a সারাদেশে ডেঙ্গু প্রকোপ আকার ধারণ করছে; স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

সারাদেশে ডেঙ্গু প্রকোপ আকার ধারণ করছে; স্বাস্থ্যমন্ত্রী


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩, ০৭:৪২
সারাদেশে ডেঙ্গু প্রকোপ আকার ধারণ করছে; স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি

সারাদেশে ডেঙ্গু প্রকোপ আকার ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। রোববার (৩০ জুলাই) সকালে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ডেঙ্গু প্রকোপ আকার ধারণ করেছে। এখন পর্যন্ত দেশে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং ৪৫ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। সরকার ডেঙ্গু মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। 

হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য সব ধরনের ওষুধ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আলাদা রুম রাখা হয়েছে। ডাক্তার-নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ৫০ টাকা দিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা যাবে। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ আপনারা বাড়িঘর পরিষ্কার রাখবেন। মশা কমে গেলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাবে।

এ সময় সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনায় (১৯জুলাই) মৃত্যু ২৩১, শনাক্ত ১৩৩২১ এবং সুস্থ ৯৩৩৫


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ০৫:৪৭
করোনাভাইরাসের সর্বশেষ তথ্য

করোনাভাইরাস

গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৩১ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ হাজার ১২৫ জন।
 
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৩,৩২১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১১ লাখ ১৭ হাজার ৩১০ জন।
 
আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৯৩৩৫ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৩ জন।

উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ হাজার ১২টি। শনাক্তের হার ২৯.৫৯ শতাংশ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একটি নতুন মডেল সেনাবাহিনী জাতীয় ক্ষমতার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ: কর্নেল (অব.) আকরাম


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০২:৪৮
একটি নতুন মডেল সেনাবাহিনী জাতীয় ক্ষমতার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ কর্নেল আকরাম

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী জাতীয় ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি একটি জাতির মেরুদণ্ড ও শক্তি হিসেবে বিবেচিত। যদি সেনাবাহিনীর প্রকৃত পেশাদার চরিত্র না থাকে, তবে এটি সঙ্কটের সময় কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয় এবং একটি জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও যুদ্ধের সময় শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করার চেতনা এবং মনোবলকে আরও বেশি মূল্যবান হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।  

একটি প্রকৃত পেশাদার সেনাবাহিনী গড়ে তোলা অত্যন্ত কঠিন কাজ, আর একটি দরিদ্র জাতির জন্য একটি মডেল সেনাবাহিনী গঠন করা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং। স্বাধীনতা যুদ্ধের দিন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ধারাবাহিক বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে এসেছে। গত ৫৩ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও এর পেশাদার মান অর্জনের অগ্রযাত্রা থামানো যায়নি। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে সেনাবাহিনী কঠিন সময় পার করেছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি নতুন আধাসামরিক বাহিনী গঠন করা হয়। তখনকার সরকার সেনাবাহিনীকে পুরোপুরি উপেক্ষা করলেও তারা কখনোই মনোবল হারায়নি।  

বর্তমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৃত ভিত্তি গড়ে উঠেছে জিয়াউর রহমানের আন্তরিক প্রচেষ্টায়। একটি আধুনিক পেশাদার সেনাবাহিনী হিসেবে একে যথাযথ রূপ দিতে জিয়াউর রহমানের বিশাল অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। এরশাদও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি, অভিজ্ঞ ও পেশাদার কর্মকর্তাদের অবদান অগ্রাহ্য করা যায় না এবং তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।  

বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি পেশাদার, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাহিনী, যারা যে কোনো সময় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রস্তুত। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক ভূমিকা দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং এটি আবারও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। পুরো জাতি সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ এবং শত্রুর মোকাবিলায় প্রস্তুত।  

সাম্প্রতিক অতীতে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সেনাবাহিনী রাজনৈতিক চাপে জর্জরিত ছিল। অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা শাসক দলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং জনগণের প্রতি তাদের দেশপ্রেমিক অঙ্গীকার ভুলে গিয়েছিলেন। তবে বর্তমান সেনাপ্রধান দূরদর্শী ও বাস্তববাদী সামরিক নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে সামলানোর জন্য তার পরিপক্ব নেতৃত্বের প্রশংসা পাওয়া উচিত। ভবিষ্যতেও তার নেতৃত্বের প্রতি জাতির যথেষ্ট আস্থা রয়েছে।  

যদিও বর্তমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি প্রকৃত যুদ্ধযন্ত্র হিসেবে গড়ে তুলতে কিছু সংস্কারের প্রয়োজন। সম্ভাব্য শত্রুর হুমকির প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের হাতে সময় খুবই সীমিত; বর্তমান সেনাবাহিনীকে একটি মডেল বাহিনীতে পরিণত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।  

একটি "মডেল সেনাবাহিনী" বলতে বোঝায় একটি উচ্চ পেশাদার সেনাবাহিনী, আর উচ্চ পেশাদার সেনাবাহিনী মানে একটি পেশাদার অফিসার কোর। যদি অফিসাররা পেশাদার হন, তবে সেনাবাহিনীও অবশ্যই পেশাদার হবে।  

পেশাদার অফিসার কোর গড়ে তোলা একটি জটিল কাজ এবং এর জন্য বেসামরিক ও সামরিক ক্ষেত্রের সমন্বিত চিন্তাভাবনা প্রয়োজন। যুদ্ধ একটি বেসামরিক ও সামরিক যৌথ প্রচেষ্টা; একতরফা প্রচেষ্টা পেশাদার অফিসার তৈরিতে ভালো ফল দিতে পারে না।  

"নতুন বাংলাদেশ" এর জন্য একটি "নতুন মডেল সেনাবাহিনী" গড়তে আমাদের দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য আমাদের হাতে এখনো কিছু অভিজ্ঞ যুদ্ধ-বীর এবং পেশাদার বেসামরিক কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা এই প্রকল্পে সহযোগিতা করতে পারেন। কিন্তু এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক যে আমাদের চারপাশে মেধাবী ও অভিজ্ঞ মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এখনই সময়, নয়তো পরে আর সুযোগ থাকবে না।  

লেখক: প্রফেসর ড. এস কে আকরাম আলী: সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইনের অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য