a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৩২ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ হাজার ৭৭৮ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৮৪৮৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৪২ জন।
আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৪৫০৯ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪২২ জন।
সংগৃহীত ছবি
যে সব পেশাজীবি ব্যক্তিগণ সরাসরি স্বাস্থ্য ও ওষুধ নিয়ে কাজ করেন মূলত তারাই ফার্মাসিস্ট হিসেবে বিবেচিত। ফার্মাসিস্ট পেশার মধ্যে রয়েছে ওষুধ তৈরি, ডিসপেন্সিং রোগীকে ওষুধ সম্পর্কে জ্ঞান, ওষুধবিষয়ক সচেতনতা তৈরি, ওষুধ সংরক্ষণ প্রভূতি কর্মকান্ড। একজন ফার্মাসিস্টের সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্যতম-
১। রোগীকে গুণগত মানসম্পন্ন ওষুধ প্রদান করা।
২। নিয়মনীতি মেনে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
৩। ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী রোগীকে সঠিক ওষুধ প্রদান করা।
৪। ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণের নিয়মাবলী রোগীকে সঠিকভাবে অবহিত করা।
৫। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ডিসপেন্স/বিক্রি না করা।
৬। রোগীকে ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ওষুধ গ্রহণে উৎসাহিত করা।
৭। সব ওষুধ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা, বিশেষভাবে সংরক্ষিতব্য ওষুধের ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ।
একজন ফার্মাসিস্ট কমিউনিটি ফার্মেসীর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় সবচেয়ে বড় ধরণের অবদান রাখতে পারে। কমিউনিটি ফার্মেসী হল স্বাস্থ্য সেবার প্রথম ধাপ। এছাড়া ফার্মাসিস্টরা ওষুধ উৎপাদন, ওষুধ বাজারজাতকরণ, ওষুধ গবেষণা প্রভূতি কাজ করতে পারেন।
বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক পরিচালিত মডেল মেডিসিন শপ স্থাপন ও পরিচালনা প্রশিক্ষণে ফার্মেসিস্টদের ট্রেনিং কোর্স ২০২০-২০২১ইং শিক্ষাবর্ষ অনুষ্ঠিত হয়। করোনাকালে বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল অতি সতর্কতার সাথে কোর্সটি সম্পন্ন করার ব্যাপারে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। বাংলাদেশের সকল জেলার ছাত্র/ছাত্রীরা আগামী ৯ এপ্রিল ফাইনাল পরীক্ষার ব্যাপারে অধীর আগ্রহে অপক্ষো করলেও বর্তমানে করোনার প্রতিকূল অবস্থায় তারা চিন্তিত। তারা আশা করেন, বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল বিষয়টি গুরত্বপূর্ণ বিবেচনা করে সত্ত্বর সার্বিকভাবে অবহিত করবেন।
বি.দ্র. ২০২০-২১ ছাত্র/ছাত্রীরা গুরত্বপূর্ণ তথ্য জানতে/জানাতে লিংক-এ ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/Pharmacist-c-Students-Forum-102024211981313
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জন মানুষের যে তালিকা সরকারকে দিয়েছিল জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ, সেই তালিকার ৩৫ জনকে সরকার এমনিতেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুঁজছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক সেমিনারে মন্ত্রী একথা জানান।
বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের আর্থসামাজিক অবস্থান ও নিরাপত্তা: ভিশন ২০৪১’ শীর্ষক সেমিনারে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। তাতে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সূত্র দিয়ে বলা হয়, গত ৫ বছরে দেশে ২ হাজার ৮০৩টি হিন্দু বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় আয়োজকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা সম্পত্তি বিনষ্ট করেছে বিস্তারিত তালিকা দেবেন।
হিন্দু বাড়িঘর ও সম্পত্তিতে হামলার সংখ্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী গুমের প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, গুমের কথা বলে যে, হাজার হাজার গুম হয়ে গেছে। তালিকা চাইলাম, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ৭৬ জনের তালিকা দিল। এর মধ্যে ১০ জন বিএনপির কর্মী। তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন। আর ৩৫ জনকে আমরা নিজেরাই খুঁজছি। বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কাজ, মানুষ হত্যা, সম্পদ পুড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের খুঁজছি। একজন আবার জেলে অবস্থান করছে।
গত বছর জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জনের একটি তালিকা বাংলাদেশ সরকারকে দেয়। এ বিষয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপে আলোচনা হয়। গত ১৪ আগস্ট জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট ঢাকা সফরে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই তালিকা নিয়ে কথা বলেন। সূত্র: যুগান্তর