a ডিএমপি কমিশনারের হুঁশিয়ারি, থানায় মামলা না নিলে ১ মিনিটেই সাসপেন্ড
ঢাকা শনিবার, ৩ মাঘ ১৪৩২, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ডিএমপি কমিশনারের হুঁশিয়ারি, থানায় মামলা না নিলে ১ মিনিটেই সাসপেন্ড


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪, ০৩:২৬
ডিএমপি কমিশনারের হুঁশিয়ারি, থানায় মামলা না নিলে ১ মিনিটেই সাসপেন্ড

ফাইল ছবি: ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী

 

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, ঢাকার যে কোন থানায় মামলা না নিলে সাথে সাথেই ঐ থানার ওসিকে সাসপেন্ড করা হবে। আজ ২৫ নভেম্বর, সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে অটোরিকশা, অটো ভ্যান ও ইজিবাইক চালকদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

বৈঠকে একজন রিকশাচালকের নালিশ করেন, তাকে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় গতকাল রবিবার ও এর আগেও একদিন মারপিট করা হয়েছিল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনি মামলা করেননি কেন? মামলাযোগ্য বিষয় হলে অবশ্যই প্রতিটি থানার ওসিদের মামলা নিতে হবে। যদি মামলা নিতে কোন থানার ওসি গড়িমসি করে তাকে ১ মিনিটে সাসপেন্ড করা হবে জানান।

চাঁদাবাজির বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, কোন চাঁদাবাজির সাথে কোন পুলিশ জড়িত থাকে, তাদের রক্ষা নেই। বিশেষ করে গরীব মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ

চাঁদাবাজির বিষয়ে শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলন, কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। গরিবদের কষ্টার্জিত অর্থ কেউ নিতে পারবে না। স্থানীয় মাস্তানরা চাঁদাবাজির টাকা ভাগ করে খায়। যদি পুলিশের কোনো লোক চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার আর রক্ষা নেই। গরিবের কষ্টার্জিত টাকা কেউ নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সকাল ১১টায় দিকে অটো রিকশাচালকদের একটি প্রতিনিধি দল ডিএমপি কমিশনারের সাথে দেখা করেন এবং রিকশাচালকরা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঢাকার প্রবেশ পথে ব্যাপক তল্লাশি করছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২, ১১:১৯
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঢাকার প্রবেশ পথে ব্যাপক তল্লাশি করছে

ফাইল ছবি

আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকার প্রবেশ পথে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একইসঙ্গে অনলাইনেও সতর্ক রয়েছেন বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া সড়ক-মহাসড়কে বিশেষ তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ অংশের মৌচাক এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত কারো আচরণ ও গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলেই তাকে তল্লাশি করছে পুলিশ। মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তারা প্রাইভেট কার, সিএনজি, মোটরসাইকেল, রিকশাসহ দূরপাল্লার বাসগুলোকে থামিয়ে তল্লাশি করছে পুলিশ। দূর থেকে আশা যাত্রীদের করা হচ্ছে নানা প্রশ্ন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, কেউ যেন মহাসড়কে নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আমাদের এই তল্লাশি অভিযান চলছে। গাড়ি ভাঙচুর বা আগুন দেওয়ার মতো নাশকতা যেন কেউ না ঘটাতে পারে সেজন্য আমরা চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছি। আমাদের এ তল্লাশি চলতে থাকবে।

গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এবং শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় পুলিশ প্রতিটি গাড়ি ও যাত্রীদের তল্লাশি করছে। গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতেও পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব যানবাহন কালিয়াকৈর হয়ে এবং ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও কিশোরগঞ্জের যানবাহন শ্রীপুরের জৈনাবাজার দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে। চেকপোস্টে থাকা পুলিশ সদস্যরা সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল, পিকআপ, দূরপাল্লার বাস, ট্রাক গতিরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করছে। যাত্রীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ, বস্তা, মোবাইল ফোন চেক করছে। এতে যাত্রী ও চালকরা অনেকেই অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনাবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর অঞ্চলের যাত্রীবাহী বাসগুলো থামিয়ে বাসের ভেতর ও পরিবহণ চালকদের কাগজপত্র তল্লাশি করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকামুখী পরিবহণে এসব তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে। সূত্র: যুগান্তর

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইউএনওর দপ্তরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কারণে বিএনপি নেতার তোপের মুখে সারজিস


আরাফাত, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ১২:১৬
ইউএনওর দপ্তরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কারণে বিএনপি নেতার তোপের মুখে সারজিস

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে এক বিএনপি নেতার তোপের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান এই দুই নেতা। তাদের বাগ্‌বিতণ্ডার সময় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা দাঁড়িয়ে তা দর্শকের ন্যায় তাকিয়ে থাকেন।

সারজিস আলম ও মতিউর রহমান নামের ওই বিএনপি নেতার বাগ্‌বিতণ্ডার একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। মতিউর রহমান আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে।

সূত্র মতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে সারজিস আলম আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে উপজেলার অন্যান্য সরকারি দপ্তরের প্রধানদের ডাকেন। পরে তিনি ইউএনওর সম্মেলনকক্ষে তাদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। তবে সেখানে ইউএনও উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠক শেষে বের হওয়ার পরপরই ওই বিএনপি নেতার সঙ্গে সারজিস আলমের বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।

বাগ্‌বিতণ্ডার বিষয়ে আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মতিউর রহমান বলেন, তিনি বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের ঈদ শুভেচ্ছার কার্ড দিতে উপজেলা পরিষদের কয়েকটি সরকারি দপ্তরে যান। এ সময় কাউকেই না পেয়ে জানতে পারেন তারা ইউএনও অফিসের সম্মেলনকক্ষে সারজিস আলমের সঙ্গে মিটিং করছেন। পরে বিষয়টি তিনি আটোয়ারী উপজেলার দায়িত্বে থাকা বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে জানালে তিনি সেখানে উপস্থিত না থাকায় কোনো উত্তর দিতে পারেননি। পরে বিষয়টি পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (সার্বিক) জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান করছিলেন।

বিএনপি নেতা মতিউর রহমান বলেন, ‘পরে সারজিস আলমের সঙ্গে অন্য কর্মকর্তারা বেরিয়ে এলে আমি তাদের কাছে জানতে চাই যে তারা অফিস সময়ে এ ধরনের মিটিংয়ে আসতে পারেন কি না। এ সময় সারজিস আলম এগিয়ে এসে আমার সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় এটা কোনো বিধানে নেই বলে তাদের জানিয়ে দিই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সারজিস আলম বলেন, ‘আমাদের আটোয়ারী উপজেলাটা খুবই পিছিয়ে পড়া একটা উপজেলা। এখানে পাঁচটি সরকারি অফিসের প্রধান নেই। আমি মূলত ওই দিক দিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাকে সমস্যার কথা জানতে সেখানে যাই। পরে তাঁদের সঙ্গে ইউএনওর অফিসের একটা কক্ষে বসি। পরে কথা বলে বের হয়ে আসার সময় একজন ব্যক্তি, তাকে আমি চিনিও না। তিনি এভাবে কথা বলতে আসেন। আসলে তারা নিজে কিছু করতে পারবেন না। অন্য কেউ করলে তাদের সহ্য হয় না আরকি। ওই লোকটাও ওই একই ধরনের। এগুলো থাকবেই। এগুলোকে পাত্তা দিলে কাজে মনোযোগ দেওয়া যাবে না।’

ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সারজিস আলম বলছেন, ‘আমি তাদের কাছে জানতে চাই, আমার সুযোগ আছে আটোয়ারীর মানুষের জন্য কিছু করার, তাদের কোন কোন জায়গায় প্রয়োজন, এটা আমি তাদের কাছে জানতে চেয়ে তারা যদি সমস্যাগুলো বলে, আমি যদি আটোয়ারীর জন্য কোনো কিছু বের করে আনতে পারি, এটা ভালো না খারাপ?’এ সময় মতিউর রহমান বলেন, ‘তো তাহলে এটা ডিসি সাহেবের মাধ্যমে হোক, ইউএনও সাহেবের মাধ্যমে হোক।’

জবাবে সারজিস আলম বলছেন, ‘তাদের আমি আহ্বান জানিয়েছি যে আমার সুযোগ আছে।’ এ সময় মতিউর রহমান বলছেন, ‘আমার জিজ্ঞাসাটা হচ্ছে, এটা কি তারা পারেন এ ধরনের মিটিং করতে, আমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে চাই।’ তখন সারজিস আলম বলছেন, ‘আমি যদি কী কী দরকার এটা তাদের কাছে জেনে নিয়ে আসি, এটা হওয়া উচিত কি না। এটা তো কোনো অফিশিয়াল মিটিং নয়।’

একপর্যায়ে মতিউর রহমান বলছেন, ‘বাবা, এটা কিন্তু তোমরা রাজনৈতিক দল এনসিপি হওয়ার আগে ঠিক ছিল। তখন কিন্তু আমরা মেলায় (আলোয়াখোয়া রাশ মেলা) সহযোগিতাও করেছিলাম। যেহেতু রাজনৈতিক দল এখন।’ এ সময় সারজিস আলম বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের মহাসচিব হিসেবে যদি পারেন, একটা দলের পদধারী হয়ে, তিনি এখন এমপিও না, মন্ত্রীও না, উনি পারে কি না? উনি যদি পারেন, আমিও একটা দলের হয়ে পারি।’ এ সময় মতিউর রহমান বলেন, ‘কিন্তু উনি কোনো কনফারেন্স রুমে মিটিং করেন না।’ এ সময় সারজিস আলম বলেন, ‘এটা কোনো অফিশিয়াল মিটিং না।’

মতিউর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি উনাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই তারা কোন বিধানে এসেছেন। একটা রাজনৈতিক দলে মুখ্য সংগঠকের সঙ্গে তারা সরকারি কর্মকর্তারা কোনো মিটিং করতে পারেন কি না। তাঁরা এটা পারেন না। এটা কোন আইনে এসেছেন একজন নাগরিক হিসেবে এটা জানতে চাই।’ তখন সারজিস আলম বলেন, ‘কে বলছে পারে না।’ এ সময় সারজিস আলম মতিউর রহমানকে একাধিকবার বলতে থাকেন, ‘টোন লো করে (গলার স্বর নামিয়ে) কথা বলেন।’ এরপর সারজিস বলেন, ‘আপনি যে আইনে এটা জিজ্ঞাসা করতে পারেন, আমিও একজন নাগরিক হিসেবে আটোয়ারীতে কী কী সমস্যা আমি তাঁদের কাছে জানতে চাইতে পারি।’ সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন