a
ফাইল ছবি: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান মন্তব্য করেছেন জিনগত পরিবর্তনের কারণে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে তিনি সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
অপরদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে যেসব জায়গায় সংক্রমণ বেশি সেসব জায়গায় আংশিক লকডাউনের জন্য সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।’
এদিকে, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, মহামারি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘোষিত ১৮ দফা নির্দেশনা আজ সোমবার থেকে কার্যকর হবে। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে আজ ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। সরকারের এ নির্দেশনা পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া না পর্যন্ত তা ২ সপ্তাহ বলবৎ থাকবে।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: স্মার্টফোন এখন সবারই নিত্যসঙ্গী। যেখানেই যাওয়া হয় এবং কোন কাজ করা হয় তা প্রায় সবই ফ্রেমবন্দি করা হয়।
পছন্দের ছবির পাশাপাশি মোবাইল ভরে উঠছে অপ্রয়োজনীয় ছবি ও ভিডিও। ফোনের স্টোরেজ ভরে গিয়ে হ্যাং হয়ে যাচ্ছে। জরুরি মুহূর্তে কোনো ছবি রাখা যায় না। এমতাবস্থায় কোন ছবি রাখব, আর কোন ছবি ডিলিট করা হবে তা নিয়েও দোটানা। এ পরিস্থিতিতে জেনে নেওয়া যাক— কীভাবে ফোনকে ঠিক রেখে হাজার হাজার অপ্রয়োজনীয় ছবি ডিলিট করা যায়।
মোবাইলের ছবি নিরাপদে গুছিয়ে রাখার সহজ উপায় হলো— ফটো স্টোরেজ সফটওয়্যারের ব্যবহার। আইফোন হলে অ্যাপল ফটো এবং অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল ফটোঅ্যাপ। দুই অ্যাপেই ছবি সুরক্ষিত রাখা যায় এবং অনলাইনে আদানপ্রদানও করা যায়। ফলে ফোনে থাকা ছবি অনায়াসে মুছে ফেলতে পারা যাবে এবং এখানে জমা করা যাবে। এক্ষেত্রে অ্যাপেলে ৫ জিবি আইক্লাউড স্পেস থাকে বিনামূল্যে, এরপরে বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হলে টাকা দিয়ে তা কিনতে হয়। গুগল ড্রাইভে ১৫ জিবি ফটো জমিয়েও রাখা যায়।
এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ থেকে মোবাইলে অটো ডাউনলোড হতে থাকে অপ্রয়োজনীয় ছবি ভিডিও। ফলে ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘অটো-ডাউনলোড’ অপশন বন্ধ করে এই ধরনের সব অপ্রয়োজনীয় ছবি ভিডিও মুছে ফেলা যায়।
ক্যামেরা, ডাউনলোড, হোয়াটসঅ্যাপ ইমেজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছবিগুলো বিভিন্ন অ্যালবাম তৈরি করে রাখলে, তাতে অপ্রয়োজনীয় ছবিগুলো ডিলিট করা সহজ হবে। আর ছবিও খুঁজে পাওয়া সহজ হবে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ফটো: মাশরাফি বিন মুর্তজা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট বক্স নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন সাবেক সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট বক্সে আসলে একজন ক্রিকেটারকে উলঙ্গ করা হয়। পুরো উলঙ্গ করা হয়। এটা উনারাও জানেন। উনারা অস্বীকার করতে পারবেন না। ওখানে আমাদের মানুষরাও থাকেন। ক্রিকেটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত, ভালো সম্পর্কের মানুষও থাকেন। আমরা শুনি।
‘‘প্রেসিডেন্ট বক্সে যখন বলা হয়, ‘ওই প্লেয়ার চলে না’, তখন ওই প্লেয়ার আর চলেই না। যেখানেই ভালো খেলুক আর চলে না।’’
তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটারদের কানে না আসলে আমরা জানলাম কোত্থেকে? অন্য কেউ কথা বলছে না এখন। আমার মতো কেউ ছেড়ে আসুক, তখন সেও বলা শুরু করবে। কারণ সে জানে কোড অফ কন্ডাক্ট আর নাই। মিলিয়ে দেখবেন তখন।
বিসিবির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলে কদিনের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেটকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এরপর যুক্ত হন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
সর্বশেষ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকের কাছে মাশরাফি বিসিবির ভূমিকা ও পেশাদারিত্বের সঙ্কটসহ সবকিছু নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। তার সাক্ষাতকারটি শুক্রবার প্রকাশ করা হয়। সূত্র: যুগান্তর