a একীভূত হল অগমেডিক্স এবং কমিউর - সর্বোচ্চ মানে উন্নীত হবে এআই সমৃদ্ধ রোগীসেবা তথ্য সংরক্ষণ
ঢাকা সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

একীভূত হল অগমেডিক্স এবং কমিউর - সর্বোচ্চ মানে উন্নীত হবে এআই সমৃদ্ধ রোগীসেবা তথ্য সংরক্ষণ


সাইফুল আলম সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৪, ০২:৪৪
একীভূত হল অগমেডিক্স এবং কমিউর - সর্বোচ্চ মানে উন্নীত হবে এআই সমৃদ্ধ রোগীসেবা তথ্য সংরক্ষণ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা:  প্রযুক্তিগত স্বাস্থ্যসুরক্ষা বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান প্রতিষ্ঠান কমিউর একই ধারার আরেকটি কোম্পানি অগমেডিক্সকে অধিগ্রহণ করেছে।  এই দুই কোম্পানি একীভূত হয়ে রোগীদের তথ্যসংরক্ষণকে এখন এআই সমৃদ্ধ করে আরো সুচারু ও অধিক সেবামূলক করার ক্ষেত্রে আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমৃদ্ধ অগমেডিক্সের প্রযুক্তি এবং কমিউরের বিস্তৃত সেবা এখন এক হয়ে আরো দ্রুত সমাধান এবং উন্নত রোগীসেবা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম স্তরে উন্নীত হবে।  কমিউরের চিফ বিজনেস অফিসার হার্শ সোলাণকি এবং অগমেডিক্সের ফাউন্ডার এবং কমিউরের সিএসও ইয়ান শাকিল সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেন।  তারা কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কিভাবে আরো উন্নত সেবা প্রদান করা যায় সে বিষয়ে কর্মীদের মতামত শোনেন।

ইয়ান শাকিল বলেন, 'অগমেডিক্সে আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কারের মাধ্যমে রোগীদের সেবাপ্রদান আরো সহজ করা। কমিউরের সাথে একীভূত হয়ে এখন সেই সমাধানগুলো আরো বেগবান, ইতিবাচক এবং সেবার মান সর্ব্বোচ্চ করা হচ্ছে।' উল্লেখ্য অগমেডিক্স গত দশ বছর ধরে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং মাত্র ষাটজন দিয়ে শুরু করে এখন প্রায় তেরোশো তরুণের এক বিশাল প্রাণোচ্ছল কর্মীবাহিনী তাদের রয়েছে।  

কমিউরের চিফ বিজনেস অফিসার হার্শ সোলাণকি বলেন, ' অগমেডিক্স রোগীসেবা তথ্য সংরক্ষণ এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপণ করেছে এবং এখন কমিউরের সঙ্গে একীভূত হবার পর তা আরো দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাবে এবং বাণিজ্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।'  

দুই কোম্পানির একীভূত হওয়ার প্রাক্কালে কমিউরের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাশেদ মুজিব তাদের কার্যক্রমকে আরো বিস্তৃত এবং আকর্ষক করার কথা বলেন যা বাংলাদেশের আইসিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের নতুন মাত্রা যোগ করবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দেশীয় অ্যাপে বৈঠক হবে জুমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৫০
দেশীয় অ্যাপে বৈঠক হবে জুমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে

ফাইল ছবি

তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও একটি সুখবর পেল বাংলাদেশ, এখন থেকে বাংলাদেশের মানুষ সকল ধরনের মিটিং, আলাপ-আলোচনা, অনলাইন ক্লাসসহ যাবতীয় কাজ দেশি অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারবেন। যাকে জুম অ্যাপ এর বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে। করোনার কারনের প্রায় ৯০ ভাগ কাজকর্মই জুম বা গুগল মিট দিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে কিন্তু এখন থেকে বাংলাদেশ নির্মিত বৈঠক অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে।

গত রোববার ২৫ এপ্রিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ‘বৈঠক’ অ্যাপে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে এ প্ল্যাটফর্মের শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যবহারের জন্য বৈঠক অ্যাপের প্রথম ১০টি ক্রেডেনশিয়াল হস্তান্তর করা হয়।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে জানান, প্রাথমিকভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠক অ্যাপ ব্যবহার করবে। এরপর সরকারি অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং পরে সর্বসাধারণের জন্য অ্যাপটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

‘বৈঠক’ এর উদ্বোধন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি সফটওয়্যার শিল্পের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এই অ্যাপ। এই অ্যাপের দ্বারা আমরা জুমসহ অন্যান্য অ্যাপের ওপর নির্ভশীলতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবো। এই অ্যাপের ডাটা সংরক্ষণ করা অনেকটা সহজ হবে কারন সমস্ত ডাটা দেশীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে। 

এ সময়  মন্ত্রী বলেন, “তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা যেন আপস না করি। কারণ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময় তথ্যই হয়ে উঠেছে প্রধান চালিকাশক্তি। ডেটার সুরক্ষা নিয়ে আমাদের সকলকে সচেতন থাকতে হবে।”
 
প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন প্রোগ্রামার দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব দ্রুতই ৫০-১০০ জন প্রোগ্রামারের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। এই অ্যাপ ব্যবহারের পাশাপাশি দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অর্থ মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে বৈঠক অ্যাপ নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের পাশাপাশি খুব দ্রুতই  এটা জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।”

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন অনুষ্ঠানে বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা অভ্যন্তরীণ সভাগুলো করতে পারব। ভবিষ্যতে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সভাও করতে পারব, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে।”
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হেফাজত আগুন নিয়ে খেলছে- প্রধানমন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:১২
হেফাজত আগুন নিয়ে খেলছে-প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা হেফাজতের তান্ডবের চিত্র জাতীয় সংসদে তুলে ধরে বলেছেন, হেফাজত আগুন নিয়ে খেলছে। এক ঘরে আগুন লাগলে সেই আগুন অন্য ঘরেও চলে যেতে পারে। সেটা কি আপনাদের হিসেবে নেই। তিনি বলেন, একজন মুসলমানের দায়িত্ব আরেকজন মুসলমানের জানমাল হেফাজত ও রক্ষা করা। কিন্তু হেফাজতের নামে তারা জ্বালাও-পোড়াও করে যাচ্ছেন। পবিত্র ইসলাম ধর্মকে তারা ছোট করে দিচ্ছেন। কিছু লোকের জন্য এই ধর্মে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের নাম জুড়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এসব বরদাস্ত করা হবে না। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। অপকর্মের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গতকাল দুপুরে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের সংক্ষিপ্ত দ্বাদশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি হেফাজতে ইসলামের তান্ডবের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, তাদের কারণে ২৬ মার্চ অনেক মানুষের জীবন গেছে, এর জন্য দায়ী তো তারা। আর বিএনপি-জামায়াত তাদের মদদ দিচ্ছে। এই লজ্জা শুধু বাংলাদেশের জনগণের না, এই লজ্জা পৃথিবীর সব মুসলমানের। 

শেখ হাসিনা বলেন, এরা ধর্মের নামে ব্যবসা শুরু করেছে। এদের এত অর্থ কোথা থেকে আসে? এই বিনোদনের টাকা কোথা থেকে আসে সেটাও একটা প্রশ্ন। হেফাজতের কর্মকান্ড জনগণ দেখেছে। এর বিচার দেশবাসী করবে। আর আইন তার আপন গতিতে চলবে।

সংসদ নেতা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। পবিত্র ধর্মকে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করে দিচ্ছে তারা। তাদের কর্মকান্ডের জন্য বহু মানুষের জীবন গেছে। ২৬ মার্চ অনেক মানুষের জীবন গেছে। এর জন্য দায়ী তো তারা। আমি শুধু এইটুকু বলব, দেশবাসী যেন একটু ধৈর্য ধরেন। আমার কাছে বিস্তারিত তথ্য আছে। আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরেই এগোতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি, সেই সময় যে ঘটনাগুলো ঘটানো হলো এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় যেসময় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি ঠিক সেই সময়, হ্যাঁ আমাদের অনেক বিদেশি অতিথি আসছে। অনেকে বার্তা দিচ্ছেন। ব্রিটেনের রানী থেকে শুরু করে সৌদি বাদশা সবার বার্তা আমরা পাচ্ছি। এত বড় একটা সম্মান বাংলাদেশ পাচ্ছে। সেখানে কারা খুশি হতে পারে নাই? 

২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসার কথা। তাকে আসতে দেওয়া যাবে না, বাধা দেওয়া হলো কেন? হেফাজতের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলাম কর্মসূচি দেয়, তারা কি দেওবন্দে যায় না শিক্ষা গ্রহণ করতে? তারা যদি এ সমস্ত ঘটনা ঘটায় তবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে দেওবন্দে যাবে কীভাবে সেটা কি তারা একবারও চিন্তা করেছে। আমরা তো কওমি মাদরাসায় সনদ দিচ্ছি। তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। তাদের কারিকুলাম ঠিক করে দিচ্ছি। যাতে তারা দেশে-বিদেশে চাকরি পায়, তার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছি। তারপরেও কেন তারা এই তান্ডব ঘটাল? 

প্রথমে বিএনপি তাদেরকে সমর্থন দিচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত জোট কীভাবে সমর্থন দিচ্ছে সেটাই আমার প্রশ্ন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি আসবেন সেখানে তাদের আপত্তি। তিনি বলেন, আমার খুব অবাক লাগে বিএনপির কর্মকান্ড দেখে। প্রথমে খুব আপত্তি হেফাজতের সঙ্গে যত রকমের মদদ দেওয়া এবং জ্বালাও পোড়াও করার যে পরামর্শ সেটাও তারা দিয়েছে। 

পরবর্তীতে যখন দিয়েছিলেন তখন আবার তারা সমর্থন দেয় এদের রাজনৈতিক কোনো আদর্শ নেই। কোনো আদর্শ নিয়ে তারা চলে না। বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালের ২১ মে রাজিব গান্ধী মৃত্যুবরণ করেন। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় আমরা যোগদান করেছিলাম তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তখন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে প্রায় সবাই এসেছিলেন। আমেরিকা থেকে, ব্রিটেনের প্রিন্স চার্লস, ইয়াসির আরাফাতসহ সবাই উপস্থিত। 

ইয়াসির আরাফাত সাহেব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়ালেন খালেদা জিয়া হাত গুটিয়ে বসে থাকলেন। কিন্তু সেই খালেদা জিয়াকে দেখলাম নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার ছবি। সেই হাত যেন আর ছাড়ে না। শুধু তাই না তার সঙ্গে টেলিফোনে তার যে সেই খিলখিল হাসি। তার যে হাসির আওয়াজ সেটাও তো সবার কানে গেছে। আবার যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মোদি সাহেব আসবেন তখন বাধা দেওয়া হয় এবং হেফাজতের সঙ্গে হাত মেলাল কেন? কী ঘটনা ঘটিয়েছে তারা? 

তিনি বলেন, যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করি তখন শুরু করল হেফাজতের তান্ডব। হেফাজত তো একা নয় হেফাজতের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপিও জড়িত। তাদের প্রত্যেকটা কর্মকান্ডে দেখা যায়। হেফাজতের সবাই যে এর মধ্যে জড়িত তাও কিন্তু না। এটাও বাস্তবতা। তারপরেও দেখেছি ২৬ মার্চ হেফাজত একটা গুজব ছড়াল। কী বায়তুল মোকাররমে মানুষ মারা হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তারা ২৬ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত যে সহিংসতা চালায় এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ হেফাজত এবং বিএনপি-জামায়াতের বিবৃতি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিক অংশ। 

২৮ মার্চ হরতাল দিয়ে সারা দেশে পরিকল্পিতভাবে তারা তান্ডব চালায়। আওয়ামী লীগ অফিস, দলীয় নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘর, সরকারি অফিস আদালত, পরিবহনে হামলা ও ভাঙচুর এবং পোড়ানো হয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘর বেছে বেছে পোড়ানো হয়। তারা ছোট শিশুদের সামনে নিয়ে এসেছে। তাদের হাতে লাঠি অস্ত্র এবং সবার ব্যাগের ভিতরে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোরআন শরিফ পুড়িয়ে দিয়েছে। কী ধর্মে বিশ্বাস করে যে তারা কোরআন শরিফ পর্যন্ত পোড়ায়। ইসলাম তো শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্মের নামে এই জ্বালাও পোড়াও এটা কীভাবে আসল। 

২০১৩ সালে দেখেছি বিএনপি-জামায়াত কীভাবে চলন্ত গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। কোনো কিছু হলেই আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বাসায় আগুন দেওয়া। আগুন নিয়ে খেলছে তারা। এক ঘরে আগুন লাগলে তো সেই আগুন অন্য ঘরেও চলে যেতে পারে। সেটা কি তাদের হিসেবে নেই। রেলস্টেশন, ভূমি অফিস, ডিসি অফিস সব জায়গায় তারা আগুন দিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের বাড়িঘর সেগুলোতে যদি আগুন লাগে তখন তারা কী করবে? জনগণ কি শুধু বসে বসে এগুলো সহ্য করবে? 

প্রধানমন্ত্রী এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণার কথা উল্লেখ করে বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। আজই (রবিবার) আমি প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছি। হয়তো মানুষের একটু কষ্ট হবে। কিন্তু মানুষের জীবনটা তো আগে। আগে জীবনটা বাঁচাতে হবে। তিনি বলেন, সবকিছু আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা প্রথমে এক সপ্তাহের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে। আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। আমরা টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু করব। আরও টিকা আনা হবে, টিকা আনার ব্যবস্থা করব।

পার্লারকর্মী নারীকে নিয়ে বিনোদন হেফাজত নেতা মামুনুলের : হেফাজত নেতা মামুনুল হকের একজন পার্লারকর্মী নারীকে নিয়ে সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে বিনোদন করার ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গতকালই (শনিবার) আপনারা দেখেছেন। রিসোর্টে নারী নিয়ে অবস্থান এবং সেখানে হেফাজতের ভাঙচুরের ঘটনা। এদের চরিত্রটা কী তা বলতে চাই না। ধর্ম ও পবিত্রতার কথা বলে অপবিত্র কাজ করে ধরা পড়ে। 

সোনারগাঁয়ে রিসোর্টে হেফাজতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ধরা পড়ল। তা ঢাকার জন্য নানা রকম চেষ্টা করেছে তারা (হেফাজত)। ওই নারীকে মামুনুল হক বউ হিসেবে পরিচয় দেয়। আবার নিজের বউয়ের কাছে বলে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমি এটা বলেছি, মানে এই পরিচয় দিয়েছে। যারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে তারা এরকম মিথ্যা কথা বলতে পারে, অসত্য কথা বলতে পারে? তারা কী ধর্ম পালন করবে, মানুষকে কী ধর্ম শেখাবে? কয়েক দিন আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে, এখন সুন্দরী নারী নিয়ে বিনোদন করতে গেলেন! ইসলাম পবিত্র ধর্ম, সেই পবিত্র ধর্মকে এরা কলুষিত করছে। বিনোদনের এসব অর্থ আসে কোথা থেকে? সূত্র:বিডিপ্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - তথ্য ও প্রযুক্তি

সর্বোচ্চ পঠিত - তথ্য ও প্রযুক্তি

তথ্য ও প্রযুক্তি এর সব খবর