a দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর করোনা শনাক্ত হলে বুস্টার ডোজ নেওয়া যাবে ৬ সপ্তাহ পর
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ মাঘ ১৪৩২, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর করোনা শনাক্ত হলে বুস্টার ডোজ নেওয়া যাবে ৬ সপ্তাহ পর


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২, ০৭:৫৩
দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর করোনা শনাক্ত হলে বুস্টার ডোজ নেওয়া যাবে ৬ সপ্তাহ পর

সংগৃহীত ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেছেন, টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর কারও করোনা শনাক্ত হলে সুস্থ হওয়ার ছয় সপ্তাহ পর বুস্টার ডোজ নেওয়া যাবে।

রবিবার (৩০ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, যারা টিকার দুই ডোজ নেওয়ার পর বুস্টার ডোজের অপেক্ষায় আছেন, তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে টিকা নিতে পারবেন না। এ জন্য তাদের কমপক্ষে ছয় সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। এছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ দিন আইসোলেশনে থাকার পর কোনো উপসর্গ না থাকলে নেগেটিভ সনদ ছাড়াই কাজে যোগ দেওয়া যাবে।

করোনা টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার ন্যুনতম বয়স কমিয়েছে সরকার। এখন থেকে ৪০ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীরা বুস্টার নিতে পারবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কুয়াশাচ্ছন্ন ঠান্ডার সকালেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:৩০
কুয়াশাচ্ছন্ন ঠান্ডার সকালেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

ফাইল ছবি

আজও বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় রাজধানী ঢাকার অবস্থান ৪ নম্বরে দেখা গেছে। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিলো ১৯৮, যা বাতাসের মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে নির্দেশ করে।

ঢাকায় আজ সকাল থেকেই কুয়াশার সঙ্গে শীতের তীব্রতা বেড়েছে অনেক, সূর্য্যেরও দেখা নেই। এমন অবস্থাতে ধুলাবালি-ধোঁয়া কম থাকার পরও ঢাকার বাতাস স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

একই সময়ে ২৭২ স্কোর নিয়য়ে তালিকায় প্রথম স্থানে আছে ভারতের শহর কোলকাতা। এই শহরের বাতাস আজ ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। ২২৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে পাকিস্তানের করাচি।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার দূষিত বাতাসের শহরের তালিকা প্রকাশ করে। বাতাসের মান প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হতে থাকে। সে অনুযায়ী আইকিউ এয়ারের সূচক আপডেট হতে থাকে।১৫১-২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

এছাড়া ২০১-৩০০ একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ ও ৩০১-৪০০ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জবির ডে-কেয়ার সেন্টার খালিই পড়ে থাকে


সিয়াম, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২০ জুন, ২০২২, ০৯:০৮
জবির ডে-কেয়ার সেন্টার খালিই পড়ে থাকে

ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিশুদের জন্য ডরমিটরি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টার চালু রয়েছে। সেন্টার পরিচালনার জন্য তিনজন স্টাফ, একজন ক্লিনার, একজন সুপারভাইজারও আছেন।  ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। সেখানে শিশুদের জন্য থাকা, খাওয়া, ঘুমানো, প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, খেলাধুলা, বিনোদন ও প্রি-স্কুল সুবিধা থাকলেও যথেষ্ট প্রচার কিংবা প্রশাসনের উদ্যোগের কারনে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ২০১৮ সালের মে মাসে চালু হওয়া ডে-কেয়ার সেন্টারে ২৫-৩০ জন বাচ্চা রাখা গেলেও পাওয়া যায় ৮-১০ জনকে।

সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির চলমান একটি জরিপে (অনলাইন) দেখা যায়, ৭২ শতাংশ শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারী জানেন না যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডে কেয়ার আছে! মাত্র ২৫ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ডে-কেয়ার নিয়ে অবগত আছেন। ডে-কেয়ারের কথা জেনেও বিভিন্ন বিষয় চিন্তা করে বাচ্চা রাখতে অপারগ এক শতাংশ গোষ্ঠী। বাকি ২ শতাংশ কোনো মতামত দেননি।

জবি ডে-কেয়ার সেন্টারের আহ্বায়ক ড. আবদুস সামাদ বলেন, ইতোমধ্যে প্রতিটি বিভাগে নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিভাগের দায়িত্ব নোটিশগুলো সবাইকে জানিয়ে দেওয়া। কিছু বিভাগের দায়িত্বহীনতায় নোটিশগুলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছায় না।

ডে-কেয়ারের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে সুপার ভাইজার শাকিলা জামান সুবর্ণা বলেন, কেউ চাইলে দৈনিক ৩শ টাকার বিনিময়ে ফুলটাইম বাচ্চা রাখতে পারবে। ১-২ বছরের শিশুদের জন্য মাসে ২ হাজার ও ২-৫ বছরের শিশুদের জন্য মাসে ১ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ রাখা হয়। ভর্তি ছাড়া খণ্ডকালীন সময়ের জন্য আলাদাভাবে ফি দেওয়া যায়। তিনি আরো বলেন, এখান থেকে বাচ্চাদের খাবার দেওয়া হয় না। তাদের বাসা থেকে যা দেওয়া হয় তাই খাওয়ানো হয়। কেউ অসুস্থ হলে আমরা জরুরি ভিত্তিতে তার বাবা-মাকে জানাই এবং সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিই। এক কথায় গোসল থেকে ঘুম পাড়ানো পর্যন্ত সব কিছুর দায়িত্ব ডে কেয়ার সেন্টার পালন করে।

আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট (জবি) এর প্রভাষক অর্পিতা হক জানান, ডে-কেয়ার সম্পর্কে অল্প কিছুদিন হলো অবগত হয়েছি। ডে-কেয়ারে গিয়ে সেখানকার পরিবেশ ভালো লাগায় আমার বাচ্চাকে রাখার পরিকল্পনা করছি।

সম্প্রতি জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মেয়েকে কোলে নিয়ে পরীক্ষা হলে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক কামরুল ইসলাম। মূলত এর পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডে-কেয়ার সেন্টারের বিষয়টি সামনে চলে আসে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য