষ্ট সম্প্রদাযের সম্পৃক্ততাকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। চর, হাওর, পাহাড়ি অঞ্চলসহ জলবায়ুগত ঝুঁকির আওতাধীন সুবিধাবঞ্চিত এলাকা এবং নগরগুলোর মধ্যকার বরাদ্দ বৈষম্য নিরসন করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ওয়াশ খাতের জন্য এডিপি'র বরাদ্দ ওঠানামা এবং কম আনুপাতিক বৃদ্ধির প্রবণতা দেখায়। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাতে (এমডিজি) ওয়াশ খাতের তুলনায় এসডিজি যুগের ওয়াশ খাতের লক্ষ্যমাত্রা আরও জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং।

সম্মেলনে নেটওয়ার্ক অফ ওয়াশ নেটওয়ার্ক্স এর পক্ষ থেকে উপস্থাপিত প্রধান দাবীগুলো হচ্ছেঃ

১। শহর-গ্রাম, মাধ্যমিক ছোট শহর ও দুর্গম অঞ্চলে বৈষম্যহীন ওয়াশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। এডিপি-তে ওযাশ উপ-খাতসমূহ (পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যবিধি) এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসমূহ (এফএসএম, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পসমূহ) সঠিক অনুপাতে ও ন্যায্যভাবে বাড়াতে হবে।

২। অন্তর্ভুক্তিমূলক ওয়াশ বিনিযোগকে উৎসাহিত করতে হবে যাতে তা নারীর অধিকার এবং প্রান্তিক ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য (চা-শ্রমিক, বেদে, দলিত, হরিজন, জলদাস/জেলেরা প্রভৃতি) ন্যায্য বরাদ্দ নিশ্চিত করতে পারে।

৩। প্রকল্প বাস্তবাযননে সক্ষমতা বাড়াতে হবে যাতে সমযমতো বাজেট ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ কমে যাওয়া কমানো যায়।

৪। ওয়াশ বাজেট বাড়ানো ও এডিপি বৃদ্ধির সম্প্রসারণের মধ্যে সামঞ্জস্য করতে হবে যাতে হুট করে ওয়াশ বাজেট ওঠানামা এড়ানো যায়।

৫। জলবায়ু অর্থায়নের আওতায় সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে (মোট ২৫টি) ওযাশ-কেন্দ্রিক প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ঝুঁকি অবহিতকরণ এবং জনগোষ্ঠীকে সংযুক্ত (আরসিসিই) করণ বিষয়ক মেথড যথাযথভাবে প্রযোগ করতে হবে, যার মধ্যে জনগণের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়